ঢাকা ০৯:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বাংলাদেশ চুপ থাকবে না: শামা ওবায়েদ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সফল পারমাণবিক বিক্রিয়া সম্পন্ন চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

বাগেরহাটে রাস্তার পাশে যুবকের মরদেহ, পরিবারের দাবি হত্যা

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে রাস্তার পাশ থেকে সোহাগ খান (৩২) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতের পরিবারের দাবি জমির বিরোধে সোহাগকে হত্যা করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে সাইনবোর্ড শরণখোলা আঞ্চলিক মহাসড়কের মোরেলগঞ্জ উপজেলার আমতলা এলাকার রাস্তার পাশ সোহাগের মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত সোহাগ খান মোরেলগঞ্জ উপজেলার দৈবজ্ঞহাটি ইউনিয়নের বলইবুনিয়া গ্রামের প্রয়াত ইসাহাক খানের ছেলে।

নিহতের মা জাহানারা বেগম সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন ‘বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে খাবার খেয়ে আমি ও আমার ছেলে সোহাগ ঘুমিয়ে পড়ি। রাত বারোটা সাড়ে বারোটার দিকে আমার ছেলে সোহাগের মুঠোফোনে একটি ফোন আসে। সোহাগ ফোনটি রিসিভ করলে তাকে বাইরে যেতে বলে। এরপর সোহাগ আর বাড়িতে ফেরেনি।

সকালে স্থানীয়রা রাস্তার পাশে তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে বাড়িতে খবর দেয়। আমার স্বামী মারা যাওয়ার পর আমার সতীনের ছেলে ওবায়দুল খানের সাথে পৈত্রিক জমি নিয়ে বিরোধ হয়। জমির বিরোধ নিয়ে দুই ভাইয়ের মধ্যে বিবাদ ছিল। এই নিয়ে বিভিন্ন সময়ে সৎভাই ওবায়দুল সোহাগকে হুমকি ধামকি দেয়। সেই বিবাদের জের ধরে পৈত্রিক সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করতে সোহাগের সৎ ভাই ওবায়দুল খান সোহাগকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে নিহতের মা দাবি করেছেন। যারা আমার ছেলেকে হত্যা করেছে তাদের বিচার দাবি করেন তিনি।

নিহতের সৎভাই ওবায়দুল খান জমির বিরোধের অভিযোগ অস্বীকার করে সাংবাদিকদের বলেন, আমার সৎ ভাই সোহাগ সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছে।

মোরেলগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রাশেদুল আলম বলেন, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যেয়ে রাস্তার পাশ থেকে সোহাগের মরদেহ উদ্ধার করেছে। তার মাথার পেছনে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। যেহেতু রাস্তার পাশ থেকে সোহাগের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে তাই এটি হত্যা না সড়ক দুর্ঘটনা তা পুলিশ তদন্ত করে দেখছে। মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য বাগেরহাট সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাগেরহাটে রাস্তার পাশে যুবকের মরদেহ, পরিবারের দাবি হত্যা

আপডেট সময় ০৩:১৯:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে রাস্তার পাশ থেকে সোহাগ খান (৩২) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতের পরিবারের দাবি জমির বিরোধে সোহাগকে হত্যা করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে সাইনবোর্ড শরণখোলা আঞ্চলিক মহাসড়কের মোরেলগঞ্জ উপজেলার আমতলা এলাকার রাস্তার পাশ সোহাগের মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত সোহাগ খান মোরেলগঞ্জ উপজেলার দৈবজ্ঞহাটি ইউনিয়নের বলইবুনিয়া গ্রামের প্রয়াত ইসাহাক খানের ছেলে।

নিহতের মা জাহানারা বেগম সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন ‘বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে খাবার খেয়ে আমি ও আমার ছেলে সোহাগ ঘুমিয়ে পড়ি। রাত বারোটা সাড়ে বারোটার দিকে আমার ছেলে সোহাগের মুঠোফোনে একটি ফোন আসে। সোহাগ ফোনটি রিসিভ করলে তাকে বাইরে যেতে বলে। এরপর সোহাগ আর বাড়িতে ফেরেনি।

সকালে স্থানীয়রা রাস্তার পাশে তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে বাড়িতে খবর দেয়। আমার স্বামী মারা যাওয়ার পর আমার সতীনের ছেলে ওবায়দুল খানের সাথে পৈত্রিক জমি নিয়ে বিরোধ হয়। জমির বিরোধ নিয়ে দুই ভাইয়ের মধ্যে বিবাদ ছিল। এই নিয়ে বিভিন্ন সময়ে সৎভাই ওবায়দুল সোহাগকে হুমকি ধামকি দেয়। সেই বিবাদের জের ধরে পৈত্রিক সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করতে সোহাগের সৎ ভাই ওবায়দুল খান সোহাগকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে নিহতের মা দাবি করেছেন। যারা আমার ছেলেকে হত্যা করেছে তাদের বিচার দাবি করেন তিনি।

নিহতের সৎভাই ওবায়দুল খান জমির বিরোধের অভিযোগ অস্বীকার করে সাংবাদিকদের বলেন, আমার সৎ ভাই সোহাগ সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছে।

মোরেলগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রাশেদুল আলম বলেন, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যেয়ে রাস্তার পাশ থেকে সোহাগের মরদেহ উদ্ধার করেছে। তার মাথার পেছনে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। যেহেতু রাস্তার পাশ থেকে সোহাগের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে তাই এটি হত্যা না সড়ক দুর্ঘটনা তা পুলিশ তদন্ত করে দেখছে। মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য বাগেরহাট সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।