ঢাকা ০২:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পে স্কেল বাস্তবায়ন পে কমিশনের প্রতিবেদনের ওপর নির্ভর করছে :অর্থ উপদেষ্টা প্লট দুর্নীতি মামলায় শেখ হাসিনা টিউলিপসহ ১৮ জনের মামলার রায় ২ ফেব্রুয়ারি চুয়াডাঙ্গায় সেনাবাহিনীর হাতে আটকের পর বিএনপি নেতার মৃত্যু ফেব্রুয়ারির নির্বাচন ও গণভোটই নির্ধারণ করবে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ: ড. মুহাম্মদ ইউনূস ব্যক্তির স্বৈরাচার হওয়া রোধেই আইনসভার উচ্চকক্ষ : আলী রীয়াজ ইরানে বিক্ষোভকারীদের ওপর সরকারের দমন-পীড়ন, কঠোর পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ইরানি জনগণই স্বৈরশাসকদের ক্ষমতাচ্যুত করবে: অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে সব ধরনের সংগঠনের নির্বাচন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে ইসি এমপি যদি সৎ হন, ঠিকাদারের বাপের সাধ্য নেই চুরি করার: রুমিন ফারহানা ‘ধর্মের নামে ব্যবসা করে যারা নির্বাচনে জিততে চায়, তারা এ দেশে আর কখনো গ্রহণযোগ্যতা পাবে না’:ফারুক

‘মাদকবিরোধী আইন শক্তিশালী হচ্ছে’

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

মাদক আইনকে শক্তিশালী ও বেগবান করতে আগামী ১৩ মার্চ আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় খসড়া চূড়ান্ত করা হবে বলে জানান মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. জামাল উদ্দিন চৌধুরী।

বৃহস্পতিবার দুপুরে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।

মাদকের বিস্তার রোধে জনসচেতনতা গড়ার ১ মার্চ থেকে সারাদেশে মাদকবিরোধী ‘তথ্য অভিযান’ সম্পর্কে জানাতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

এসময় জামাল উদ্দিন বলেন, মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতেই এ অভিযান। এছাড়াও মিডিয়ার মাধ্যমে সচেতনতা সৃষ্টি করলে মাদক প্রতিরোধ সম্ভব হবে। মাদক আইনকে আরো শক্তিশালী ও বেগবান করতে ১৩ মার্চ খসড়া চূড়ান্ত করার জন্য আন্তঃমন্ত্রণালয়ে একটি সভা রয়েছে। আশা করছি, এরপর এটি ক্যাবিনেটে যাবে। আমরা খুব দ্রুততার সঙ্গে মাদক আইন শক্তিশালী করার আশা প্রকাশ করছি।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মিয়ানমার থেকে মাদক আসা বন্ধ করতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কয়েকদিন আগেই মিয়ানমার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেছেন। আমরা আশা করেছি, এ ব্যাপারে মিয়ানমার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

তারা আমাদের মৌখিকভাবে আশ্বাস্ত করলেও কার্যক্রমের দিক দিয়ে কোনো ইতিবাচক সাড়া লক্ষ্য করছি না বলে জানান এই কর্মকর্তা।

জেলখানার অভ্যন্তরে কতো মাদকাসক্ত রয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ ব্যাপারে অধিদপ্তরের কাছে সুনিদিষ্ট কোনো তথ্য নেই। এমনকি দেশে কতো মাদকাসক্ত রয়েছে- তা নিয়েও কোনো সার্ভে বা গবেষণা হয়নি।

মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বলেন, মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রকৃত জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হবে। ইতোমধ্যে কর্মীরা নানা কাজের জন্য মন্ত্রণালয়ের জবাবদিহিতার মুখোমুখি হচ্ছেন এবং অধিদপ্তরেও জবাবদিহি করছেন। কেউ যদি কাজে গাফিলতি ও দায়িত্ব অবহেলা করেন, তাহলে তাদের অধিদপ্তরে চাকরিতে রাখা হবে না।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রিয়ালের নতুন কোচ আরবেলোয়া

‘মাদকবিরোধী আইন শক্তিশালী হচ্ছে’

আপডেট সময় ১০:৫০:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ মার্চ ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

মাদক আইনকে শক্তিশালী ও বেগবান করতে আগামী ১৩ মার্চ আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় খসড়া চূড়ান্ত করা হবে বলে জানান মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. জামাল উদ্দিন চৌধুরী।

বৃহস্পতিবার দুপুরে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।

মাদকের বিস্তার রোধে জনসচেতনতা গড়ার ১ মার্চ থেকে সারাদেশে মাদকবিরোধী ‘তথ্য অভিযান’ সম্পর্কে জানাতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

এসময় জামাল উদ্দিন বলেন, মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতেই এ অভিযান। এছাড়াও মিডিয়ার মাধ্যমে সচেতনতা সৃষ্টি করলে মাদক প্রতিরোধ সম্ভব হবে। মাদক আইনকে আরো শক্তিশালী ও বেগবান করতে ১৩ মার্চ খসড়া চূড়ান্ত করার জন্য আন্তঃমন্ত্রণালয়ে একটি সভা রয়েছে। আশা করছি, এরপর এটি ক্যাবিনেটে যাবে। আমরা খুব দ্রুততার সঙ্গে মাদক আইন শক্তিশালী করার আশা প্রকাশ করছি।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মিয়ানমার থেকে মাদক আসা বন্ধ করতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কয়েকদিন আগেই মিয়ানমার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেছেন। আমরা আশা করেছি, এ ব্যাপারে মিয়ানমার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

তারা আমাদের মৌখিকভাবে আশ্বাস্ত করলেও কার্যক্রমের দিক দিয়ে কোনো ইতিবাচক সাড়া লক্ষ্য করছি না বলে জানান এই কর্মকর্তা।

জেলখানার অভ্যন্তরে কতো মাদকাসক্ত রয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ ব্যাপারে অধিদপ্তরের কাছে সুনিদিষ্ট কোনো তথ্য নেই। এমনকি দেশে কতো মাদকাসক্ত রয়েছে- তা নিয়েও কোনো সার্ভে বা গবেষণা হয়নি।

মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বলেন, মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রকৃত জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হবে। ইতোমধ্যে কর্মীরা নানা কাজের জন্য মন্ত্রণালয়ের জবাবদিহিতার মুখোমুখি হচ্ছেন এবং অধিদপ্তরেও জবাবদিহি করছেন। কেউ যদি কাজে গাফিলতি ও দায়িত্ব অবহেলা করেন, তাহলে তাদের অধিদপ্তরে চাকরিতে রাখা হবে না।