ঢাকা ১১:৪১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের শান্তিতে নির্বাচন করতে দেব না: আসিফ মাহমুদ ‘আমি রুমিন ফারহানা, আমার কোনো দল লাগে না’ গুম হওয়া পরিবারের আর্তনাদ শুনে কাঁদলেন তারেক রহমান কালি নয়, জুলাই জাতীয় সনদ ‘রক্ত ও প্রাণের বিনিময়ে’ লেখা হয়েছে : আলী রীয়াজ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন লুৎফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী ওসমানী মেডিকেলে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলা, চলছে কর্মবিরতি নির্বাচন ব্যর্থ হলে শুধু সরকার নয়, পুরো দেশবাসীকেই এর ভয়াবহ খেসারত দিতে হবে : দুদু আন্দোলনের সুফল একটি দলের ঘরে নেওয়ার চেষ্টা বিফলে যাবে : ডা. জাহিদ ঢাকাকে হারিয়ে প্লে-অফ নিশ্চিত করল রংপুর রাইডার্স খালেদা জিয়ার আদর্শই হবে আগামীর চালিকাশক্তি : খন্দকার মোশাররফ

স্ত্রীকে বাইরে রেখে রান্নাঘরে আমাকে ধর্ষণ করত

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

টানা দুবছর ধরে ঝাড়খণ্ডের গোডা জেলার বাসিন্দা এক নাবালিকাকে ধর্ষণ করা হয়েছে। একজন নয়, দুজন মিলে ওই কিশোরীর ওপর শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার চালিয়েছে। মেয়েটি বর্তমানে দিল্লির বিকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। অভিযুক্ত দুই ব্যক্তিই পলাতক।

ভারতীয় গণমাধ্যমের খবর, দুবছর আগে মেয়েটির মা–বাবা সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যায়। এর পর তার দিদিমা চার হাজার টাকার বিনিময়ে সুরিন্দর নামে এক ব্যক্তির কাছে তাকে বিক্রি করে দেয়। মেয়েটি ভেবেছিল দিল্লি গিয়ে সে হয়ত কাজ করতে পারবে। কিন্তু মেয়েটিকে দিল্লি আনার পর সুরিন্দরের আসল চরিত্র জানতে পারে সে। দিন–রাত যৌন নির্যাতন করা হয় তাকে। মুখে কাপড় গুঁজে, হাত–পা বেঁধে চলত ধর্ষণ।

এরপর ওই মেয়েটিকে একটি পরিবারে কাজের জন্য পাঠায়। মেয়েটি ভেবেছিল, তার দুঃখের দিন হয়ত শেষ। কিন্তু না। কাজের দিন শেষ হয়ে যায়, এরপর মেয়েটিকে নিজেরই এক বন্ধু মণি মিশ্রর বাড়িতে কাজে পাঠায় সুরিন্দর। আর সেখানেই শুরু হয় নতুন করে অত্যাচার। কেড়ে নেয়া হয় আগের বাড়িতে কাজ করে পাওয়া ৩০ হাজার টাকা।

পুলিশকে ওই কিশোরী জানিয়েছে, মিশ্র নামে ওই ব্যক্তি রান্নাঘরেই আমাকে ধর্ষণ করত। আমাকে থাকতেও হতো রান্নাঘরের এক কোণে। ওই ব্যক্তির স্ত্রী এবং সন্তানরা রান্নাঘরের বাইরে থাকলেও ধর্ষণ করত মণি। এমনকি চলত পাশবিক অত্যাচার। সুরিন্দরের থেকেও বেশি অত্যাচার করা হত আমাকে।’

এখানেই শেষ নয়, কিশোরীকে সিগারেট দিয়ে ছ্যাঁকাও দেয়া হতো। এর পরই সে ওখান থেকে পালায়। এর পর দুই যুবক তাকে উদ্ধার করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।

হরিয়ানার শিশু রক্ষা কমিশনের সদস্য বালকৃষ্ণণি গোয়েল বলছেন, এ রকম জঘন্য অত্যাচার তিনি আগে কারও ওপর ঘটতে দেখেননি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের শান্তিতে নির্বাচন করতে দেব না: আসিফ মাহমুদ

স্ত্রীকে বাইরে রেখে রান্নাঘরে আমাকে ধর্ষণ করত

আপডেট সময় ০৮:৫৩:১৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

টানা দুবছর ধরে ঝাড়খণ্ডের গোডা জেলার বাসিন্দা এক নাবালিকাকে ধর্ষণ করা হয়েছে। একজন নয়, দুজন মিলে ওই কিশোরীর ওপর শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার চালিয়েছে। মেয়েটি বর্তমানে দিল্লির বিকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। অভিযুক্ত দুই ব্যক্তিই পলাতক।

ভারতীয় গণমাধ্যমের খবর, দুবছর আগে মেয়েটির মা–বাবা সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যায়। এর পর তার দিদিমা চার হাজার টাকার বিনিময়ে সুরিন্দর নামে এক ব্যক্তির কাছে তাকে বিক্রি করে দেয়। মেয়েটি ভেবেছিল দিল্লি গিয়ে সে হয়ত কাজ করতে পারবে। কিন্তু মেয়েটিকে দিল্লি আনার পর সুরিন্দরের আসল চরিত্র জানতে পারে সে। দিন–রাত যৌন নির্যাতন করা হয় তাকে। মুখে কাপড় গুঁজে, হাত–পা বেঁধে চলত ধর্ষণ।

এরপর ওই মেয়েটিকে একটি পরিবারে কাজের জন্য পাঠায়। মেয়েটি ভেবেছিল, তার দুঃখের দিন হয়ত শেষ। কিন্তু না। কাজের দিন শেষ হয়ে যায়, এরপর মেয়েটিকে নিজেরই এক বন্ধু মণি মিশ্রর বাড়িতে কাজে পাঠায় সুরিন্দর। আর সেখানেই শুরু হয় নতুন করে অত্যাচার। কেড়ে নেয়া হয় আগের বাড়িতে কাজ করে পাওয়া ৩০ হাজার টাকা।

পুলিশকে ওই কিশোরী জানিয়েছে, মিশ্র নামে ওই ব্যক্তি রান্নাঘরেই আমাকে ধর্ষণ করত। আমাকে থাকতেও হতো রান্নাঘরের এক কোণে। ওই ব্যক্তির স্ত্রী এবং সন্তানরা রান্নাঘরের বাইরে থাকলেও ধর্ষণ করত মণি। এমনকি চলত পাশবিক অত্যাচার। সুরিন্দরের থেকেও বেশি অত্যাচার করা হত আমাকে।’

এখানেই শেষ নয়, কিশোরীকে সিগারেট দিয়ে ছ্যাঁকাও দেয়া হতো। এর পরই সে ওখান থেকে পালায়। এর পর দুই যুবক তাকে উদ্ধার করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।

হরিয়ানার শিশু রক্ষা কমিশনের সদস্য বালকৃষ্ণণি গোয়েল বলছেন, এ রকম জঘন্য অত্যাচার তিনি আগে কারও ওপর ঘটতে দেখেননি।