অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
সুনামগঞ্জ পৌরসভার মেয়র পদের উপনির্বাচনে বিরোধীদের নির্বাচন প্রত্যাখ্যানের মাঝে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী।
কেন্দ্র দখলের চেষ্টার কারণে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর বাড়ির কেন্দ্র কেবি মিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভোটগ্রহণ স্থগিত করেছে নির্বাচন কমিশন। তবে ওই কেন্দ্রের মোট ভোটের চেয়ে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে বেশি ভোটে পরাজিত করায় আওয়ামী লীগের নাদের বখতকে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন।
পৌরসভার ২৩টি কেন্দ্রের মধ্যে ২২টি ফলাফলে নৌকা প্রতীক নিয়ে ১৬ হাজার ৩৫২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন নাদের বখত। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্রপ্রার্থী দেওয়ান গণিউল সালাদীন পেয়েছেন ৯ হাজার ৪৮৫ ভোট। বিএনপি প্রার্থী দেওয়ান সাজাউর রাজা সুমন পেয়েছেন ১ হাজার ৮০৭ ভোট।
এদিকে ভোটগ্রহণ সমাপ্তের এক ঘণ্টা পূর্বে বিএনপি ও স্বতন্ত্রপ্রার্থী পৃথক সংবাদ সম্মেলন করে নির্বাচন বর্জন ও ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেন।
তাদের অভিযোগ, প্রশাসনের নির্লজ্জ সহযোগিতায় ব্যাপক হারে ভোট কারচুপি, আগাম ও জালভোট প্রদান এবং ব্যালট পেপার ছিনতাইয়ের মাধ্যমে সরকার দলের প্রার্থীর বিজয় নিশ্চিত করা হয়েছে। নিরপেক্ষভাবে পুনর্ভোট অনুষ্ঠানের দাবি জানান তারা।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, পৌরসভার ২৩টি কেন্দ্রের মধ্যে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর প্রভাবাধীন তিনটি কেন্দ্রে ব্যালট বাক্স ছিনতাই, জোরপূর্বক জালভোট প্রদান ও কারচুপির অভিযোগ ওঠে। কেন্দ্রগুলো হচ্ছে কেবি মিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, উত্তর আরপিননগর পৌর প্রাথমিক বিদ্যালয় ও পিটিআই স্কুল। এর মধ্যে কেবি মিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভোটগ্রহণ স্থগিত রাখা হয়েছে।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 
























