ঢাকা ১২:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ৩১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ওমানে একসঙ্গে বাংলাদেশি ৪ ভাইয়ের লাশ উদ্ধার এসএসসি জানুয়ারিতে এইচএসসি এপ্রিলে করার পক্ষে মত গুলি করে ১৯ লাখ টাকা ছিনতাই: ‎জামায়াত এমপির ভাগ্নে কারাগারে এক মাস বয়সি শিশুকে টিকার পরিবর্তে দেওয়া হলো জলাতঙ্কের ভ্যাকসিন এক চোখের দৃষ্টি হারিয়েছেন ইমরান খান পারমাণবিক সুরক্ষা শুধু প্রযুক্তিগত বিষয় নয়, এটি রাষ্ট্রীয় দায়িত্বের সঙ্গে সম্পৃক্ত: প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা সংকট কাটলে টিকার বিষয়ে তদন্তের সিদ্ধান্ত নেবে মন্ত্রণালয়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ফিলিপাইনের সিনেটে গোলাগুলি, সিনেটরকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা প্রতিবন্ধীদের অধিকার সুরক্ষা ও সেবা নিশ্চিতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তিতে চীনকে গ্যারান্টর হিসেবে চায় ইরান

অস্ট্রেলিয়ায় সিটিজেন অফ দ্যা ইয়ার পুরষ্কার পেলেন রাশেদ শ্রাবন

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

২৬ জানুয়ারি অস্ট্রেলিয়ান-ডে অস্ট্রেলিয়ান সরকারের সবচেয়ে বড় পুরষ্কার ‘সিটিজেন অফ দ্যা ইয়ার-২০১৮’ পেয়েছেন বাংলাদেশি বংশোভূত অস্ট্রেলিয়ান রাশেদ শ্রাবন। সিটি অফ ব্যাংক টউন এবং কান্টারবুরি থেকে একমাত্র বাংলাদেশি ২০১৮ সালে নোমিনেশন পেয়েছিলেন এবং রাশেদ শ্রাবন ২০১৮ সালের সরকারি এই সম্মাননা গ্রহণ করেছেন।

এই অ্যাওয়ার্ড পেয়ে উপস্থিত অস্ট্রেলিয়ান ও বিভিন্ন কমিউনিটির নেতাদের তিনি বলেন, আপনি কোথায় থেকে এসেছে, কোন বর্ণের সেটা বড় বিষয় নয়, আপনি একজন অস্ট্রেলিয়ান সেটা আপনার বড় পরিচয়।

কাউন্সিকজন লর সাহে জামান টিটু বলেন, এই পুরষ্কার পাওয়ার পর অস্ট্রেলিয়ার পুরো বাংলাদেশ কমিউনিটি এক খুশির আমেজে রয়েছেন। কাউন্সিলর নাজমুল হুদা বলেন, তিনি একজন বাংলাদেশি এত অল্প সময়ে এই পুরুস্কার পেয়েছেন যেটা কমিউনিটিকে আরও সামনের দিকে এগিয়ে নিবে।

এনটিভি অস্ট্রেলিয়ার পাবলিক রিলেসন সায়মন সারওয়ার বলেন, এটা আগামীর প্রজন্মের জন্য আমাদের মাইলপলক। তাঁর এই পুরষ্কার পাওয়ার পর অনেকেই তাকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন।

রাশেদ শ্রাবনের জন্ম বাংলাদেশের নোয়াখালী জেলায়। তার বাবা একজন মুক্তিযোদ্ধা। তিনি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটি চিটাগাং থেকে ফিনান্স এন্ড ব্যাংকিং এ ব্যাচেলর করে অস্ট্রেলিয়ায় গিয়েছেন। অস্ট্রেলিয়া একাউন্টিং বডি সিপিএ মেম্বার এবং ফিন্যান্সিয়াল অ্যাসোসিয়েশন অফ এশিয়া পেসিফিকের মেম্বার।

রাশেদ শ্রাবন ছিলেন বাংলাদেশ স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রেসিডেন্ট। এছাড়াও তিনি অস্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশ প্রেস ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা এবং সাধারণ সম্পাদক।

রাশেদ শ্রাবন একাধারে একজন কমিউনিটি ওয়ার্কার, সাংবাদিক ও একজন গবেষক এবং এনটিভি অস্ট্রেলিয়ার প্রধান কর্মকর্তা। তিনি ওয়েস্টার্ন সিডনি উনিভার্সিটিতে থেকে মানবসম্পদ ও ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিলেসন এ মাস্টার ডিগ্রী নিয়ে বর্তমানে পিএইচডি গবেষক। তার গবেষণার বিষয় মানব সম্পদ উন্নয়ন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ওমানে একসঙ্গে বাংলাদেশি ৪ ভাইয়ের লাশ উদ্ধার

অস্ট্রেলিয়ায় সিটিজেন অফ দ্যা ইয়ার পুরষ্কার পেলেন রাশেদ শ্রাবন

আপডেট সময় ০২:৫৯:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

২৬ জানুয়ারি অস্ট্রেলিয়ান-ডে অস্ট্রেলিয়ান সরকারের সবচেয়ে বড় পুরষ্কার ‘সিটিজেন অফ দ্যা ইয়ার-২০১৮’ পেয়েছেন বাংলাদেশি বংশোভূত অস্ট্রেলিয়ান রাশেদ শ্রাবন। সিটি অফ ব্যাংক টউন এবং কান্টারবুরি থেকে একমাত্র বাংলাদেশি ২০১৮ সালে নোমিনেশন পেয়েছিলেন এবং রাশেদ শ্রাবন ২০১৮ সালের সরকারি এই সম্মাননা গ্রহণ করেছেন।

এই অ্যাওয়ার্ড পেয়ে উপস্থিত অস্ট্রেলিয়ান ও বিভিন্ন কমিউনিটির নেতাদের তিনি বলেন, আপনি কোথায় থেকে এসেছে, কোন বর্ণের সেটা বড় বিষয় নয়, আপনি একজন অস্ট্রেলিয়ান সেটা আপনার বড় পরিচয়।

কাউন্সিকজন লর সাহে জামান টিটু বলেন, এই পুরষ্কার পাওয়ার পর অস্ট্রেলিয়ার পুরো বাংলাদেশ কমিউনিটি এক খুশির আমেজে রয়েছেন। কাউন্সিলর নাজমুল হুদা বলেন, তিনি একজন বাংলাদেশি এত অল্প সময়ে এই পুরুস্কার পেয়েছেন যেটা কমিউনিটিকে আরও সামনের দিকে এগিয়ে নিবে।

এনটিভি অস্ট্রেলিয়ার পাবলিক রিলেসন সায়মন সারওয়ার বলেন, এটা আগামীর প্রজন্মের জন্য আমাদের মাইলপলক। তাঁর এই পুরষ্কার পাওয়ার পর অনেকেই তাকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন।

রাশেদ শ্রাবনের জন্ম বাংলাদেশের নোয়াখালী জেলায়। তার বাবা একজন মুক্তিযোদ্ধা। তিনি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটি চিটাগাং থেকে ফিনান্স এন্ড ব্যাংকিং এ ব্যাচেলর করে অস্ট্রেলিয়ায় গিয়েছেন। অস্ট্রেলিয়া একাউন্টিং বডি সিপিএ মেম্বার এবং ফিন্যান্সিয়াল অ্যাসোসিয়েশন অফ এশিয়া পেসিফিকের মেম্বার।

রাশেদ শ্রাবন ছিলেন বাংলাদেশ স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রেসিডেন্ট। এছাড়াও তিনি অস্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশ প্রেস ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা এবং সাধারণ সম্পাদক।

রাশেদ শ্রাবন একাধারে একজন কমিউনিটি ওয়ার্কার, সাংবাদিক ও একজন গবেষক এবং এনটিভি অস্ট্রেলিয়ার প্রধান কর্মকর্তা। তিনি ওয়েস্টার্ন সিডনি উনিভার্সিটিতে থেকে মানবসম্পদ ও ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিলেসন এ মাস্টার ডিগ্রী নিয়ে বর্তমানে পিএইচডি গবেষক। তার গবেষণার বিষয় মানব সম্পদ উন্নয়ন।