অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
কিছু ব্যবসায়ী বন্ডের সুবিধা নিয়ে এক পণ্যের নামে অন্য পণ্য আমদানি করছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় রাজস্ব র্বোডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া। তিনি বলেন, বন্ডের অপব্যবহারের কারণে দেশীয় শিল্পে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর মতিঝিলে ফেডারেশন ভবনে আসন্ন জাতীয় বাজেট ২০১৮-২০১৯ উপলক্ষে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন। ব্যাবসয়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
বন্দর এলাকায় কাস্টমস বিভাগকে আরো উন্নত করা হচ্ছে বলে জানিয়ে এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে বন্ডের অপব্যবহারকারীদের কঠোর হাতে দমন করা হবে।
অনুষ্ঠানে রাজস্ব নীতিমালা, আমদানি শুল্ক, মূল্য সংযোজন কর (মুসক)সহ বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরেন ব্যবসায়ীরা।
গুটি কয়েক ব্যবসায়ীর কারণে পুরো ব্যবসায়ী সমাজ কলঙ্কিত হচ্ছে মন্তব্য করে এফবিসিআইয়ের সভাপতি শফিকুল ইসলাম (মহিউদ্দিন) বলেন, বন্ডের অপব্যবহার রোধে এনবিআরের সাথে এফবিসিসিআই যৌথ উদ্যোগে কাজ করবে।
তিনি আরো বলেন, মূল্য সংযোজন কর (মূসক) এবং আয়করের ক্ষেত্রে ৭০ শতাংশ থেকে ৮০ শতাংশ রাজস্ব উৎসে আদায় হয়ে থাকে। আর এই উৎসে আদায়ের ক্ষেত্রে ব্যবসায়ীদের ভুমিকা বা দায়িত্ব অপরিসীম।রাজস্ব নীতি গ্রহন এবং বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে ব্যবসায়ীদেরকে সাথে নিয়ে কাজ করতে হবে। এখানে যেন আস্থার সংকট তৈরী না হয় সেদিকে আমাদের খেয়াল রাখতে হবে।
সভায় তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক মালিকদের সংগঠন (বিজিএমইএ) সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান, সংসদ সদস্য গোলাম দস্তগীর গাজী (বীরপ্রতিক), এফবিসিসিআইয়ের সিনিয়র সহসভাপতি শেখ ফজলে ফাহিমসহ ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
এসময় ব্যবসায়ীরা এনবিআর অযথা ব্যবসায়ীদের হয়রানি করছে এবং এই হয়রানি থেকে তারা মুক্তি চান বলে এনবিআর চেয়ারম্যানের কাছে অভিযোগ করেন।
ব্যবসায়ীদের এই দাবির প্রেক্ষিতে এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, এনবিআর হবে ব্যবসাবান্ধব। তাদের কোনো ধরনের অশান্তি কিংবা হয়রানি করা হবে না। তবে যারা কর ফাঁকি দেয় তাদের করের আওতায় অনা হবে। এসময় তিনি জানান, আগামী বাজেটে সরকার রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ২ লাখ ৪৮ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করেছে আর বাজেটের এই লক্ষ্যমাত্রা পূরণে করের আওতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 
























