ঢাকা ১২:৫৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের শান্তিতে নির্বাচন করতে দেব না: আসিফ মাহমুদ ‘আমি রুমিন ফারহানা, আমার কোনো দল লাগে না’ গুম হওয়া পরিবারের আর্তনাদ শুনে কাঁদলেন তারেক রহমান কালি নয়, জুলাই জাতীয় সনদ ‘রক্ত ও প্রাণের বিনিময়ে’ লেখা হয়েছে : আলী রীয়াজ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন লুৎফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী ওসমানী মেডিকেলে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলা, চলছে কর্মবিরতি নির্বাচন ব্যর্থ হলে শুধু সরকার নয়, পুরো দেশবাসীকেই এর ভয়াবহ খেসারত দিতে হবে : দুদু আন্দোলনের সুফল একটি দলের ঘরে নেওয়ার চেষ্টা বিফলে যাবে : ডা. জাহিদ ঢাকাকে হারিয়ে প্লে-অফ নিশ্চিত করল রংপুর রাইডার্স খালেদা জিয়ার আদর্শই হবে আগামীর চালিকাশক্তি : খন্দকার মোশাররফ

চা বিক্রি করে কোটিপতি, ভিডিও সহ

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

চা বিক্রি করে যে কোটিপতি হওয়া যায় সেটা প্রমাণ করে দেখালেন ভারতের মহারাষ্ট্র প্রদেশের পুনা শহরের এক চা বিক্রেতা। তার মাসিক আয় কত জানেন? ১২ লাখ রুপি। হ্যাঁ, অবিশ্বাস্য হলেও এটাই সত্যি।

পুনার ওই চা বিক্রেতার নাম নবন্ত ইউলে। পুনাতে প্রথমে একটি দোকান খুলে ব্যবসা শুরু করেন। সুস্বাদু চায়ের জন্য ধীরে ধীরে শহরে বেশ পরিচিতি পান তিনি। এরপর আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি নবন্তকে।

চায়ের ব্যবসার পরিধিও বাড়তে থাকে। ‘ইউলে টি হাউস’ নামে পুনাতে এখন তার তিনটি দোকান চলে। শুধু তাই নয়, তার দোকানের কর্মচারীর সংখ্যাও কম নয়। ১২ জন কাজ করেন সেখানে।

মাসখানেক আগেই রোজগার প্রসঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছিলেন, পাকোড়া বেচে ২০০ টাকা কামানোও কি রোজগার নয়? এই মন্তব্যের জন্য তাকে প্রবল সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছিল। পাকোড়া বেচে হয়ত ২০০ টাকা রোজগার করা যেতে পারে, কিন্তু চা বেচে যে কোটিপতি হওয়া যায় সেটা কিন্তু দেখিয়ে দিয়েছেন নবন্ত।

পুনার এই চা বিক্রেতা বলেন, ‘চায়ের ব্যবসাও একটা ভালো রোজগারের উপায়। অনেক ভারতীয়ই এই ব্যবসা করছেন। আর এই ব্যবসা দিনে দিনে বাড়ছে।’ আর এতে যে তিনি খুশি সেটাও জানান নবন্ত। তবে পুনার চৌহদ্দিতে আটকে থাকতে চান না তিনি। তার এই ব্র্যান্ডকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিয়ে যাওয়াই এখন লক্ষ্য তার।

২০১১ সালে চায়ের ব্যবসার কথা মাথায় আসে নবন্তের। চায়ের প্রতি দেশবাসীর যে ভালোবাসা, সেটাকে একটা ব্র্যান্ডে পরিণত করার পরিকল্পনা মাথায় আসে তার। তারপরই এই ব্যবসায় নেমে পড়া।

নবন্ত জানান, পুনাতে তেমন কোনও নামকরা চায়ের দোকান ছিল না, যেখানে গেলে সুস্বাদু চা পাওয়া যায়। তাই শহরবাসীকে সেই স্বাদ জোগাতেই ব্যবসার সিদ্ধান্ত। না, যেমন তেমনভাবে নয়, কীভাবে সুস্বাদি চা তৈরি করতে হয় সে জন্য চার বছর ধরে রীতিমতো চা নিয়ে গবেষণা করতে হয়েছে তাকে।

https://www.youtube.com/watch?v=NCtvHV8hTW0

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের শান্তিতে নির্বাচন করতে দেব না: আসিফ মাহমুদ

চা বিক্রি করে কোটিপতি, ভিডিও সহ

আপডেট সময় ১১:৩১:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ মার্চ ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

চা বিক্রি করে যে কোটিপতি হওয়া যায় সেটা প্রমাণ করে দেখালেন ভারতের মহারাষ্ট্র প্রদেশের পুনা শহরের এক চা বিক্রেতা। তার মাসিক আয় কত জানেন? ১২ লাখ রুপি। হ্যাঁ, অবিশ্বাস্য হলেও এটাই সত্যি।

পুনার ওই চা বিক্রেতার নাম নবন্ত ইউলে। পুনাতে প্রথমে একটি দোকান খুলে ব্যবসা শুরু করেন। সুস্বাদু চায়ের জন্য ধীরে ধীরে শহরে বেশ পরিচিতি পান তিনি। এরপর আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি নবন্তকে।

চায়ের ব্যবসার পরিধিও বাড়তে থাকে। ‘ইউলে টি হাউস’ নামে পুনাতে এখন তার তিনটি দোকান চলে। শুধু তাই নয়, তার দোকানের কর্মচারীর সংখ্যাও কম নয়। ১২ জন কাজ করেন সেখানে।

মাসখানেক আগেই রোজগার প্রসঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছিলেন, পাকোড়া বেচে ২০০ টাকা কামানোও কি রোজগার নয়? এই মন্তব্যের জন্য তাকে প্রবল সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছিল। পাকোড়া বেচে হয়ত ২০০ টাকা রোজগার করা যেতে পারে, কিন্তু চা বেচে যে কোটিপতি হওয়া যায় সেটা কিন্তু দেখিয়ে দিয়েছেন নবন্ত।

পুনার এই চা বিক্রেতা বলেন, ‘চায়ের ব্যবসাও একটা ভালো রোজগারের উপায়। অনেক ভারতীয়ই এই ব্যবসা করছেন। আর এই ব্যবসা দিনে দিনে বাড়ছে।’ আর এতে যে তিনি খুশি সেটাও জানান নবন্ত। তবে পুনার চৌহদ্দিতে আটকে থাকতে চান না তিনি। তার এই ব্র্যান্ডকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিয়ে যাওয়াই এখন লক্ষ্য তার।

২০১১ সালে চায়ের ব্যবসার কথা মাথায় আসে নবন্তের। চায়ের প্রতি দেশবাসীর যে ভালোবাসা, সেটাকে একটা ব্র্যান্ডে পরিণত করার পরিকল্পনা মাথায় আসে তার। তারপরই এই ব্যবসায় নেমে পড়া।

নবন্ত জানান, পুনাতে তেমন কোনও নামকরা চায়ের দোকান ছিল না, যেখানে গেলে সুস্বাদু চা পাওয়া যায়। তাই শহরবাসীকে সেই স্বাদ জোগাতেই ব্যবসার সিদ্ধান্ত। না, যেমন তেমনভাবে নয়, কীভাবে সুস্বাদি চা তৈরি করতে হয় সে জন্য চার বছর ধরে রীতিমতো চা নিয়ে গবেষণা করতে হয়েছে তাকে।

https://www.youtube.com/watch?v=NCtvHV8hTW0