অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
শেরপুরে তাহমিদ হাসান নামের সাড়ে তিন বছরের এক শিশু রহস্যজনকভাবে খুন হয়েছে। আজ শনিবার বিকেলে এক প্রতিবেশীর বাড়ির সীমানাপ্রাচীরের ওপর থেকে শিশুটির লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য প্রতিবেশী হেলাল উদ্দিনের স্ত্রী শিরিনা আক্তার (৪০) ও ছেলে রিয়াজ উদ্দিনকে (১৪) আটক করেছে পুলিশ।
শেরপুর জেলা শহরের সজবরখিলা এলাকার শিক্ষক দম্পতি আবদুল মালেক ও জহুরা পারভীনের ছোট ছেলে তাহমিদ। আবদুল মালেক ঝিনাইগাতী উপজেলার চেঙ্গুরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও জহুরা পারভীন শেরপুর সদর উপজেলার খড়খড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।
পুলিশ ও নিহত শিশুটির পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সকাল নয়টার দিকে তাহমিদের বাবা আবদুল মালেক কর্মস্থলে চলে যান। এর কিছুক্ষণ পর তাঁর মা জহুরা পারভীন তাঁর বড় ছেলে আপনকে স্থানীয় একটি স্কুলে ভর্তি করাতে যান। এ সময় তাহমিদের দাদি মন্নুজান (৭০) বাসায় ছিলেন। দাদির অলক্ষ্যে তাহমিদ বাসার পাশের খোলা জায়গায় খেলা করছিল। কিন্তু দুপুর ১২টার দিকে স্থানীয় এলাকাবাসী হেলাল উদ্দিনের বাসার সীমানাপ্রাচীরের ওপর ভেজা কাপড় পরা অবস্থায় তাহমিদের লাশ ঝুলে থাকতে দেখে। পরে মোবাইল ফোনে খবর পেয়ে তাহমিদের বাবা-মা বাসায় ছুটে আসেন।
স্থানীয় ব্যক্তিরা বলেন, ঘটনার সময় বাড়িতে ছিলেন না হেলাল উদ্দিন। সদর থানার পুলিশ শনিবার বিকেলে তাঁর বাড়ির সীমানাপ্রাচীরের ওপর থেকে তাহমিদের লাশ উদ্ধার করে। শিশুটির লাশ ময়নাতদন্তেরšজন্য জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খন্দকার খালিদ বিন নূর ও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বোরহান উদ্দিন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
আবদুল মালেক দৈনিক আকাশকে বলেন, ‘আমার ছেলেকে যারাই খুন করে থাকুক, আমি তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’
শেরপুর সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আবদুল্লাহ আল মামুন দৈনিক আকাশকে বলেন, সুরতহাল প্রতিবেদনে নিহত শিশুর মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। এ ঘটনায় থানায় এখন পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি। তবে প্রতিবেশী হেলাল উদ্দিনের স্ত্রী শিরিনা আক্তার ও ছেলে রিয়াজ উদ্দিনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। তাহমিদকে খুনের কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 
























