ঢাকা ০৪:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ফোরজি দেশে ব্যবসা বাণিজ্যের প্রসার করবে: মোস্তাফা জব্বার

আকাশ আইসিটি ডেস্ক:

বাংলাদেশে ফোরজি সেবা চালু হওয়া নিয়ে কথা বলেছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়কে দেশে ফোরজি চালুর উদ্যোগ ও সে অনুযায়ী পরামর্শ দেয়ার জন্য বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। ফোরজি নিলামের মাধ্যমে সরকার প্রায় ৫ হাজার ২৬৮ কোটি টাকার তরঙ্গ বিক্রি করেছে।

আমাদের দেশে গ্রাহক বাড়ছে; কিন্তু সে হারে তরঙ্গ বাড়ছে না। মোবাইল অপারেটরগুলোর অল্প তরঙ্গ দিয়েই সেবা দিচ্ছে। আমার কাছে যদি একজন গ্রাহক বলে, নেটওয়ার্কের কারণে কথা বলা যায় না। তখন আমার উত্তর দেয়া কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। আমি অপারেটরদের দ্রুত সেবার মান বাড়াতে এবং এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। যদি গুণগত মান পরিপূর্ণ না করা যায়, তবে আমরা লক্ষ্য অর্জন করতে ব্যর্থ হব।

দেশজুড়ে গতি পৌঁছাতে না পারলে ডিজিটাল বাংলাদেশ হবে না। আমরা অর্থ দেব, বিনিময়ে সেবা পাব- সেটি বিশ্বাস করতে চাই। মোবাইল অপারেটরদের ইন্টারনেটের গতি বাড়ানোর আহ্বান জানাচ্ছি। আমরা ফোরজি নেটওয়ার্ক দিয়েছি। কিন্তু খেয়াল রাখতে হবে, এ নেটওয়ার্ক ব্যবহারের জন্য আমার ডিজিটাল ডিভাইস দরকার। এটি শুধু ফোরজির জন্যই দরকার এমন নয়। এটি কলকারখানা, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সবক্ষেত্রেই দরকার।

আর সবচেয়ে বেশি দরকার শিক্ষার ডিজিটাল রূপান্তরে। ফোরজি চালু হওয়ায় দেশে ব্যবসা বাণিজ্যের প্রসার হবে এবং ডিজিটাল দেশ গড়ে ওঠার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হবে। বাংলাদেশের মানুষ অতি অল্পে তুষ্ট হয়। তৃপ্তিটা হচ্ছে, আমি যখন ফোনে কথা বলি তখন যেন লাইনটা কেটে না যায়, কলড্রপ না হয়। সেদিকে আরও নজর রাখবে। দেশের জনগণ তাদের কষ্টার্জিত অর্থের বিনিময়ে নিরবচ্ছিন্ন সেবা চায়। গুণগত মানহীন সেবা গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।

ফোরজি নেটওয়ার্ক চালুর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ তথ্যপ্রযুক্তির নতুন যুগে প্রবেশ করেছে। জনগণকে গুণগতমানের সেবা প্রদান করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। বাংলাদেশই বিশ্বের প্রথম দেশ যার নামের আগে ডিজিটাল শব্দ যোগ করে একটি নতুন অভিধা দিতে পেরেছে।

আর আমাদের গর্বের জায়গা হচ্ছে, যারা আমাদের ১৯০ বছর শাসন করেছে সেই ব্রিটেনও এখন আমাদের অনুসরণ করছে। ভারত যখন ২০১৭ সালে এসে ডিজিটাল ইন্ডিয়া ঘোষণা করে এবং নরেন্দ্র মোদির হাত ধরে ডিজিটাল ইন্ডিয়ার পথে যায়, তখন তিনি অকাতরে স্বীকার করেন, আমাদের বাংলাদেশ থেকে শিক্ষা নেয়ার অনেক কিছু আছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

ফোরজি দেশে ব্যবসা বাণিজ্যের প্রসার করবে: মোস্তাফা জব্বার

আপডেট সময় ০৬:২৩:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ মার্চ ২০১৮

আকাশ আইসিটি ডেস্ক:

বাংলাদেশে ফোরজি সেবা চালু হওয়া নিয়ে কথা বলেছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়কে দেশে ফোরজি চালুর উদ্যোগ ও সে অনুযায়ী পরামর্শ দেয়ার জন্য বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। ফোরজি নিলামের মাধ্যমে সরকার প্রায় ৫ হাজার ২৬৮ কোটি টাকার তরঙ্গ বিক্রি করেছে।

আমাদের দেশে গ্রাহক বাড়ছে; কিন্তু সে হারে তরঙ্গ বাড়ছে না। মোবাইল অপারেটরগুলোর অল্প তরঙ্গ দিয়েই সেবা দিচ্ছে। আমার কাছে যদি একজন গ্রাহক বলে, নেটওয়ার্কের কারণে কথা বলা যায় না। তখন আমার উত্তর দেয়া কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। আমি অপারেটরদের দ্রুত সেবার মান বাড়াতে এবং এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। যদি গুণগত মান পরিপূর্ণ না করা যায়, তবে আমরা লক্ষ্য অর্জন করতে ব্যর্থ হব।

দেশজুড়ে গতি পৌঁছাতে না পারলে ডিজিটাল বাংলাদেশ হবে না। আমরা অর্থ দেব, বিনিময়ে সেবা পাব- সেটি বিশ্বাস করতে চাই। মোবাইল অপারেটরদের ইন্টারনেটের গতি বাড়ানোর আহ্বান জানাচ্ছি। আমরা ফোরজি নেটওয়ার্ক দিয়েছি। কিন্তু খেয়াল রাখতে হবে, এ নেটওয়ার্ক ব্যবহারের জন্য আমার ডিজিটাল ডিভাইস দরকার। এটি শুধু ফোরজির জন্যই দরকার এমন নয়। এটি কলকারখানা, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সবক্ষেত্রেই দরকার।

আর সবচেয়ে বেশি দরকার শিক্ষার ডিজিটাল রূপান্তরে। ফোরজি চালু হওয়ায় দেশে ব্যবসা বাণিজ্যের প্রসার হবে এবং ডিজিটাল দেশ গড়ে ওঠার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হবে। বাংলাদেশের মানুষ অতি অল্পে তুষ্ট হয়। তৃপ্তিটা হচ্ছে, আমি যখন ফোনে কথা বলি তখন যেন লাইনটা কেটে না যায়, কলড্রপ না হয়। সেদিকে আরও নজর রাখবে। দেশের জনগণ তাদের কষ্টার্জিত অর্থের বিনিময়ে নিরবচ্ছিন্ন সেবা চায়। গুণগত মানহীন সেবা গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।

ফোরজি নেটওয়ার্ক চালুর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ তথ্যপ্রযুক্তির নতুন যুগে প্রবেশ করেছে। জনগণকে গুণগতমানের সেবা প্রদান করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। বাংলাদেশই বিশ্বের প্রথম দেশ যার নামের আগে ডিজিটাল শব্দ যোগ করে একটি নতুন অভিধা দিতে পেরেছে।

আর আমাদের গর্বের জায়গা হচ্ছে, যারা আমাদের ১৯০ বছর শাসন করেছে সেই ব্রিটেনও এখন আমাদের অনুসরণ করছে। ভারত যখন ২০১৭ সালে এসে ডিজিটাল ইন্ডিয়া ঘোষণা করে এবং নরেন্দ্র মোদির হাত ধরে ডিজিটাল ইন্ডিয়ার পথে যায়, তখন তিনি অকাতরে স্বীকার করেন, আমাদের বাংলাদেশ থেকে শিক্ষা নেয়ার অনেক কিছু আছে।