ঢাকা ০১:৫৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী খুন,পুলিশের সন্দেহের তালিকায় পলাতক রেস্তোরাঁ কর্মী স্বৈরাচারের লোকেরা নির্বাচন ভণ্ডুলের চেষ্টা করবে: ড. মুহাম্মদ ইউনূস গাজীপুরে নবজাতকের লাশ নিয়ে কুকুরের টানাহ্যাঁচড়া, উদ্ধার করল পুলিশ ধর্মকে পুঁজি করে মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে, ধোঁকা দেওয়া হচ্ছে : খায়রুল কবির খোকন দলে বড় নাম থাকলেও জেতার জন্য সবাইকে আরও দায়িত্ব নিতে হবে: সোহান ২৫ জন বাংলাদেশিকে ক্ষমা করল আমিরাত দেশের ভবিষ্যত গড়ার জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয় নিশ্চিত করতে হবে : চরমোনাই পীর ব্যালটবাক্স ভরে কোনো নির্দিষ্ট প্রতীকের জয়ের সুযোগ নেই: রুমিন ফারহানা এইচএসসি পাসে নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ , রোগী দেখেন দুই জেলায়

হাতীবান্ধায় ২য় শ্রেনীর ছাত্রী ধর্ষণের শিকার টাকা দিয়ে মিমাংসা

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধা উপজেলায় ২য় শ্রেনীর ছাত্রী ধর্ষণের ঘটনায় ২লক্ষ ৫০ হাজার টাকা দিয়ে মিমাংসা করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে নওদাবাস ইউপি চেয়ারম্যান অশ্বনী কুমার বসুনিয়া এই মিমাংসা করেন বলেন জানাগেছে। এরআগে গত ১৮ ডিসেম্বর সোমবার বিকেলে মেয়েটিকে টয়লেটে ডুকিয়ে ধর্ষণ করে উপজেলার ধওলাই গ্রামের বাসিন্দা ধিজেন্দ্র নাথের ছেলে নিত্য। গত কয়েকদিন ধরে শিশুটি রংপুর হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে বৃহস্পতিবার বাড়ি ফিরে।

এ বিষয়ে একাধিক বার যোগাযোগ করেও ধর্ষক পরিবারের কারো কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে ধর্ষকের চাচী সোর্বা রানী জানান, বাড়ি ছেড়ে সবাই চলে গেছে। মিমাংসা হওয়ার পথে। মিমাংসা হলে তারা বাসায় ফিরবে। এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই এলাকার এক ব্যাক্তি জানান, ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকায় বিষয়টি মিমাংসা করা হয়েছে। তার মধ্যে মেয়ের বাবা ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা ও চেয়ারম্যান ১ লক্ষ টাকা নিয়েছে।

জানাগেছে, গত ১৮ ডিসেম্বর হাতীবান্ধা উপজেলার ধওলাই গ্রামের বাসিন্দা ধিজেন্দ্র নাথের ছেলে নিত্য তার প্রতিবেশী ২য় শ্রেনীর ছাত্রীকে ডেকে নিয়ে গিয়ে টয়লেটে ঢুকিয়ে ধর্ষণ করে। পরে শিশুটির পরিবার বুঝতে পেরে ওই দিন রাতে হাতীবান্ধা হাসপাতালে নিয়ে আসে। সেখানকার কর্মরত চিকিৎসক তাদেরকে লালমনিরহাট হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয়। সেখান থেকে তারা রংপুর হাসপাতালে চিাকৎসা শেষে গতকাল ২৮ ডিসেম্বর বাসায় ফিরে আসে।

ধর্ষণের শিকার মেয়েটির মা জানান, ১৮ ডিসেম্বর সোমবার বিকেলে নিত্যের ভাতিজির মায়ার সাথে খেলছিল আমার মেয়ে। এসময় নিত্য আমার মেয়েকে জোর করে সেখান থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে টয়লেটে ডুকিয়ে ধর্ষণ করে। মেয়েটির বাবা জানান, মেয়েটির বিয়ে দিতে হবে তাই আমি কোন ঝামেলা চাই না। চেয়ারম্যানকে বলা হয়েছে সে যা করবে তাই। এ বিষয়ে নওদাবাস ইউপি চেয়ারম্যান অশ্বনী কুমার বসুনিয়া জানান, আমি কিছু জানি না। আর আমি কোন মিমাংসা করি নাই।

এ বিষয়ে হাতীবান্ধা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামিম হোসেন সরদার জানান, মেয়েটি যে দিন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল তখন হাসপাতালে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। তখন তারা বলেছে চিকিৎসা শেষে থানায় এসে মামলা করবে। তবে এখন পর্যন্ত তারা থানায় আসে নাই। আর মিমাংসার বিষয়ে আমি কিছু জানি না। বিষয়টি জানলাম আজ আবারও পুলিশ পাঠায় দিব।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট

হাতীবান্ধায় ২য় শ্রেনীর ছাত্রী ধর্ষণের শিকার টাকা দিয়ে মিমাংসা

আপডেট সময় ০৩:৩২:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধা উপজেলায় ২য় শ্রেনীর ছাত্রী ধর্ষণের ঘটনায় ২লক্ষ ৫০ হাজার টাকা দিয়ে মিমাংসা করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে নওদাবাস ইউপি চেয়ারম্যান অশ্বনী কুমার বসুনিয়া এই মিমাংসা করেন বলেন জানাগেছে। এরআগে গত ১৮ ডিসেম্বর সোমবার বিকেলে মেয়েটিকে টয়লেটে ডুকিয়ে ধর্ষণ করে উপজেলার ধওলাই গ্রামের বাসিন্দা ধিজেন্দ্র নাথের ছেলে নিত্য। গত কয়েকদিন ধরে শিশুটি রংপুর হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে বৃহস্পতিবার বাড়ি ফিরে।

এ বিষয়ে একাধিক বার যোগাযোগ করেও ধর্ষক পরিবারের কারো কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে ধর্ষকের চাচী সোর্বা রানী জানান, বাড়ি ছেড়ে সবাই চলে গেছে। মিমাংসা হওয়ার পথে। মিমাংসা হলে তারা বাসায় ফিরবে। এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই এলাকার এক ব্যাক্তি জানান, ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকায় বিষয়টি মিমাংসা করা হয়েছে। তার মধ্যে মেয়ের বাবা ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা ও চেয়ারম্যান ১ লক্ষ টাকা নিয়েছে।

জানাগেছে, গত ১৮ ডিসেম্বর হাতীবান্ধা উপজেলার ধওলাই গ্রামের বাসিন্দা ধিজেন্দ্র নাথের ছেলে নিত্য তার প্রতিবেশী ২য় শ্রেনীর ছাত্রীকে ডেকে নিয়ে গিয়ে টয়লেটে ঢুকিয়ে ধর্ষণ করে। পরে শিশুটির পরিবার বুঝতে পেরে ওই দিন রাতে হাতীবান্ধা হাসপাতালে নিয়ে আসে। সেখানকার কর্মরত চিকিৎসক তাদেরকে লালমনিরহাট হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয়। সেখান থেকে তারা রংপুর হাসপাতালে চিাকৎসা শেষে গতকাল ২৮ ডিসেম্বর বাসায় ফিরে আসে।

ধর্ষণের শিকার মেয়েটির মা জানান, ১৮ ডিসেম্বর সোমবার বিকেলে নিত্যের ভাতিজির মায়ার সাথে খেলছিল আমার মেয়ে। এসময় নিত্য আমার মেয়েকে জোর করে সেখান থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে টয়লেটে ডুকিয়ে ধর্ষণ করে। মেয়েটির বাবা জানান, মেয়েটির বিয়ে দিতে হবে তাই আমি কোন ঝামেলা চাই না। চেয়ারম্যানকে বলা হয়েছে সে যা করবে তাই। এ বিষয়ে নওদাবাস ইউপি চেয়ারম্যান অশ্বনী কুমার বসুনিয়া জানান, আমি কিছু জানি না। আর আমি কোন মিমাংসা করি নাই।

এ বিষয়ে হাতীবান্ধা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামিম হোসেন সরদার জানান, মেয়েটি যে দিন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল তখন হাসপাতালে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। তখন তারা বলেছে চিকিৎসা শেষে থানায় এসে মামলা করবে। তবে এখন পর্যন্ত তারা থানায় আসে নাই। আর মিমাংসার বিষয়ে আমি কিছু জানি না। বিষয়টি জানলাম আজ আবারও পুলিশ পাঠায় দিব।