ঢাকা ১১:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শিশুরা নিজেদের গড়ে তুললে দেশ সঠিকভাবে গড়ে উঠবে: প্রধানমন্ত্রী ভারত সীমান্তে চীনের রণহুংকার, পাল্টা জবাবে এক দশক পিছিয়ে দিল্লি গ্যাস সংকট স্বাভাবিক হতে লাগবে আরও ১০–১৫ দিন: জ্বালানিমন্ত্রী গ্রন্থাগারে ঢুকে শিক্ষার্থীদের মারধর করলেন রাকসু ও শিবির নেতারা চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চলের নির্মাণ শুরু, আসবে ১.৩ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ গণমাধ্যমের জন্য নীতিমালা প্রণয়নে সম্পাদকদের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক অঞ্চল শিল্প বিপ্লব ও কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ভারতের আন্দোলনের সফলতাকে নিজেদের বলে দাবি করেছে জামায়াতের বুদ্ধিজীবীরা: রাশেদ খাঁন ৩ শর্তে লাইসেন্স ফিরে পেল আদ্-দ্বীন হাসপাতাল মানুষের আস্থার কেন্দ্র, চিকিৎসাসেবা হতে হবে রোগীবান্ধব: তথ্যমন্ত্রী

সতর্কতার সঙ্গে পা ফেলছেন কিম

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-এর সঙ্গে উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম জং উনের বৈঠক যুক্তরাষ্ট্রকে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে। বেইজিংয়ের মধ্যস্থতা ছাড়া আপাতত কোনও কূটনৈতিক পদক্ষেপ করতে চায় না উত্তর কোরিয়া।

দুই দিন ধরেই জল্পনা চলছিল, উত্তর কোরিয়ার একনায়ক কি সত্যিই বেইজিং সফরে গিয়েছিলেন?

বুধবার জানা গিয়েছে, নিছক জল্পনা নয়, এই সফরের খবর ১০০ শতাংশ সত্যি। খবরের সমর্থনে বেইজিংয়ে দুই রাষ্ট্রনায়কের একাধিক ছবিও গতকাল প্রকাশ করেছে চীন এবং উত্তর কোরিয়ার সরকারি সংবাদমাধ্যম। সেই সব ছবিতে সস্ত্রীক, হাসিমুখের দুই নেতাকে দেখা যাচ্ছে। কোনওটায় বা তারা মধ্যাহ্নভোজের টেবিলে খোশগল্প করছেন, কখনও বা তাদের হাতে ওয়াইনের গ্লাস।

আলোচনার বিষয় নিয়ে সবিস্তার কিছু জানানো না-হলেও বেইজিংয়ের দাবি, পরমাণু নিরস্ত্রীকরণে তিনি যে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, কিম সেটা স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছেন শি-কে।

কিমের এই সফরে সৌহার্দ্য-সৌজন্যের আড়ালে স্পষ্ট কূটনৈতিক চাল লুকিয়ে রয়েছে- বলছেন কূটনীতিকরা।

ওয়াশিংটনের উইলসন সেন্টার গবেষণা কেন্দ্রের জিন এইচ লি-র কথায়, ‘উত্তর কোরিয়া খুব সতর্কভাবে পা ফেলতে শুরু করেছে। এবং তারা ভালোই বুঝতে পারছে যে, তাদের এই কূটনৈতিক যাত্রা সফল হবে, যদি বেইজিং তাদের পাশে থাকে।’

আগামী সপ্তাহে দক্ষিণ কোরিয়া এবং তার কয়েক দিন পরেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে কিমের বৈঠক হওয়ার কথা।

লি-র কথায়, ‘ওয়াশিংটন বা পিয়ংইয়ং-এর সঙ্গে আলোচনার টেবিলে বসার আগে চীনা প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দেখা করে কিম আন্তর্জাতিক দুনিয়াকে বুঝিয়ে দিলেন, বেইজিং তার কত বড় বন্ধু!’

উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে বেইজিংয়ের সম্পর্ক যদিও চিরকাল ভালো ছিল না।

২০১৩-র ডিসেম্বরে কাকা জান-সং ঠেক-এর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ এনে তাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিলেন কিম। ঠেক নাকি চীনের সঙ্গে হাত মিলিয়ে কিমকে গদিচ্যুত করতে চেয়েছিলেন। আবার ২০১৬ সালে চীনে জি-২০ শীর্ষবৈঠক চলাকালীন ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করেন কিম। এমনকী গত বছরে কিমের সঙ্গে আলোচনা করার জন্য পিয়ংইয়ং-এ বিশেষ দূত পাঠিয়েছিলেন শি।তার সঙ্গে দেখা করতেই অস্বীকার করেন কিম।

কিম-শি বৈঠক নিয়ে টুইট করেছেন ট্রাম্প। তার কথায়, ‘কাল রাতে শি আমাকে বললেন, কিমের সঙ্গে তার বৈঠক ভালোই হয়েছে। কিম তাকে জানিয়েছেন যে, আমার সঙ্গে কথা বলার জন্য তিনি অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শিশুরা নিজেদের গড়ে তুললে দেশ সঠিকভাবে গড়ে উঠবে: প্রধানমন্ত্রী

সতর্কতার সঙ্গে পা ফেলছেন কিম

আপডেট সময় ১০:২৩:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ মার্চ ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-এর সঙ্গে উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম জং উনের বৈঠক যুক্তরাষ্ট্রকে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে। বেইজিংয়ের মধ্যস্থতা ছাড়া আপাতত কোনও কূটনৈতিক পদক্ষেপ করতে চায় না উত্তর কোরিয়া।

দুই দিন ধরেই জল্পনা চলছিল, উত্তর কোরিয়ার একনায়ক কি সত্যিই বেইজিং সফরে গিয়েছিলেন?

বুধবার জানা গিয়েছে, নিছক জল্পনা নয়, এই সফরের খবর ১০০ শতাংশ সত্যি। খবরের সমর্থনে বেইজিংয়ে দুই রাষ্ট্রনায়কের একাধিক ছবিও গতকাল প্রকাশ করেছে চীন এবং উত্তর কোরিয়ার সরকারি সংবাদমাধ্যম। সেই সব ছবিতে সস্ত্রীক, হাসিমুখের দুই নেতাকে দেখা যাচ্ছে। কোনওটায় বা তারা মধ্যাহ্নভোজের টেবিলে খোশগল্প করছেন, কখনও বা তাদের হাতে ওয়াইনের গ্লাস।

আলোচনার বিষয় নিয়ে সবিস্তার কিছু জানানো না-হলেও বেইজিংয়ের দাবি, পরমাণু নিরস্ত্রীকরণে তিনি যে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, কিম সেটা স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছেন শি-কে।

কিমের এই সফরে সৌহার্দ্য-সৌজন্যের আড়ালে স্পষ্ট কূটনৈতিক চাল লুকিয়ে রয়েছে- বলছেন কূটনীতিকরা।

ওয়াশিংটনের উইলসন সেন্টার গবেষণা কেন্দ্রের জিন এইচ লি-র কথায়, ‘উত্তর কোরিয়া খুব সতর্কভাবে পা ফেলতে শুরু করেছে। এবং তারা ভালোই বুঝতে পারছে যে, তাদের এই কূটনৈতিক যাত্রা সফল হবে, যদি বেইজিং তাদের পাশে থাকে।’

আগামী সপ্তাহে দক্ষিণ কোরিয়া এবং তার কয়েক দিন পরেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে কিমের বৈঠক হওয়ার কথা।

লি-র কথায়, ‘ওয়াশিংটন বা পিয়ংইয়ং-এর সঙ্গে আলোচনার টেবিলে বসার আগে চীনা প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দেখা করে কিম আন্তর্জাতিক দুনিয়াকে বুঝিয়ে দিলেন, বেইজিং তার কত বড় বন্ধু!’

উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে বেইজিংয়ের সম্পর্ক যদিও চিরকাল ভালো ছিল না।

২০১৩-র ডিসেম্বরে কাকা জান-সং ঠেক-এর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ এনে তাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিলেন কিম। ঠেক নাকি চীনের সঙ্গে হাত মিলিয়ে কিমকে গদিচ্যুত করতে চেয়েছিলেন। আবার ২০১৬ সালে চীনে জি-২০ শীর্ষবৈঠক চলাকালীন ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করেন কিম। এমনকী গত বছরে কিমের সঙ্গে আলোচনা করার জন্য পিয়ংইয়ং-এ বিশেষ দূত পাঠিয়েছিলেন শি।তার সঙ্গে দেখা করতেই অস্বীকার করেন কিম।

কিম-শি বৈঠক নিয়ে টুইট করেছেন ট্রাম্প। তার কথায়, ‘কাল রাতে শি আমাকে বললেন, কিমের সঙ্গে তার বৈঠক ভালোই হয়েছে। কিম তাকে জানিয়েছেন যে, আমার সঙ্গে কথা বলার জন্য তিনি অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন।’