ঢাকা ০৯:২৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তারেক রহমান সবসময় গ্রামীণ জনপদ ও কৃষকের উন্নয়ন নিয়ে ভাবেন : রিজভী ইসরায়েলের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি স্থগিত করল ইতালি ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণে রাজনৈতিক বিবেচনা বা অনিয়মের সুযোগ নেই: আইনমন্ত্রী ‘খেলাধুলার মাধ্যমে দেশপ্রেম ও ভ্রাতৃত্ববোধ জাগ্রত করতে হবে’ সিকেডি হাসপাতালে চাঁদা দাবি: প্রধান আসামি মঈনসহ ৩ জন তিনদিনের রিমান্ডে স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নে বাজেটে বরাদ্দ বাড়ানো হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী মাদক নির্মূলে শিগগিরই বিশেষ অভিযান শুরু হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইরানের বন্দর অবরোধ বিপজ্জনক পদক্ষেপ: চীন কৃষি ও কৃষকই অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি: তথ্যমন্ত্রী ২ কোটি ৭৫ লাখ কৃষককে দেওয়া হবে ‘কৃষক কার্ড’: প্রধানমন্ত্রী

সিরিয়াল কিলার রসু খাঁসহ ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

পোশাককর্মী পারভীন ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় সিরিয়াল কিলার রসু খাঁসহ তিনজনের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার দুপুরে চাঁদপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতের বিচারক আবদুল মান্নান এ রায় দেন।

চাঁদপুরের অতিরিক্ত পিপি অ্যাড. সায়েদুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। সাজাপ্রাপ্ত অন্য দুজন হলেন- জহিরুল ইসলাম ও ইউনুছ। এদের মধ্যে ইউনুছ পলাতক। দণ্ডপ্রাপ্তদের সবার বাড়ি চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলায়।

২০১০ সালের ফরিদগঞ্জ থানায় দায়েরকৃত নয়টি মামলার মধ্যে আজ একটির রায় দেয়া হল। ১১ জন নারী হত্যার দায়ে অভিযুক্ত রসু খাঁ বর্তমানে চাঁদপুর জেলা কারাগারে আছেন।

চাঁদপুরের মদনা গ্রামের ছিঁচকে চোর রসু খাঁ ভালবাসার কাছে হেরে গিয়ে জিদে এক সময় সিরিয়ার কিলার হয়ে যান।

২০০৯ সালের ৭ অক্টোবর ঢাকার টঙ্গীর নিরাশপুর থেকে রসু খাঁকে আটক হয়। এরপর জিজ্ঞাসাবাদে বেরিয়ে আসে সিরিয়াল কিলিংয়ের মতো চাঞ্চল্যকর তথ্য। একে একে ১১ জন নারীকে হত্যার ঘটনা স্বীকার করেন রসু খাঁ।

পরবর্তীতে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমিরুল ইসলামের কাছে ১৬৪ ধারায় দেয়া জবানন্দিতেও ১১ খুনের বর্ণনা দেন তিনি। জবানবন্দিতে তিনি জানান, তার ইচ্ছা ছিল ১০১ নারীকে খুন করে সিলেট মাজারে গিয়ে সন্যাসী হওয়ার।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

তারেক রহমান সবসময় গ্রামীণ জনপদ ও কৃষকের উন্নয়ন নিয়ে ভাবেন : রিজভী

সিরিয়াল কিলার রসু খাঁসহ ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

আপডেট সময় ০৩:৪৪:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ মার্চ ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

পোশাককর্মী পারভীন ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় সিরিয়াল কিলার রসু খাঁসহ তিনজনের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার দুপুরে চাঁদপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতের বিচারক আবদুল মান্নান এ রায় দেন।

চাঁদপুরের অতিরিক্ত পিপি অ্যাড. সায়েদুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। সাজাপ্রাপ্ত অন্য দুজন হলেন- জহিরুল ইসলাম ও ইউনুছ। এদের মধ্যে ইউনুছ পলাতক। দণ্ডপ্রাপ্তদের সবার বাড়ি চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলায়।

২০১০ সালের ফরিদগঞ্জ থানায় দায়েরকৃত নয়টি মামলার মধ্যে আজ একটির রায় দেয়া হল। ১১ জন নারী হত্যার দায়ে অভিযুক্ত রসু খাঁ বর্তমানে চাঁদপুর জেলা কারাগারে আছেন।

চাঁদপুরের মদনা গ্রামের ছিঁচকে চোর রসু খাঁ ভালবাসার কাছে হেরে গিয়ে জিদে এক সময় সিরিয়ার কিলার হয়ে যান।

২০০৯ সালের ৭ অক্টোবর ঢাকার টঙ্গীর নিরাশপুর থেকে রসু খাঁকে আটক হয়। এরপর জিজ্ঞাসাবাদে বেরিয়ে আসে সিরিয়াল কিলিংয়ের মতো চাঞ্চল্যকর তথ্য। একে একে ১১ জন নারীকে হত্যার ঘটনা স্বীকার করেন রসু খাঁ।

পরবর্তীতে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমিরুল ইসলামের কাছে ১৬৪ ধারায় দেয়া জবানন্দিতেও ১১ খুনের বর্ণনা দেন তিনি। জবানবন্দিতে তিনি জানান, তার ইচ্ছা ছিল ১০১ নারীকে খুন করে সিলেট মাজারে গিয়ে সন্যাসী হওয়ার।