ঢাকা ০২:১১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশে জ্বালানি সংকট নেই, অসাধু চক্র কৃত্রিম লাইনে বাজার অস্থির করছে:জ্বালানি মন্ত্রী কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে ‘পেপ্যাল’ চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী আমরা ভালো হয়ে গেলে দেশও ভালো হয়ে যাবে: শফিকুর রহমান ২৫ এপ্রিল ঢাকায় সমাবেশের ডাক দিল জামায়াত হান্নান মাসউদ, আপনি সরকারি দলে যোগ দিয়েছেন নাকি: স্পিকার ক্যাম্পাসে ‘গুপ্ত রাজনীতি’ চলতে দেওয়া হবে না: ছাত্রদল সম্পাদক নাছির ডিআইজিসহ ১৩ পুলিশ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে তনু হত্যা মামলা: ১০ বছর পর সাবেক সেনাসদস্য গ্রেফতার, ৩ দিনের রিমান্ডে কর জরিপের একটা বড় প্রজেক্ট নিতে চাই: এনবিআর চেয়ারম্যান গণমাধ্যম ও রাজনীতিতে জবাবদিহিতার সংস্কৃতি নিশ্চিত করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী

তেঁতুলের অবাক করা গুণ, জানলে অবাক হবেন আপনিও

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

তেঁতুলকে চিনে না এমন লোক সাধারণত কমই আছে। প্রচুর টক হওয়ায় ছোট-বর সকলের কাছেই খুবই পছন্দনীয়। তবে তেঁতুলে রয়েছে অনেক পুষ্টি ও গুণ। আমরা অনেকেই হয়ত জানি না, তেঁতুল ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে প্রাচীনকাল থেকেই। যারা প্রেশারের রোগী তাদের জন্য তেঁতুল খুবই উপকারি।

ওজন কমাতে সাহায্য করে :
একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, তেঁতুল খাওয়া শুরু করলে শরীরে ফাইবারের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। ফলে ক্ষিদে কমে যায়। আর একবার কম খাওয়া শুরু করলে ওজন কমতে সময় লাগে না। এছাড়া তেঁতুলে যেসব উপাদান রয়েছে তা শরীরে উপস্থিত অতিরিক্ত চর্বি ঝরিয়ে স্বাভাবিক ওজন কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ :
তেঁতুলে উপস্থিতি বেশ কিছু এনজাইম, কার্বোহাইড্রেটের শোষণ মাত্রা কমিয়ে দেয়। ফলে ডায়াবেটিস রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়। সরাসরি না হলেও পরোক্ষভাবে রক্তে শর্করার মাত্রাকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে তেঁতুল দারুণভাবে কাজ করে।

হার্টের ক্ষমতা বৃদ্ধি :
একাধিক গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে, তেঁতুলের ভিতরে থাকা একাধিক ভিটামিন এবং খনিজ ব্লাড প্রেশার নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। সেই সঙ্গে রক্তে উপস্থিত বাজে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতেও বিশেষ ভূমিকা নেয়। আর হার্টের কর্মক্ষমতা কমাতে ব্লাড প্রেশার এবং কোলেস্টেরল কোনও খামতিই রাখে না। তাই শরীর যখন এই দুই ক্ষতিকর রোগ থেকে দূরে থাকে, তখন স্বাভাবিকভাবেই হার্টের স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটার কোনও সুযোগই থাকে না। সুতরাং তেঁতুল খাওয়া খুবই জরুরি।

হজম ক্ষমতা বৃদ্ধি :
তেঁতুলে উপস্থিত ডায়াটারি ফাইবার হজমে সহায়ক করে। তেঁতুলে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় “বিলিয়াস সাবস্টেন্স” যা খাবার হজমের প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে। ফলে বদ-হজমের আশঙ্কা হ্রাস পায়। এক কথায়, পেটের ভিতরে ছোট-বড় প্রতিটি কাজ যাতে ঠিক মতো হয়, সেদিকে খেয়াল রাখে তেঁতুল। ফলে যে কোনও ধরনের পেটের রোগ হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

দেশে জ্বালানি সংকট নেই, অসাধু চক্র কৃত্রিম লাইনে বাজার অস্থির করছে:জ্বালানি মন্ত্রী

তেঁতুলের অবাক করা গুণ, জানলে অবাক হবেন আপনিও

আপডেট সময় ১০:১৬:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ মার্চ ২০১৮

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

তেঁতুলকে চিনে না এমন লোক সাধারণত কমই আছে। প্রচুর টক হওয়ায় ছোট-বর সকলের কাছেই খুবই পছন্দনীয়। তবে তেঁতুলে রয়েছে অনেক পুষ্টি ও গুণ। আমরা অনেকেই হয়ত জানি না, তেঁতুল ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে প্রাচীনকাল থেকেই। যারা প্রেশারের রোগী তাদের জন্য তেঁতুল খুবই উপকারি।

ওজন কমাতে সাহায্য করে :
একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, তেঁতুল খাওয়া শুরু করলে শরীরে ফাইবারের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। ফলে ক্ষিদে কমে যায়। আর একবার কম খাওয়া শুরু করলে ওজন কমতে সময় লাগে না। এছাড়া তেঁতুলে যেসব উপাদান রয়েছে তা শরীরে উপস্থিত অতিরিক্ত চর্বি ঝরিয়ে স্বাভাবিক ওজন কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ :
তেঁতুলে উপস্থিতি বেশ কিছু এনজাইম, কার্বোহাইড্রেটের শোষণ মাত্রা কমিয়ে দেয়। ফলে ডায়াবেটিস রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়। সরাসরি না হলেও পরোক্ষভাবে রক্তে শর্করার মাত্রাকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে তেঁতুল দারুণভাবে কাজ করে।

হার্টের ক্ষমতা বৃদ্ধি :
একাধিক গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে, তেঁতুলের ভিতরে থাকা একাধিক ভিটামিন এবং খনিজ ব্লাড প্রেশার নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। সেই সঙ্গে রক্তে উপস্থিত বাজে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতেও বিশেষ ভূমিকা নেয়। আর হার্টের কর্মক্ষমতা কমাতে ব্লাড প্রেশার এবং কোলেস্টেরল কোনও খামতিই রাখে না। তাই শরীর যখন এই দুই ক্ষতিকর রোগ থেকে দূরে থাকে, তখন স্বাভাবিকভাবেই হার্টের স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটার কোনও সুযোগই থাকে না। সুতরাং তেঁতুল খাওয়া খুবই জরুরি।

হজম ক্ষমতা বৃদ্ধি :
তেঁতুলে উপস্থিত ডায়াটারি ফাইবার হজমে সহায়ক করে। তেঁতুলে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় “বিলিয়াস সাবস্টেন্স” যা খাবার হজমের প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে। ফলে বদ-হজমের আশঙ্কা হ্রাস পায়। এক কথায়, পেটের ভিতরে ছোট-বড় প্রতিটি কাজ যাতে ঠিক মতো হয়, সেদিকে খেয়াল রাখে তেঁতুল। ফলে যে কোনও ধরনের পেটের রোগ হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়।