অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
নেপালের ত্রিভুবন বিমানবন্দরে বাংলাদেশের ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের বিমানটি বিধ্বস্তের আগে অবতরণের পরপরই রানওয়েতে কাঁপছিল বলে জানিয়েছেন একজন প্রত্যক্ষদর্শী। বিমানবন্দরে অপেক্ষমাণ বাংলাদেশি ওই যাত্রী বলেছেন, অবতরণ করার সাথে সাথেই বিমানটি কাঁপছিলো। তারপরই তিনি দেখতে পান, হঠাৎ তাতে আগুন ধরে যায়। এরপরই সেটি বিধ্বস্ত হয়। এ ঘটনায় অনন্ত ৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে নেপাল সেনাবাহিনী জানিয়েছে। বিমানটিতে ৭১জন আরোহী ছিলেন। যার মধ্যে ৩২ জন বাংলাদেশি নাগরিক ছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শী বাংলাদেশি ছাত্র আশীষ কুমার সরকার ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম বিবিসিকে বলেছেন, তিনি বিমানবন্দরে অপেক্ষা করছিলেন বাংলাদেশে ফেরার জন্যে। ইউ-এস বাংলার এই বিমানে করেই তার ঢাকায় ফেরার কথা ছিলো।
“আমার চোখের সামনেই সবকিছু হলো। বোর্ডিং পাস হাতে নিয়ে আমি অপেক্ষা করছিলাম। এসময় এই দুর্ঘটনা ঘটে,” বলেন তিনি।
আশীষ কুমার বলেন, “এ সময় আমি মোবাইল ফোন দিয়ে বিভিন্ন এয়ারলাইন্সের ছবি তুলছিলাম। আমি দেখলাম ল্যান্ড করার সাথে সাথে বিমানটি কাঁপছিলো। মনে হচ্ছিলো যে ওটা মনে হয় ঠিক মতো ল্যান্ড করতে পারছিলো না। তারপর দেখলাম যে হঠাৎ করে বিমানে আগুন ধরে গেছে।”
আশীষ কুমার জানান, কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই এসব ঘটলো। কিন্তু শুরুতে কেউই যেন বুঝতে পারছিলো না যে আসলে কি হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, সেসময় যেসব বিমান অবতরণ করার জন্যে রানওয়ের কাছাকাছি চলে এসেছিলো এরকম কয়েকটা বিমানকে তিনি অবতরণ করতে দেখেছেন।
কিন্তু এর কয়েক মিনিট পর থেকে তিনি আর কোনো বিমানকে উড়তে বা নামতে দেখেননি। তিনি বলেন, দুর্ঘটনার পরপরই তিনি কোনো উদ্ধার তৎপরতা দেখতে পাননি।
আশীষ কুমার নেপালে বেড়াতে গিয়েছিলেন। দুর্ঘটনার তিন ঘণ্টা পর বিবিসি বাংলাকে তিনি জানান যে ইউএস-বাংলার কোনো কর্মকর্তা তখনও পর্যন্ত অপেক্ষমাণ যাত্রীদের সাথে যোগাযোগ করেনি। তাদের কাউন্টারও বন্ধ ছিলো বলে তিনি জানান।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 






















