ঢাকা ০৮:১০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ, চোখে গুরুতর আঘাত পেলেন যাত্রী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সীমান্ত হত্যাকে বৈধতা দিয়েছেন: হাসনাত আবদুল্লাহ মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির বর্ষপূতি: শোককে শক্তিতে পরিণত করে এগোতে হবে: ডা. জুবাইদা লুটপাটের জন্য ছাত্রজনতা রক্ত দেয়নি: হাসনাত আবদুল্লাহ যুক্তরাষ্ট্র ইরানে আঘাত না হানলে আজ ইসরাইলের অস্তিত্ব থাকত না: ডোনাল্ড ট্রাম্প রাজধানীতে বিএনপি কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা গণতন্ত্র না থাকায় অনেক এলাকার সমস্যা গুরুত্ব পায়নি: ডেপুটি স্পিকার ছাত্র-জনতার অধিকার রক্ষায় দলীয় প্রভাবমুক্ত রাষ্ট্রকাঠামো গড়ার বিকল্প নেই:নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী স্কুলমুখী করতে সাড়ে তিন লাখ শিশুকে স্কুল ড্রেস দেবে সরকার: শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ, আটক রাহুল-প্রিয়াঙ্কা

রোহিঙ্গা শূন্য হলো বড়ছনখোলা আশ্রয় ক্যাম্প

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে বড়ছনখোলা আশ্রয় ক্যাম্পের রোহিঙ্গাদের নয় দফায় সরিয়ে নেয়া হয়েছে। সোমবার সর্বশেষ রোহিঙ্গাদের কক্সবাজারের কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে হস্তান্তরের মাধ্যমে সীমান্তবর্তী ক্যাম্পটি রোহিঙ্গা শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে।

শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনের উদ্যোগে প্রথম দফায় ২১ জানুয়ারি ২৮৩ জনকে হস্তান্তরের মাধ্যমে বড়ছনখোলা আশ্রয় ক্যাম্পটি রোহিঙ্গা শূণ্য করার প্রক্রিয়া শুরু হয়। এর পর পর্যায়ক্রমে দ্বিতীয় দফায় ৩৭০ জন, তৃতীয় দফায় ৮৯৬ জন, চতুর্থ দফায় ৮৬১ জন, পঞ্চম দফায় ৮৬৫ জন, ষষ্ঠ দফায় ৮৩৭ জন, সপ্তম দফায় ৮১১ জন, অষ্টম দফায় ৮৩৭ জন এবং নবম দফায় ৮২৫ জনকে সরিয়ে নেয়া হয়েছে।

এদিকে বান্দরবানে এখনো আরও দুইটি আশ্রয় ক্যাম্পে রোহিঙ্গারা অবস্থান করছে। তারমধ্যে দোছড়ি ইউনিয়নের বাহিরমাঠ রোহিঙ্গা আশ্রয় ক্যাম্পে ৭৮ পরিবারের লোকসংখ্যা ৩৬২ জন এবং ঘুমধুম ইউনিয়নের কোনাপাড়ায় নোম্যান্স ল্যান্ডের আশ্রয় কেন্দ্রে এক হাজার পাঁচশ’ রোহিঙ্গা পরিবারে লোকসংখ্যা প্রায় আট হাজার জন।

নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সরওয়ার কামাল জানান, টানা ৯ দিনের চেষ্টায় নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়নের বড়ছনখোলা আশ্রয় ক্যাম্পের ছয় হাজার ৫৮৫ জন রোহিঙ্গাকে উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। বর্তমানে নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়নের সাপমারাঝিরি ও বড়ছনখোলা দুটি আশ্রয় ক্যাম্প রোহিঙ্গা শূন্য। পর্যায়ক্রমে ঘুমধুম ও দোছড়ি ইউনিয়নের অবশিষ্ট দুটি আশ্রয় ক্যাম্পের রোহিঙ্গাদেরও সরিয়ে নেয়া হবে।

বিজিবির নাইক্ষ্যংছড়ি ৩১ ব্যাটেলিয়ানের অধিনায়ক লে.কর্নেল আনোয়ারুল আযীম জানান, সাপমারাঝিরির পর বড়ছনখোলা আশ্রয় ক্যাম্পটিও রোহিঙ্গা শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে। ক্যাম্পগুলোতে নতুন রোহিঙ্গাদের বসতি গড়ে তোলার কোনো সুযোগ নেই। ক্যাম্পের আশপাশে বিজিবির প্রহড়া বাড়ানো হয়েছে।

সীমান্ত পেরিয়ে নতুন কোনো রোহিঙ্গা প্রবেশ করলে তাদের সরাসরি কুতুপালং ক্যাম্পে পাঠিয়ে দেয়া হবে বলে তিনি জানান।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ, চোখে গুরুতর আঘাত পেলেন যাত্রী

রোহিঙ্গা শূন্য হলো বড়ছনখোলা আশ্রয় ক্যাম্প

আপডেট সময় ১১:৫৬:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে বড়ছনখোলা আশ্রয় ক্যাম্পের রোহিঙ্গাদের নয় দফায় সরিয়ে নেয়া হয়েছে। সোমবার সর্বশেষ রোহিঙ্গাদের কক্সবাজারের কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে হস্তান্তরের মাধ্যমে সীমান্তবর্তী ক্যাম্পটি রোহিঙ্গা শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে।

শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনের উদ্যোগে প্রথম দফায় ২১ জানুয়ারি ২৮৩ জনকে হস্তান্তরের মাধ্যমে বড়ছনখোলা আশ্রয় ক্যাম্পটি রোহিঙ্গা শূণ্য করার প্রক্রিয়া শুরু হয়। এর পর পর্যায়ক্রমে দ্বিতীয় দফায় ৩৭০ জন, তৃতীয় দফায় ৮৯৬ জন, চতুর্থ দফায় ৮৬১ জন, পঞ্চম দফায় ৮৬৫ জন, ষষ্ঠ দফায় ৮৩৭ জন, সপ্তম দফায় ৮১১ জন, অষ্টম দফায় ৮৩৭ জন এবং নবম দফায় ৮২৫ জনকে সরিয়ে নেয়া হয়েছে।

এদিকে বান্দরবানে এখনো আরও দুইটি আশ্রয় ক্যাম্পে রোহিঙ্গারা অবস্থান করছে। তারমধ্যে দোছড়ি ইউনিয়নের বাহিরমাঠ রোহিঙ্গা আশ্রয় ক্যাম্পে ৭৮ পরিবারের লোকসংখ্যা ৩৬২ জন এবং ঘুমধুম ইউনিয়নের কোনাপাড়ায় নোম্যান্স ল্যান্ডের আশ্রয় কেন্দ্রে এক হাজার পাঁচশ’ রোহিঙ্গা পরিবারে লোকসংখ্যা প্রায় আট হাজার জন।

নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সরওয়ার কামাল জানান, টানা ৯ দিনের চেষ্টায় নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়নের বড়ছনখোলা আশ্রয় ক্যাম্পের ছয় হাজার ৫৮৫ জন রোহিঙ্গাকে উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। বর্তমানে নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়নের সাপমারাঝিরি ও বড়ছনখোলা দুটি আশ্রয় ক্যাম্প রোহিঙ্গা শূন্য। পর্যায়ক্রমে ঘুমধুম ও দোছড়ি ইউনিয়নের অবশিষ্ট দুটি আশ্রয় ক্যাম্পের রোহিঙ্গাদেরও সরিয়ে নেয়া হবে।

বিজিবির নাইক্ষ্যংছড়ি ৩১ ব্যাটেলিয়ানের অধিনায়ক লে.কর্নেল আনোয়ারুল আযীম জানান, সাপমারাঝিরির পর বড়ছনখোলা আশ্রয় ক্যাম্পটিও রোহিঙ্গা শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে। ক্যাম্পগুলোতে নতুন রোহিঙ্গাদের বসতি গড়ে তোলার কোনো সুযোগ নেই। ক্যাম্পের আশপাশে বিজিবির প্রহড়া বাড়ানো হয়েছে।

সীমান্ত পেরিয়ে নতুন কোনো রোহিঙ্গা প্রবেশ করলে তাদের সরাসরি কুতুপালং ক্যাম্পে পাঠিয়ে দেয়া হবে বলে তিনি জানান।