অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
ঢাকার সাভারে নিখোঁজের ১৫ দিন পর এক কলেজছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ব্যবসায়িক দ্বন্দ্বের জের ধরে কৌশলে অপহরণ করে মুক্তিপণ না পেয়ে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে নিহতের পরিবারের। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত জিজ্ঞাবাদের জন্য চারজনকে আটক করা হলেও দুইজনকে আটকের কথা জানিয়েছে পুলিশ।
মঙ্গলবার বিকালে সাভারের জয়ানাবাড়ী এলাকার বৈদ্যনাথের ইটভাটার পাশে হোসেন আলীর বালুর টেক থেকে বালিচাপা অবস্থায় নিহত ফয়সালের অর্ধগলিত মৃতদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত কলেজ ছাত্রের নাম মো. ফয়সাল (২০)। তিনি সাভারের হেমায়েতপুর জয়নাবাড়ি এলাকার মাসুদ রানা ফকির চাঁনের ছেলে।
নিহত ফয়সাল সাভারের পৌর এলাকার ব্যাংক কলোনী মহল্লায় অবস্থিত ল্যাবরেটরি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণিতে পড়াশোনার পাশাপাশি বাবার মোটর পার্টসের দোকানে কাজ করতেন।
নিহতের পরিবার ও থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ব্যবসায়িক দ্বন্দ্বের জের ধরে ফয়সালকে কৌশলে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে যায় প্রতিবেশী আকাশ ও রাজু। পরে তাকে আটকে রেখে পাঁচ লক্ষ টাকা মুক্তিপন দাবি করা হয় ফয়সালের বাবা ফকির চাঁনের কাছে। এ ঘটনায় গত ৬ মার্চ ফকির চাঁন বিষয়টি জানিয়ে সাভার মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সাভার মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আজগর হোসেন জানান, ফয়সাল নিখোঁজের ঘটনায় একটি সাধারণ ডায়েরি দায়ের হওয়ার পর বিষয়টি সম্পর্কে খোঁজখবর নেয়া শুরু করি। পরে তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার করে অভিযুক্ত রাজু ও আকাশের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ট্র্যাকিং করে গোপন সংবাদে তাদের অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হই। পরে মঙ্গলবার ভোরে দিনাজপুরের বিরামপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে আকাশ ও রাজুকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে তাদের দেয়া তথ্য মতে সাভারের জোরপুল এলাকার বৈদ্যনাথের ইটভাটার পাশে হোসেন আলীর পরিত্যক্ত বালুরটেক থেকে বালিচাপা অবস্থায় নিহত ফয়সালের অর্ধগলিত মৃতদেহটি উদ্ধার করা হয়।
সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহসিনুল কাদির জানান, মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় সাভার থানায় একটি মামলা করে হত্যার সাথে জড়িত বাকিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান তিনি।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 
























