আকাশ বিনোদন ডেস্ক:
এবার ফোন কল কেলেঙ্কারিতে নাম জড়াল বলিউড তারকা কঙ্গনা রানাউতের। এ নায়িকাকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে পুলিশ! তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, ২০১৬ সালে তিনি নাকি আইনজীবী রিজওয়ান সিদ্দিকিকে হৃতিক রোশনের মুঠোফোন নম্বর দিয়েছিলেন। এর আগেই জ্যাকি শ্রফের স্ত্রী আয়েশা শ্রফের নাম উঠে এসেছে এই কেলেঙ্কারিতে। সূত্রে জানা যায়, শুধু কঙ্গনা বা আয়েশাই নয়, এই বিতর্কে আরও বলিউড তারকার নাম প্রকাশ্যে আসতে পারে। এই খবর পাওয়ার পর মুখ খুলেছেন কঙ্গনা। জানিয়েছেন, কোনও কিছু নিয়ে অভিযোগ করার আগে ঘটনার তদন্ত হওয়া উচিত।
কঙ্গনার সঙ্গে হৃতিক রোশনের সম্পর্ক নিয়ে ইতিমধ্যেই কম জলঘোলা হয়নি বলিউডে। এ বার ফোন কল কেলেঙ্কারিতে ফের উঠে এল তাদের নাম। কঙ্গনা কি হৃতিক রোশনের কল রেকর্ডিং কোনও ভাবে ফাঁস করে দিয়েছিলেন? প্রশ্নটা উঠছে, এই কেলেঙ্কারির তদন্তে নেমে ক্রাইম ব্রাঞ্চের কর্মকর্তারা জানতে পেরেছেন, হৃতিক রোশনের নাম ও মোবাইল নম্বর এসএমএস করে আইনজীবী রিজওয়ান সিদ্দিকিকে পাঠিয়েছিলেন কঙ্গনা। তবে বুধবার এক বিবৃতিতে কঙ্গনা বলেন, আইনি নোটিসের উত্তর দিতে হলে নিজের আইনজীবীর সঙ্গে আমাদের সমস্ত ডিটেলসই শেয়ার করতে হয়।
এখনও পর্যন্ত এই কেলেঙ্কারিতে ১২ জন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে ক্রাইম ব্রাঞ্চ। এর মধ্যে রয়েছেন আইনজীবী রিজওয়ান সিদ্দিকি। বেআইনিভাবে ফোন কলের রেকর্ডিং বের করার অভিযোগে ওই আইনজীবীকে গ্রেফতার করেছিল ঠাণে পুলিশ। তার আগে প্রশান্ত পালেকর নামে এক বেসরকারি গোয়েন্দা পুলিশের কাছে ধরা পড়েন। প্রশান্তকে জিজ্ঞাসাবাদের সময় উঠে আসে রিজওয়ানের নাম। পুলিশি জেরার মুখে পালেকর জানান, নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকির স্ত্রী অঞ্জলি সিদ্দিকির ফোন কলের রেকর্ড বের করতে ওই আইনজীবীকে সাহায্য করেছিলেন তিনি।
তদন্তে উঠে আসে জ্যাকি শ্রফের স্ত্রী আয়েশা শ্রফের নামও। আয়েশার অভিযোগ, তার ব্যবসার অংশীদার সাহিল খান তার কাছ থেকে ৮ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। এই নিয়ে আইনি লড়াইও চলছে তাদের মধ্যে। আর সাহিল খানের সঙ্গে কথোপকথনের রেকর্ডও রিজওয়ান সিদ্দিকির কাছে ফাঁস করেছিলেন আয়েশা। এমনটাই দাবি ঠাণের তদন্তকারী
আকাশ নিউজ ডেস্ক 























