ঢাকা ০৬:৫৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের শান্তিতে নির্বাচন করতে দেব না: আসিফ মাহমুদ ‘আমি রুমিন ফারহানা, আমার কোনো দল লাগে না’ গুম হওয়া পরিবারের আর্তনাদ শুনে কাঁদলেন তারেক রহমান কালি নয়, জুলাই জাতীয় সনদ ‘রক্ত ও প্রাণের বিনিময়ে’ লেখা হয়েছে : আলী রীয়াজ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন লুৎফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী ওসমানী মেডিকেলে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলা, চলছে কর্মবিরতি নির্বাচন ব্যর্থ হলে শুধু সরকার নয়, পুরো দেশবাসীকেই এর ভয়াবহ খেসারত দিতে হবে : দুদু আন্দোলনের সুফল একটি দলের ঘরে নেওয়ার চেষ্টা বিফলে যাবে : ডা. জাহিদ ঢাকাকে হারিয়ে প্লে-অফ নিশ্চিত করল রংপুর রাইডার্স খালেদা জিয়ার আদর্শই হবে আগামীর চালিকাশক্তি : খন্দকার মোশাররফ

গুয়ান্তানামো বে কারাগার চালু রাখার সিদ্ধান্ত ট্রাম্পের

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ষোল বছর ধরে চালু থাকা কুখ্যাত গুয়ান্তানামো বে কারাগার চালু রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার রাতে স্টেট অব ইউনিয়ন ভাষণে ট্রাম্প এ ঘোষণা দিয়ে বলেন, আজ আমি আরেকটি প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেছি। কিছুক্ষণ আগে আমি একটি আদেশে স্বাক্ষর করেছি, যাতে আমাদের সামরিক কারাগার নীতি পুনঃনিরীপক্ষণ ও গুয়ান্তানামো বে কারাগার খোলা রাখতে বলেছি।

এ আদেশ অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র জাতীয় নিরাপত্তার প্রয়োজন মনে করলে কিউবায় অবস্থিত এ কারাগারে নতুন করে শত্রুপক্ষের যোদ্ধাদের রাখবে। তবে সশস্ত্র সঙ্ঘাতকালে ধরা পড়া ব্যক্তিদের এখানে রাখার ক্ষেত্রে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী জেমস ম্যাটিসের সুপারিশে প্রয়োজন হবে।

ট্রাম্প তার ভাষণে বলেন, যেসব সন্ত্রাসী বেসামরিক হাসপাতালে বোমা ফেলে তারা শয়তান। যখনই সম্ভব, তাদের খতম করা ছাড়া আমাদের সামনে আর কোনো উপায় নেই। যখন প্রয়োজন, আমাদের অবশ্যই তাদের বন্দি করতে ও প্রশ্ন করতে পারতে হবে। আর যখনই আমরা কাউকে বিদেশের মাটিতে ধরব, সন্ত্রাসী গণ্য করে তাদের সঙ্গে আমরা আচরণ করব।

ট্রাম্প বলেন, আমাদের অবশ্যই এ ব্যাপারে পরিষ্কার থাকতে হবে- সন্ত্রাসীরা শুধু অপরাধী নয়, তারা শত্রুপক্ষীয় বেআইনি যোদ্ধা। বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, অতীতে আমরা বোকার মতো আইএস নেতা বাগদাদিসহ শত শত ভয়ঙ্কর সন্ত্রাসীকে ছেড়ে দিয়েছি শুধু তাদের সঙ্গে যুদ্ধের ময়দানে সাক্ষাতের জন্য।

২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বের যুক্তরাষ্ট্রের টুইন টাওয়ারে হামলার সঙ্গে জড়িত বলে সন্দেহভাজনদের বন্দি রাখার জন্য ২০০২ সালের জানুয়ারি মাসে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ প্রশাসন গুয়ান্তানামো বে কারাগারটি খুলেছিল। এর পর কারাগারটিতে ৭৭৯ ব্যক্তিকে বিভিন্ন মেয়াদে বন্দি করে রাখা হয়। এর মধ্যে ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরের পর কারাগারটিতে এখন ৪১ ব্যক্তি বন্দি আছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের শান্তিতে নির্বাচন করতে দেব না: আসিফ মাহমুদ

গুয়ান্তানামো বে কারাগার চালু রাখার সিদ্ধান্ত ট্রাম্পের

আপডেট সময় ০২:১৩:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩১ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ষোল বছর ধরে চালু থাকা কুখ্যাত গুয়ান্তানামো বে কারাগার চালু রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার রাতে স্টেট অব ইউনিয়ন ভাষণে ট্রাম্প এ ঘোষণা দিয়ে বলেন, আজ আমি আরেকটি প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেছি। কিছুক্ষণ আগে আমি একটি আদেশে স্বাক্ষর করেছি, যাতে আমাদের সামরিক কারাগার নীতি পুনঃনিরীপক্ষণ ও গুয়ান্তানামো বে কারাগার খোলা রাখতে বলেছি।

এ আদেশ অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র জাতীয় নিরাপত্তার প্রয়োজন মনে করলে কিউবায় অবস্থিত এ কারাগারে নতুন করে শত্রুপক্ষের যোদ্ধাদের রাখবে। তবে সশস্ত্র সঙ্ঘাতকালে ধরা পড়া ব্যক্তিদের এখানে রাখার ক্ষেত্রে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী জেমস ম্যাটিসের সুপারিশে প্রয়োজন হবে।

ট্রাম্প তার ভাষণে বলেন, যেসব সন্ত্রাসী বেসামরিক হাসপাতালে বোমা ফেলে তারা শয়তান। যখনই সম্ভব, তাদের খতম করা ছাড়া আমাদের সামনে আর কোনো উপায় নেই। যখন প্রয়োজন, আমাদের অবশ্যই তাদের বন্দি করতে ও প্রশ্ন করতে পারতে হবে। আর যখনই আমরা কাউকে বিদেশের মাটিতে ধরব, সন্ত্রাসী গণ্য করে তাদের সঙ্গে আমরা আচরণ করব।

ট্রাম্প বলেন, আমাদের অবশ্যই এ ব্যাপারে পরিষ্কার থাকতে হবে- সন্ত্রাসীরা শুধু অপরাধী নয়, তারা শত্রুপক্ষীয় বেআইনি যোদ্ধা। বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, অতীতে আমরা বোকার মতো আইএস নেতা বাগদাদিসহ শত শত ভয়ঙ্কর সন্ত্রাসীকে ছেড়ে দিয়েছি শুধু তাদের সঙ্গে যুদ্ধের ময়দানে সাক্ষাতের জন্য।

২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বের যুক্তরাষ্ট্রের টুইন টাওয়ারে হামলার সঙ্গে জড়িত বলে সন্দেহভাজনদের বন্দি রাখার জন্য ২০০২ সালের জানুয়ারি মাসে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ প্রশাসন গুয়ান্তানামো বে কারাগারটি খুলেছিল। এর পর কারাগারটিতে ৭৭৯ ব্যক্তিকে বিভিন্ন মেয়াদে বন্দি করে রাখা হয়। এর মধ্যে ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরের পর কারাগারটিতে এখন ৪১ ব্যক্তি বন্দি আছেন।