অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
রাজধানীর পাইকারি বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য চিনির দাম বেড়েছে। পাইকারি ও খুচরা বাজারভেদে প্রতি কেজি চিনিতে ক্রেতাদেরকে মাসের ব্যবধানে বেশি গুনতে হচ্ছে ৫ থেকে ৬ টাকা।গত মাসে প্রতি কেজি চিনির দাম ছিল ৫৫ থেকে ৫৮ টাকা।মাসের ব্যাবধানে তা বেড়ে বর্তমানে হয়েছে ৬০ থেকে ৬৫ টাকা।
এদিকে রাজধানীর কাঁচাবাজারগুলোতে দেশি পেঁয়াজের দাম আরও কমেছে। খুচরা বাজারে ৩২-৩৫ টাকা এবং পাইকারি বাজারে ২৭-২৮ টাকা কেজি পাওয়া যাচ্ছে দেশি পেঁয়াজ। এক সপ্তাহ আগেও খুচরা বাজারে দেশি পেঁয়াজারের কিজি ছিল ৪০ টাকা। আর পাইকারিতে ছিল ৩০ টাকার ওপরে।
পেঁয়াজের পাশাপাশি অনান্য সবজিও আছে ক্রেতাদের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যেই আছে। রাজধানীতে বেশিরভাগ সবজি পাওয়া যাচ্ছে ২০ থেকে ৩০ টাকায়।তবে গুটিকয়েক সবজির দাম এখনো ৪০ টাকার উপরে।
শুক্রবার কারওয়ানবাজার, হাতিরপুল, রায়েরবাজার, কাটাসুর বাজার, মোহাম্মদপুর টাউন হল বাজার ঘুরে ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের সাথে কথা বলে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
এদিকে মাসখানেক ধরে অপরিবর্তিত আছে চালের বাজার,প্রতি কেজি মিনিকেট বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৬৫ টাকায়, প্রতি কেজি বিআর-২৮ বিক্রি হচ্ছে ৪৮ থেকে ৫০ টাকায়, পায়জম চাল বিক্রি হচ্ছে ৪২ থেকে ৪৫ টাকায়, নাজির প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৬৫ টাকা।
রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি কেজি আলু বিক্রি হচ্ছে ১২ টাকায়, পটলের দাম ৫০ টাকা থেকে কমে এ সপ্তাহে বিক্রি হচ্ছে ৩৫ টাকায়, প্রতি কেজি কাচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৪৫ টাকায়, লাউ বিক্রি হচ্ছে ২৫ থেকে ৩০ টাকায়, প্রতি কেজি বেগুন বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ৩০ টাকায়, প্রতি হালি কাচা কলা ২০ টাকায়, গাজর ১৫ টাকা, টমেটো ২০ থেকে ৩০ টাকায়, শিম প্রতি কেজি ৩০ টাকা, পেপে ৩০ টাকা, লতি ৩০ টাকা কেজি, চায়না রসুন বিক্রি হচ্ছে ১১০ টাকায়, দেশি রসুন ৬০ টাকায়,বরবটি ৬০ টাকা, ধুন্দল ৬০ টাকা কেজি।
কমেছে বিভিন্ন রকম মাছের দাম মরুই ২৪০ টাকা কেজি, তেলাপিয়া ১৩০, কাতলা ২৬০, , টেংরা কেজি ৪০০ থেকে ৬০০, চিতল ৫৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। ডিমের দামও আগের মতোই রয়েছে, ডজন ৭৫ টাকা। ব্রয়লার মুরগির কেজি ১৩০, দেশি (বড়) মুরগি পিস ৩৫০ টাকা, কক ২২০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।তবে সামনে পহেলা বৈশাখকে কেন্দ্র করে বাড়তে শুরু করেছে ইলিশের দাম।বাজারে আকার ভেদে প্রতি হালি ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ১২০০ থেকে ৪৫০০ টাকায়।
মোহাম্মদপুর টাউন হল বাজারের মাছের ব্যবসায়ী শাহীন বলেন, সামনে পহেলা বৈশাখ তাই পাইকারি বাজারে বেড়েছে ইলিশের দাম।তাই আমাদেরও বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।
মামুন নামের এক ক্রেতা বলেন,সব পণ্যের দাম বর্তমানে আমদের হাতের নাগালে থাকলেও রোজা না আসতেই দাম বাড়তে শুরু করেছে চিনির। এটা খুবই ন্যাক্কারজনক একটি বিষয়।বিশ্বের অনান্য দেশে রোজার সময় ভোগ্য পণ্যের দাম কমে অথচ আমদের দেশে তার উল্টোটা হয়।
রুমা বেগম নামের এক ক্রেতা বলেন, মাসখানেক যাবত সকল পণ্যের দাম কিছুতা স্থিতিশীল অবস্থায় আছে।তবে সামনে রোজার মাস, সে সময় ভোগ্য পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে থাকলেই হয়।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 
























