ঢাকা ০৬:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ার পর যে খাবার খেলেই বিপদ

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

শারীরিক অসুস্থতার জন্যই আমরা চিকিৎসকের কাছে যাই। তাদের পরামর্শ অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের ঔষধ খেয়ে থাকি। তার মধ্যে একটি হচ্ছে অ্যান্টিবায়োটিক। আমাদের রোগের প্রকোপ যদি কম থাকে তাহলে সাধারণত ঘরোয়া চিকিৎসা দিয়ে থাকেন। আর যদি ঘরোয়া চিকিৎসায় বা সাধারণ ঔষুধে সারার মতো রোগ না হয়ে থাকে তাহলে অ্যান্টিবায়োটিক দিয়ে থাকে। অ্যান্টিবায়োটিক খুব দ্রুত রোগ সারাবার ক্ষমতা রাখে, এটা তো আমরা সবাই জানি। তবে আমরা অনেকেই এটা জানি না কিছু কিছু খাবার আছে যা অ্যান্টিবায়োটিকের সাথে খেলে বা অ্যান্টিবায়োটিকের পরে খেলে এর কার্যক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়। তাই অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ার সময় অবশ্যই সঠিক খাবার গ্রহন করা উচিৎ। এবার দেখে নিন কোন কোন খাবার চিকিৎসায় গ্রহণের সময় খাওয়া যাবে না।

অ্যালকোহল: চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় কখনই অ্যালকোহল গ্রহন করা যাবে না। অ্যালকোহলের মাঝে থাকা কিছু বৈশিষ্ট্যের জন্য ঔষধের কার্যকারিতায় মারাত্বক প্রভাব ফেলে।

অম্ল জাতীয় খাবার: যখন অ্যান্টিবায়োটিক ঔষধ খাওয়া হয় তখন প্রথম যে খাবারটি বর্জন করতে হবে তা হল উচ্চ মাত্রার অম্ল জাতীয় খাবার। চকলেট, বাদাম, টক ফল, টমেটো এই জাতীয় খাবারগুলো দেহে ঔষধ শোষিত হতে বাধা দেয়।

দুগ্ধ জাতীয় খাবার: দই ছাড়া অন্য সব দুগ্ধ জাতীয় খাবার খাওয়া অ্যান্টিবায়োটিক ঔষধ চলার সময় বন্ধ রাখতে হবে। দুধ, পনির ইত্যাদিতে উচ্চ মাত্রার ক্যালসিয়াম থাকে যা অ্যান্টিবায়োটিক শোষণে বাধা দেয়। তবে দইয়ে থাকা প্রোবায়োটিকের জন্য তা অ্যান্টিবায়োটিকের উপর কোনো প্রভাব ফেলে না।

কফি: যখন অ্যান্টিবায়োটিক ঔষধ খাওয়া হয় তখন অবশ্যই যেসব পানীয়তে ক্যাফেইন থাকে তা বর্জন করতে হবে। চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় দেহের জন্য তখন তা বিষের মত।

অন্যান্য সাপ্লিমেন্ট: এই সময় যেসব খাবারে অতিমাত্রায় আয়রন ও ক্যালসিয়াম থাকে তা বর্জন করতে হবে। কারণ এটি ঔষধের শোষনে হস্তক্ষেপ করে।

আঁশ জাতীয় খাবার: আঁশ জাতীয় খাবারের কিছু বৈশিষ্ট্য পাকস্থলিতে খাবার শোষণের গতিকে ধীর করে। অ্যান্টিবায়োটিক ঔষধ নির্দিষ্ট সময় নিয়ে পাকস্থলিতে ভাঙে কিন্তু তখন যদি উচ্চ পরিমানে আঁশ জাতীয় খাবার খাওয়া হয় তাহলে তখন সেই ঔষধ ভালোভাবে কাজ করে না।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ার পর যে খাবার খেলেই বিপদ

আপডেট সময় ১২:৪৭:২৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ মার্চ ২০১৮

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

শারীরিক অসুস্থতার জন্যই আমরা চিকিৎসকের কাছে যাই। তাদের পরামর্শ অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের ঔষধ খেয়ে থাকি। তার মধ্যে একটি হচ্ছে অ্যান্টিবায়োটিক। আমাদের রোগের প্রকোপ যদি কম থাকে তাহলে সাধারণত ঘরোয়া চিকিৎসা দিয়ে থাকেন। আর যদি ঘরোয়া চিকিৎসায় বা সাধারণ ঔষুধে সারার মতো রোগ না হয়ে থাকে তাহলে অ্যান্টিবায়োটিক দিয়ে থাকে। অ্যান্টিবায়োটিক খুব দ্রুত রোগ সারাবার ক্ষমতা রাখে, এটা তো আমরা সবাই জানি। তবে আমরা অনেকেই এটা জানি না কিছু কিছু খাবার আছে যা অ্যান্টিবায়োটিকের সাথে খেলে বা অ্যান্টিবায়োটিকের পরে খেলে এর কার্যক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়। তাই অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ার সময় অবশ্যই সঠিক খাবার গ্রহন করা উচিৎ। এবার দেখে নিন কোন কোন খাবার চিকিৎসায় গ্রহণের সময় খাওয়া যাবে না।

অ্যালকোহল: চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় কখনই অ্যালকোহল গ্রহন করা যাবে না। অ্যালকোহলের মাঝে থাকা কিছু বৈশিষ্ট্যের জন্য ঔষধের কার্যকারিতায় মারাত্বক প্রভাব ফেলে।

অম্ল জাতীয় খাবার: যখন অ্যান্টিবায়োটিক ঔষধ খাওয়া হয় তখন প্রথম যে খাবারটি বর্জন করতে হবে তা হল উচ্চ মাত্রার অম্ল জাতীয় খাবার। চকলেট, বাদাম, টক ফল, টমেটো এই জাতীয় খাবারগুলো দেহে ঔষধ শোষিত হতে বাধা দেয়।

দুগ্ধ জাতীয় খাবার: দই ছাড়া অন্য সব দুগ্ধ জাতীয় খাবার খাওয়া অ্যান্টিবায়োটিক ঔষধ চলার সময় বন্ধ রাখতে হবে। দুধ, পনির ইত্যাদিতে উচ্চ মাত্রার ক্যালসিয়াম থাকে যা অ্যান্টিবায়োটিক শোষণে বাধা দেয়। তবে দইয়ে থাকা প্রোবায়োটিকের জন্য তা অ্যান্টিবায়োটিকের উপর কোনো প্রভাব ফেলে না।

কফি: যখন অ্যান্টিবায়োটিক ঔষধ খাওয়া হয় তখন অবশ্যই যেসব পানীয়তে ক্যাফেইন থাকে তা বর্জন করতে হবে। চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় দেহের জন্য তখন তা বিষের মত।

অন্যান্য সাপ্লিমেন্ট: এই সময় যেসব খাবারে অতিমাত্রায় আয়রন ও ক্যালসিয়াম থাকে তা বর্জন করতে হবে। কারণ এটি ঔষধের শোষনে হস্তক্ষেপ করে।

আঁশ জাতীয় খাবার: আঁশ জাতীয় খাবারের কিছু বৈশিষ্ট্য পাকস্থলিতে খাবার শোষণের গতিকে ধীর করে। অ্যান্টিবায়োটিক ঔষধ নির্দিষ্ট সময় নিয়ে পাকস্থলিতে ভাঙে কিন্তু তখন যদি উচ্চ পরিমানে আঁশ জাতীয় খাবার খাওয়া হয় তাহলে তখন সেই ঔষধ ভালোভাবে কাজ করে না।