ঢাকা ০৮:৪৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

চাঁদপুরে চিকিৎসক হত্যায় একজনের মৃত্যুদণ্ড

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

চাঁদপুরের শাহরাস্তির পল্লী চিকিৎসক আবুল বাসারকে (বাসু ডাক্তার) হত্যার দায়ে একজনকে মৃত্যুদণ্ড ও দুজনের যাবজ্জীবন দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, উপজেলার পদুয়া গ্রামের মো. আব্দুস সাত্তারের ছেলে মো. মনির হোসেনকে (২৫) মৃত্যুদণ্ড এবং একই উপজেলার দেবকরা গ্রামের ছিদ্দিকুর রহমানের মো. আব্দুল আজিজ (২৩) ও আবুল বাশারের ছেলে মো. আমির হোসেনকে (২৭) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

সোমবার বিকালে চাঁদপুর জেলা ও দায়রা জজ সালেহ উদ্দিন আহমদ এই রায় প্রদান করেন। মামলায় সরকার পক্ষের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) ছিলেন মোক্তার আহম্মেদ এবং আসামিপক্ষের আইনজীবী ছিলেন মো. ইকবাল-বিন-বাশার।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০১১ সালের ৯ জানুয়ারি সন্ধ্যা ৭টার দিকে দেবকরা গ্রামের নিজ বসতবাড়িতে কাছে আবুল বাসারকে (বাসু ডাক্তার) আগে থেকে ওত পেতে থাকা আসামিরা মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে। এ সময় তার সঙ্গে থাকা ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা তারা ছিনতাই করে নিয়ে যায়। গুরুতর আহত আবুল বাসারের (বাসু ডাক্তার) চিৎকারে পরিবারের লোকজন এগিয়ে এসে উদ্ধার করে প্রথমে শাহরাস্তি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরবর্তীতে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ১১ জানুয়ারি রাত ১২টার দিকে মারা যান। এর আগে হাসপাতালে নেয়ার পথে আবুল বাসার আসামি মনির হোসেনসহ আরও ২-৩ জনের নাম বলেন। এ ঘটনায় ১০ জানুয়ারি শাহরাস্তি থানায় নিহতের ছেলে মো. জহিরুল ইসলাম মামলা দায়ের করেন।

সরকারপক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মো. আমান উল্যাহ বলেন, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শাহরাস্তি থানার তৎকালীন এসআই মো. জহিরুল হক ২০১১ সালের ৮ মার্চ আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। আদালত দীর্ঘ সাত বছর মামলা চলমান অবস্থায় ২৯ জন সাক্ষীর মধ্যে ২৩ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন এবং আসামিদের মধ্যে মনির হোসেন ও আব্দুল আজিজ তাদের অপরাধ স্বীকার করায় তাদের উপস্থিতিতে এ রায় দেন। অপর আসামি আমির হোসেন পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা ইস্যু করার আদেশ দেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

চাঁদপুরে চিকিৎসক হত্যায় একজনের মৃত্যুদণ্ড

আপডেট সময় ০১:১৪:৫৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

চাঁদপুরের শাহরাস্তির পল্লী চিকিৎসক আবুল বাসারকে (বাসু ডাক্তার) হত্যার দায়ে একজনকে মৃত্যুদণ্ড ও দুজনের যাবজ্জীবন দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, উপজেলার পদুয়া গ্রামের মো. আব্দুস সাত্তারের ছেলে মো. মনির হোসেনকে (২৫) মৃত্যুদণ্ড এবং একই উপজেলার দেবকরা গ্রামের ছিদ্দিকুর রহমানের মো. আব্দুল আজিজ (২৩) ও আবুল বাশারের ছেলে মো. আমির হোসেনকে (২৭) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

সোমবার বিকালে চাঁদপুর জেলা ও দায়রা জজ সালেহ উদ্দিন আহমদ এই রায় প্রদান করেন। মামলায় সরকার পক্ষের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) ছিলেন মোক্তার আহম্মেদ এবং আসামিপক্ষের আইনজীবী ছিলেন মো. ইকবাল-বিন-বাশার।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০১১ সালের ৯ জানুয়ারি সন্ধ্যা ৭টার দিকে দেবকরা গ্রামের নিজ বসতবাড়িতে কাছে আবুল বাসারকে (বাসু ডাক্তার) আগে থেকে ওত পেতে থাকা আসামিরা মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে। এ সময় তার সঙ্গে থাকা ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা তারা ছিনতাই করে নিয়ে যায়। গুরুতর আহত আবুল বাসারের (বাসু ডাক্তার) চিৎকারে পরিবারের লোকজন এগিয়ে এসে উদ্ধার করে প্রথমে শাহরাস্তি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরবর্তীতে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ১১ জানুয়ারি রাত ১২টার দিকে মারা যান। এর আগে হাসপাতালে নেয়ার পথে আবুল বাসার আসামি মনির হোসেনসহ আরও ২-৩ জনের নাম বলেন। এ ঘটনায় ১০ জানুয়ারি শাহরাস্তি থানায় নিহতের ছেলে মো. জহিরুল ইসলাম মামলা দায়ের করেন।

সরকারপক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মো. আমান উল্যাহ বলেন, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শাহরাস্তি থানার তৎকালীন এসআই মো. জহিরুল হক ২০১১ সালের ৮ মার্চ আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। আদালত দীর্ঘ সাত বছর মামলা চলমান অবস্থায় ২৯ জন সাক্ষীর মধ্যে ২৩ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন এবং আসামিদের মধ্যে মনির হোসেন ও আব্দুল আজিজ তাদের অপরাধ স্বীকার করায় তাদের উপস্থিতিতে এ রায় দেন। অপর আসামি আমির হোসেন পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা ইস্যু করার আদেশ দেন।