ঢাকা ০১:১৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ২৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কুকুর-কুমির ঘটনা তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের শাস্তির নির্দেশ প্রতিমন্ত্রী টুকুর লিখিত প্রস্তাব বিনিময় করেছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষজ্ঞরা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় টাউন হল সভা চালু থাকবে: শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ফ্যাসিস্ট সরকার দেশে ভঙ্গুর অর্থনীতি রেখে গেছে: প্রতিমন্ত্রী ‘এক-এগারোর’ মাসুদ উদ্দিন ফের ৪ দিনের রিমান্ডে কাল থেকে ৪ সিটিতে হামের টিকা শুরু, যাদের না দেয়ার পরামর্শ জনগণের অধিকার আদায়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না: জামায়াত আমির ‘নগরবাসীর সক্রিয় সহযোগিতা ছাড়া ডেঙ্গু প্রতিরোধ সম্ভব নয়’ কক্সবাজারের পর্যটন স্পটে মিলবে ফ্রি ইন্টারনেট: তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী তেল আছে শুধু সংসদে: জামায়াত আমির

পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ছাত্রীর সঙ্গে প্রেমে প্রতারণার অভিযোগ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী থানার সাবেক এক এএসআইয়ের বিরুদ্ধে মোবাইল ফোনে ছাত্রীর সঙ্গে প্রেম করে প্রতারণার অভিযোগ ওঠেছে। রংপুর সরকারি পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটের এক ছাত্রীর সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে মোবাইল ফোনে বিয়ের প্রলোভনে প্রেম ও রাজশাহী শহরে দুই রাত হোটেলে থাকার অভিযোগ করেছেন ছাত্রীর বাবা।

অভিযুক্ত এএসআই সুমন শাহ পলাশবাড়ী থানায় কর্মরত ছিলেন। সম্প্রতি তিনি র‌্যাব-৪এ যোগদান করেছেন। বুধবার গাইবান্ধা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে ছাত্রীর বাবা নান্নু মিয়া এ অভিযোগ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে নান্নু মিয়া বলেন, তার মেয়ে রংপুরে মেসে থেকে পড়াশোনা করত। পলাশবাড়ী থানার এএসআই সুমন শাহ সাত-আট মাস আগে তার সঙ্গে মোবাইল ফোনে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। একপর্যায়ে সুমন বিয়ের প্রলোভনে ফাঁদে ফেলে তার মেয়েকে রাজশাহীতে বেড়াতে নিয়ে যায়। সেখানে তারা হোটেলে দুদিন অবস্থান করে। ছাত্রী বিষয়টি তার অভিভাবকদের জানালে তারা পলাশবাড়ী থানায় যোগোযোগ করে জানতে পারেন এএসআই সুমন শাহ বিবাহিত।

পরে সুমনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। ইতিমধ্যে সুমন শাহ পলাশবাড়ী থানা থেকে বদলি হয়ে বর্তমানে ঢাকার মিরপুরে র‌্যাব-৪ এ যোগদান করেছেন।

সংবাদ সম্মেলনে নান্নু মিয়া আরও বলেন, একজন দায়িত্বশীল পুলিশ কর্মকর্তা হয়েও সুমন শাহ তার মেয়ের সঙ্গে প্রেমের অভিনয়ে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তুলে প্রতারণার আশ্রয় নিয়েছে। তার কলেজপড়–য়া মেয়ে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে এখন লেখাপড়া বন্ধ করে দিয়েছে।

তার মেয়ে এএসআই সুমনের সঙ্গে বিয়ের জন্য এখন আত্মহত্যার হুমকি দিচ্ছে পরিবারের সদস্যদের কাছে।

তিনি বলেন, এ ব্যাপারে পুলিশের মহাপরিদর্শক, গাইবান্ধা পুলিশ সুপার, মহাপরিচালক, র‌্যাব হেডকোয়ার্টার, পলাশবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, পলাশবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জকে (ওসি) লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়েছে। কিন্তু কোনো প্রতিকার পাওয়া যায়নি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

কুকুর-কুমির ঘটনা তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের শাস্তির নির্দেশ প্রতিমন্ত্রী টুকুর

পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ছাত্রীর সঙ্গে প্রেমে প্রতারণার অভিযোগ

আপডেট সময় ১০:৩৭:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী থানার সাবেক এক এএসআইয়ের বিরুদ্ধে মোবাইল ফোনে ছাত্রীর সঙ্গে প্রেম করে প্রতারণার অভিযোগ ওঠেছে। রংপুর সরকারি পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটের এক ছাত্রীর সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে মোবাইল ফোনে বিয়ের প্রলোভনে প্রেম ও রাজশাহী শহরে দুই রাত হোটেলে থাকার অভিযোগ করেছেন ছাত্রীর বাবা।

অভিযুক্ত এএসআই সুমন শাহ পলাশবাড়ী থানায় কর্মরত ছিলেন। সম্প্রতি তিনি র‌্যাব-৪এ যোগদান করেছেন। বুধবার গাইবান্ধা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে ছাত্রীর বাবা নান্নু মিয়া এ অভিযোগ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে নান্নু মিয়া বলেন, তার মেয়ে রংপুরে মেসে থেকে পড়াশোনা করত। পলাশবাড়ী থানার এএসআই সুমন শাহ সাত-আট মাস আগে তার সঙ্গে মোবাইল ফোনে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। একপর্যায়ে সুমন বিয়ের প্রলোভনে ফাঁদে ফেলে তার মেয়েকে রাজশাহীতে বেড়াতে নিয়ে যায়। সেখানে তারা হোটেলে দুদিন অবস্থান করে। ছাত্রী বিষয়টি তার অভিভাবকদের জানালে তারা পলাশবাড়ী থানায় যোগোযোগ করে জানতে পারেন এএসআই সুমন শাহ বিবাহিত।

পরে সুমনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। ইতিমধ্যে সুমন শাহ পলাশবাড়ী থানা থেকে বদলি হয়ে বর্তমানে ঢাকার মিরপুরে র‌্যাব-৪ এ যোগদান করেছেন।

সংবাদ সম্মেলনে নান্নু মিয়া আরও বলেন, একজন দায়িত্বশীল পুলিশ কর্মকর্তা হয়েও সুমন শাহ তার মেয়ের সঙ্গে প্রেমের অভিনয়ে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তুলে প্রতারণার আশ্রয় নিয়েছে। তার কলেজপড়–য়া মেয়ে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে এখন লেখাপড়া বন্ধ করে দিয়েছে।

তার মেয়ে এএসআই সুমনের সঙ্গে বিয়ের জন্য এখন আত্মহত্যার হুমকি দিচ্ছে পরিবারের সদস্যদের কাছে।

তিনি বলেন, এ ব্যাপারে পুলিশের মহাপরিদর্শক, গাইবান্ধা পুলিশ সুপার, মহাপরিচালক, র‌্যাব হেডকোয়ার্টার, পলাশবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, পলাশবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জকে (ওসি) লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়েছে। কিন্তু কোনো প্রতিকার পাওয়া যায়নি।