অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার দত্তপাড়া এলাকার কাতার প্রবাসী রাজুর স্ত্রী সানজিদা আক্তার প্রেমিক মান্নার হাত ধরে স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা পয়সা নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় লক্ষ্মীপুর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে জেলার চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দেয়ার নির্দেশ দেন। মামলায় রাজুর স্ত্রী সানজিদা আক্তার, তার বাবা শহিদ উল্যা ও মাকে আসামি করা হয়। রোববার (৭ জানুয়ারি) সকালে আদালত প্রাঙ্গনে এসব অভিযোগ করেন মামলার বাদী।
মামলা ও কাবিনসূত্রে জানা যায়, ২০১৪ সালে সদর উপজেলার দত্তপাড়া গ্রামের মো. মুসলিম মিয়ার ছেলে কাতার প্রবাসী মো. রাজুর সাথে পাশ্ববর্তী জেলা নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার কামালপুর গ্রামের শহিদ উল্যাহর মেয়ে সানজিদা বেগমের বিয়ে হয়। বিয়ের কিছুদিন পর রাজুর মা মারা যায়।
পড়ালেখার আগ্রহ প্রকাশ করায় রাজু তার স্ত্রী সানজিদা বেগমকে কফিল উদ্দিন ডিগ্রি কলেজের অর্নাসে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে সে অনার্স তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী। এ সুবাধে সানজিদা বেগম বাবার বাড়ি বেশিরভাগ সময় থাকত।
এদিকে রাজু বিদেশে উপার্জিত সকল টাকা পয়সা তার স্ত্রী ও শ্বাশুড়ীর ব্যাংক একাউন্টে পাঠাত। কিন্তু প্রেম না শুনে ধর্মের কাহিনী। গোপনে তার চাচাতো ভাই মান্নার সাথে পরকীয়া প্রেমে জড়িয়ে পড়েন। শুরু হয় দুইজনের মধ্যে মন দেয়া নেয়া।
সম্প্রতি বিদেশে উপার্জিত সকল টাকা পয়সা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে প্রেমিক মান্নার হাত ধরে পালিয়ে যায় সানজিদা বেগম। এ বিষয়ে গত বছরের ৮ অক্টোবর জেলার চন্দ্রগঞ্জ থানার এসআই কামরুল ইসলাম আদালতে দায়েকৃত মামলার তদন্ত শেষে ঘটনার সত্যতা মিলেছে বলে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন বলে জানিয়েছেন তদন্তকর্মকর্তা।
এদিকে কাতার প্রবাসী রাজু টেলিফোনে এ প্রতিবেদককে জানান, সানজিদা বেগম ও তার শ্বাশুড়ীকে বিশ্বাস করে বিদেশে উপার্জিত টাকা পয়সা তাদের ব্যাংক একাউন্টে পাঠিয়েছি। এখন আমার সব শেষ হয়ে গেছে। সারাজীবনের সঞ্চয়কৃত টাকা-পয়সা নিয়ে সানজিদা বেগম তার প্রেমিকের হাত ধরে পালিয়ে গেছে বলে অভিযোগ করেন।
এ ঘটনার সুষ্ঠ তদন্ত করে বিচারের দাবি জানান তিনি। এ ব্যাপারে সানজিদা বেগমের সাথে বারবার যোগাযোগ করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 
























