ঢাকা ১০:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
একটি রাজনৈতিক দল বিভিন্ন এলাকা থেকে ভোটারদের ঢাকায় স্থানান্তর করে আনছে: ফখরুলের অভিযোগ নরসিংদীতে দুই ব্যবসায়ীর ঝগড়ায় একজনের মৃত্যু, অভিযুক্তর বাড়িতে ভাঙচুর-আগুন ৭ কলেজ নিয়ে ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ অধ্যাদেশ চূড়ান্ত আমি এসেছি শুধু শুনতে, শিখতে এবং একসঙ্গে কাজ করার মনোভাব নিয়ে এগিয়ে যেতে: জাইমা রহমান চাকরির ক্ষেত্রে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি হয়েছে কিনা তা দেখা উচিত : আমীর খসরু ওসমানী হাসপাতাল ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার যুক্তরাষ্ট্রেকেও খেসারত দিতে হবে, ফরাসি কৃষিমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি ভুয়া জরিপ ও মিথ্যা প্রচারণা দিয়ে রাজনৈতিক ইতিহাস বদলানো যাবে না : দুদু গণ-অভ্যুত্থানের নিষ্ঠুরতম খুনিদের বিচার নিশ্চিত করা হবে : তাজুল ইসলাম এক্সপেকটেশন যদি ১০ থাকে, অন্তত চার তো অর্জন করতে পেরেছি : আসিফ নজরুল

হাত পেতে নয়, মাথা উঁচু করে দাঁড়াব: প্রধানমন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

৪৭তম স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে এক ভাষণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন বাংলাদেশ আর কারও কাছে হাত পাতবে না, মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে। একটি সুখী ও সমৃদ্ধশালী দেশ গড়তে তার সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

সোমবার সকাল ৮টায় বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে জাতীয় শিশু-কিশোর সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তার উপস্থিতিতে সারাদেশে ও বিদেশে একযোগে একই সময়ে শুদ্ধসুরে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশিত হয়।

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানান। তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ হাসিনা এবং মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে আত্মত্যাগকারী শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘স্বাধীনতার লক্ষ্য ছিল মানুষ উন্নত জীবন পাবে, ক্ষুধা-দারিদ্রমুক্ত দেশ গড়ে উঠবে। জাতির পিতা এটাই চেয়েছিলেন। সে লক্ষ্যেই তিনি কাজ শুরু করেছিলেন। কিন্তু দুঃখের বিষয়, ১৯৭৫ সালে তাকে সপরিবারে হত্যা করা হয়। আমি আর আমার ছোটবোন বিদেশে ছিলাম বলে বেঁচে যাই।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ১৯৯৬ সালে প্রথম ক্ষমতায় এসে মানুষের ভাগ্যের উন্নয়নে কাজ শুরু করি। পরবর্তী সময়ে ২০০৮ সালে আবার ক্ষমতায় এসে অসমাপ্ত কাজে হাত দিই। আমরা মানুষের ভাগ্যের উন্নয়ন ঘটাতে কাজ করে যাচ্ছি।’

শিশু-কিশোরদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘তোমরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। তোমরাই আগামীতে দেশ চালাবে। তোমাদের মধ্য থেকেই প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী হবে। এজন্য তোমরা দেশকে গভীরভাবে ভালোবাসবে। আমরা যেখানে রেখে যাবো সেখান থেকে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।’

বক্তৃতায় প্রধানমন্ত্রী শিশুদের প্রতি তার আদর, দোয়া ও আশির্বাদ দেন। শিশুদের সুন্দর জীবন কামনা করেন। মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে দেশের সর্বস্তরের মানুষকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান। উন্নত ও সমৃদ্ধশালী দেশ গড়ায় তিনি সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

অনুষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক ও ঢাকার জেলা প্রশাসক আবু ছালেহ মোহাম্মদ ফেরদৌস খান উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, সংসদ সদস্যবৃন্দ এবং বিশিষ্ট নাগরিকেরা গ্যালারিতে ছিলেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

উত্তরায় নিরাপত্তাকর্মীকে পিটিয়ে অস্ত্র ছিনতাই-অপহরণ

হাত পেতে নয়, মাথা উঁচু করে দাঁড়াব: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৯:৫১:৩৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ মার্চ ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

৪৭তম স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে এক ভাষণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন বাংলাদেশ আর কারও কাছে হাত পাতবে না, মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে। একটি সুখী ও সমৃদ্ধশালী দেশ গড়তে তার সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

সোমবার সকাল ৮টায় বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে জাতীয় শিশু-কিশোর সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তার উপস্থিতিতে সারাদেশে ও বিদেশে একযোগে একই সময়ে শুদ্ধসুরে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশিত হয়।

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানান। তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ হাসিনা এবং মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে আত্মত্যাগকারী শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘স্বাধীনতার লক্ষ্য ছিল মানুষ উন্নত জীবন পাবে, ক্ষুধা-দারিদ্রমুক্ত দেশ গড়ে উঠবে। জাতির পিতা এটাই চেয়েছিলেন। সে লক্ষ্যেই তিনি কাজ শুরু করেছিলেন। কিন্তু দুঃখের বিষয়, ১৯৭৫ সালে তাকে সপরিবারে হত্যা করা হয়। আমি আর আমার ছোটবোন বিদেশে ছিলাম বলে বেঁচে যাই।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ১৯৯৬ সালে প্রথম ক্ষমতায় এসে মানুষের ভাগ্যের উন্নয়নে কাজ শুরু করি। পরবর্তী সময়ে ২০০৮ সালে আবার ক্ষমতায় এসে অসমাপ্ত কাজে হাত দিই। আমরা মানুষের ভাগ্যের উন্নয়ন ঘটাতে কাজ করে যাচ্ছি।’

শিশু-কিশোরদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘তোমরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। তোমরাই আগামীতে দেশ চালাবে। তোমাদের মধ্য থেকেই প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী হবে। এজন্য তোমরা দেশকে গভীরভাবে ভালোবাসবে। আমরা যেখানে রেখে যাবো সেখান থেকে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।’

বক্তৃতায় প্রধানমন্ত্রী শিশুদের প্রতি তার আদর, দোয়া ও আশির্বাদ দেন। শিশুদের সুন্দর জীবন কামনা করেন। মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে দেশের সর্বস্তরের মানুষকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান। উন্নত ও সমৃদ্ধশালী দেশ গড়ায় তিনি সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

অনুষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক ও ঢাকার জেলা প্রশাসক আবু ছালেহ মোহাম্মদ ফেরদৌস খান উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, সংসদ সদস্যবৃন্দ এবং বিশিষ্ট নাগরিকেরা গ্যালারিতে ছিলেন।