ঢাকা ০৭:১৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের শান্তিতে নির্বাচন করতে দেব না: আসিফ মাহমুদ ‘আমি রুমিন ফারহানা, আমার কোনো দল লাগে না’ গুম হওয়া পরিবারের আর্তনাদ শুনে কাঁদলেন তারেক রহমান কালি নয়, জুলাই জাতীয় সনদ ‘রক্ত ও প্রাণের বিনিময়ে’ লেখা হয়েছে : আলী রীয়াজ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন লুৎফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী ওসমানী মেডিকেলে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলা, চলছে কর্মবিরতি নির্বাচন ব্যর্থ হলে শুধু সরকার নয়, পুরো দেশবাসীকেই এর ভয়াবহ খেসারত দিতে হবে : দুদু আন্দোলনের সুফল একটি দলের ঘরে নেওয়ার চেষ্টা বিফলে যাবে : ডা. জাহিদ ঢাকাকে হারিয়ে প্লে-অফ নিশ্চিত করল রংপুর রাইডার্স খালেদা জিয়ার আদর্শই হবে আগামীর চালিকাশক্তি : খন্দকার মোশাররফ

অস্ট্রেলিয়ায় সিটিজেন অফ দ্যা ইয়ার পুরষ্কার পেলেন রাশেদ শ্রাবন

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

২৬ জানুয়ারি অস্ট্রেলিয়ান-ডে অস্ট্রেলিয়ান সরকারের সবচেয়ে বড় পুরষ্কার ‘সিটিজেন অফ দ্যা ইয়ার-২০১৮’ পেয়েছেন বাংলাদেশি বংশোভূত অস্ট্রেলিয়ান রাশেদ শ্রাবন। সিটি অফ ব্যাংক টউন এবং কান্টারবুরি থেকে একমাত্র বাংলাদেশি ২০১৮ সালে নোমিনেশন পেয়েছিলেন এবং রাশেদ শ্রাবন ২০১৮ সালের সরকারি এই সম্মাননা গ্রহণ করেছেন।

এই অ্যাওয়ার্ড পেয়ে উপস্থিত অস্ট্রেলিয়ান ও বিভিন্ন কমিউনিটির নেতাদের তিনি বলেন, আপনি কোথায় থেকে এসেছে, কোন বর্ণের সেটা বড় বিষয় নয়, আপনি একজন অস্ট্রেলিয়ান সেটা আপনার বড় পরিচয়।

কাউন্সিকজন লর সাহে জামান টিটু বলেন, এই পুরষ্কার পাওয়ার পর অস্ট্রেলিয়ার পুরো বাংলাদেশ কমিউনিটি এক খুশির আমেজে রয়েছেন। কাউন্সিলর নাজমুল হুদা বলেন, তিনি একজন বাংলাদেশি এত অল্প সময়ে এই পুরুস্কার পেয়েছেন যেটা কমিউনিটিকে আরও সামনের দিকে এগিয়ে নিবে।

এনটিভি অস্ট্রেলিয়ার পাবলিক রিলেসন সায়মন সারওয়ার বলেন, এটা আগামীর প্রজন্মের জন্য আমাদের মাইলপলক। তাঁর এই পুরষ্কার পাওয়ার পর অনেকেই তাকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন।

রাশেদ শ্রাবনের জন্ম বাংলাদেশের নোয়াখালী জেলায়। তার বাবা একজন মুক্তিযোদ্ধা। তিনি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটি চিটাগাং থেকে ফিনান্স এন্ড ব্যাংকিং এ ব্যাচেলর করে অস্ট্রেলিয়ায় গিয়েছেন। অস্ট্রেলিয়া একাউন্টিং বডি সিপিএ মেম্বার এবং ফিন্যান্সিয়াল অ্যাসোসিয়েশন অফ এশিয়া পেসিফিকের মেম্বার।

রাশেদ শ্রাবন ছিলেন বাংলাদেশ স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রেসিডেন্ট। এছাড়াও তিনি অস্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশ প্রেস ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা এবং সাধারণ সম্পাদক।

রাশেদ শ্রাবন একাধারে একজন কমিউনিটি ওয়ার্কার, সাংবাদিক ও একজন গবেষক এবং এনটিভি অস্ট্রেলিয়ার প্রধান কর্মকর্তা। তিনি ওয়েস্টার্ন সিডনি উনিভার্সিটিতে থেকে মানবসম্পদ ও ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিলেসন এ মাস্টার ডিগ্রী নিয়ে বর্তমানে পিএইচডি গবেষক। তার গবেষণার বিষয় মানব সম্পদ উন্নয়ন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের শান্তিতে নির্বাচন করতে দেব না: আসিফ মাহমুদ

অস্ট্রেলিয়ায় সিটিজেন অফ দ্যা ইয়ার পুরষ্কার পেলেন রাশেদ শ্রাবন

আপডেট সময় ০২:৫৯:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

২৬ জানুয়ারি অস্ট্রেলিয়ান-ডে অস্ট্রেলিয়ান সরকারের সবচেয়ে বড় পুরষ্কার ‘সিটিজেন অফ দ্যা ইয়ার-২০১৮’ পেয়েছেন বাংলাদেশি বংশোভূত অস্ট্রেলিয়ান রাশেদ শ্রাবন। সিটি অফ ব্যাংক টউন এবং কান্টারবুরি থেকে একমাত্র বাংলাদেশি ২০১৮ সালে নোমিনেশন পেয়েছিলেন এবং রাশেদ শ্রাবন ২০১৮ সালের সরকারি এই সম্মাননা গ্রহণ করেছেন।

এই অ্যাওয়ার্ড পেয়ে উপস্থিত অস্ট্রেলিয়ান ও বিভিন্ন কমিউনিটির নেতাদের তিনি বলেন, আপনি কোথায় থেকে এসেছে, কোন বর্ণের সেটা বড় বিষয় নয়, আপনি একজন অস্ট্রেলিয়ান সেটা আপনার বড় পরিচয়।

কাউন্সিকজন লর সাহে জামান টিটু বলেন, এই পুরষ্কার পাওয়ার পর অস্ট্রেলিয়ার পুরো বাংলাদেশ কমিউনিটি এক খুশির আমেজে রয়েছেন। কাউন্সিলর নাজমুল হুদা বলেন, তিনি একজন বাংলাদেশি এত অল্প সময়ে এই পুরুস্কার পেয়েছেন যেটা কমিউনিটিকে আরও সামনের দিকে এগিয়ে নিবে।

এনটিভি অস্ট্রেলিয়ার পাবলিক রিলেসন সায়মন সারওয়ার বলেন, এটা আগামীর প্রজন্মের জন্য আমাদের মাইলপলক। তাঁর এই পুরষ্কার পাওয়ার পর অনেকেই তাকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন।

রাশেদ শ্রাবনের জন্ম বাংলাদেশের নোয়াখালী জেলায়। তার বাবা একজন মুক্তিযোদ্ধা। তিনি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটি চিটাগাং থেকে ফিনান্স এন্ড ব্যাংকিং এ ব্যাচেলর করে অস্ট্রেলিয়ায় গিয়েছেন। অস্ট্রেলিয়া একাউন্টিং বডি সিপিএ মেম্বার এবং ফিন্যান্সিয়াল অ্যাসোসিয়েশন অফ এশিয়া পেসিফিকের মেম্বার।

রাশেদ শ্রাবন ছিলেন বাংলাদেশ স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রেসিডেন্ট। এছাড়াও তিনি অস্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশ প্রেস ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা এবং সাধারণ সম্পাদক।

রাশেদ শ্রাবন একাধারে একজন কমিউনিটি ওয়ার্কার, সাংবাদিক ও একজন গবেষক এবং এনটিভি অস্ট্রেলিয়ার প্রধান কর্মকর্তা। তিনি ওয়েস্টার্ন সিডনি উনিভার্সিটিতে থেকে মানবসম্পদ ও ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিলেসন এ মাস্টার ডিগ্রী নিয়ে বর্তমানে পিএইচডি গবেষক। তার গবেষণার বিষয় মানব সম্পদ উন্নয়ন।