অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
জীবননগর উপজেলার পুলিশের গুলিতে আন্তঃজেলা ডাকাতদলের সর্দার ও শীর্ষ সন্ত্রাসী ইমান আলী নিহত হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে ৪টি হাতবোমা, একটি এলজি শুটারগান, ৫টি চাপাতি ও ২ রাউন্ড বন্দুকের কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার রাত ১টার দিকে সন্তোষপুর-আন্দুলবাড়িয়া সড়কের দেহাটি গুপ্তপীরের মাজারের কাছে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ডাকাত সর্দার ইমান (৩৮) আলী চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার হারদা চাঁনপুর গ্রামের ফকর উদ্দিন ব্যাপারীর ছেলে। পুলিশ জানায়, ডাকাতির প্রস্তুতিকালে বন্দুকযুদ্ধে সে নিহত হয়েছে।
জীবননগর থানার ওসি (তদন্ত) আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, পুলিশের একটি টহলদল রাত ১টার দিকে উপজেলার সন্তোষপুর-আন্দুলবাড়িয়া সড়কের দেহাটি গ্রামের গুপ্তপীরের মাজারের কাছে পৌঁছে দেখতে পায় ১০-১২ জনের সশস্ত্র ডাকাতদল সড়ক ডাকাতির উদ্দেশ্যে গাছ কাটার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা পাশের আমবাগানের মধ্যে পালিয়ে পুলিশের ওপর গুলি করে। পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। পুলিশ-ডাকাত বন্দুকযুদ্ধ শেষে ডাকাতদল পালিয়ে গেলে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ইমান আলীকে আটক করে। এ সময় অস্ত্র, গুলি ও বোমা উদ্ধার করা হয়।
আহত ইমান আলীকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসাপাতালে নিলে হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. আওলিয়ার রহমান তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
চুয়াডাঙ্গার সহকারী পুলিশ সুপার আহসান হাবীব পিপিএম জানান, জীবননগরের সন্তোষপুরে একটি আমবাগানে ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে গোপন সংবাদ পেয়ে অভিযান চালায় পুলিশ। এ সময় পুলিশকে লক্ষ্য করে কয়েকটি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটায় ডাকাতদল। পুলিশও পাল্টা গুলি ছোড়ে। প্রায় ২০ মিনিট দুই পক্ষের গুলিবিনিময় হয়। এ সময় এক ডাকাতের মৃত্যু হয়েছে।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 
























