ঢাকা ০৪:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ২৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আপত্তি থাকলে আগেই বলুন, বিল পাশের পর বলছেন আমি কিছু বুঝিলাম না:জামায়াত আমিরকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিএনপির উচিত বিতর্কিত কর্মকাণ্ডগুলো ৬ মাসের মধ্যেই শেষ করে ফেলা: সামান্থা খুলনায় ছেলের লাঠির আঘাতে মায়ের মৃত্যু এসএসসির খাতা মূল্যায়নে পরীক্ষকদের শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশনা শত্রুতামূলক আচরণ না করলে হরমুজ দিয়ে মার্কিন জাহাজ চলতে পারবে: ইরান লেবাননে কোনো যুদ্ধবিরতি চলছে না, হামলা অব্যাহত থাকবে: নেতানিয়াহু বাংলা নববর্ষ উদযাপন ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার ডিএমপির উচ্চশিক্ষা, বৃত্তি ও দক্ষতা উন্নয়নে সহযোগিতা জোরদার করবে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া বর্তমান সরকার জুলাই বিপ্লবের চেতনার বহিঃপ্রকাশ: অ্যাটর্নি জেনারেল ১৬ বছরের দুর্নীতি-লুটপাটে অর্থনীতি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে: অর্থমন্ত্রী

বাগেরহাটে রাস্তার পাশে যুবকের মরদেহ, পরিবারের দাবি হত্যা

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে রাস্তার পাশ থেকে সোহাগ খান (৩২) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতের পরিবারের দাবি জমির বিরোধে সোহাগকে হত্যা করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে সাইনবোর্ড শরণখোলা আঞ্চলিক মহাসড়কের মোরেলগঞ্জ উপজেলার আমতলা এলাকার রাস্তার পাশ সোহাগের মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত সোহাগ খান মোরেলগঞ্জ উপজেলার দৈবজ্ঞহাটি ইউনিয়নের বলইবুনিয়া গ্রামের প্রয়াত ইসাহাক খানের ছেলে।

নিহতের মা জাহানারা বেগম সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন ‘বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে খাবার খেয়ে আমি ও আমার ছেলে সোহাগ ঘুমিয়ে পড়ি। রাত বারোটা সাড়ে বারোটার দিকে আমার ছেলে সোহাগের মুঠোফোনে একটি ফোন আসে। সোহাগ ফোনটি রিসিভ করলে তাকে বাইরে যেতে বলে। এরপর সোহাগ আর বাড়িতে ফেরেনি।

সকালে স্থানীয়রা রাস্তার পাশে তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে বাড়িতে খবর দেয়। আমার স্বামী মারা যাওয়ার পর আমার সতীনের ছেলে ওবায়দুল খানের সাথে পৈত্রিক জমি নিয়ে বিরোধ হয়। জমির বিরোধ নিয়ে দুই ভাইয়ের মধ্যে বিবাদ ছিল। এই নিয়ে বিভিন্ন সময়ে সৎভাই ওবায়দুল সোহাগকে হুমকি ধামকি দেয়। সেই বিবাদের জের ধরে পৈত্রিক সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করতে সোহাগের সৎ ভাই ওবায়দুল খান সোহাগকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে নিহতের মা দাবি করেছেন। যারা আমার ছেলেকে হত্যা করেছে তাদের বিচার দাবি করেন তিনি।

নিহতের সৎভাই ওবায়দুল খান জমির বিরোধের অভিযোগ অস্বীকার করে সাংবাদিকদের বলেন, আমার সৎ ভাই সোহাগ সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছে।

মোরেলগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রাশেদুল আলম বলেন, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যেয়ে রাস্তার পাশ থেকে সোহাগের মরদেহ উদ্ধার করেছে। তার মাথার পেছনে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। যেহেতু রাস্তার পাশ থেকে সোহাগের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে তাই এটি হত্যা না সড়ক দুর্ঘটনা তা পুলিশ তদন্ত করে দেখছে। মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য বাগেরহাট সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হবে ৪ শতাংশ: এডিবি

বাগেরহাটে রাস্তার পাশে যুবকের মরদেহ, পরিবারের দাবি হত্যা

আপডেট সময় ০৩:১৯:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে রাস্তার পাশ থেকে সোহাগ খান (৩২) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতের পরিবারের দাবি জমির বিরোধে সোহাগকে হত্যা করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে সাইনবোর্ড শরণখোলা আঞ্চলিক মহাসড়কের মোরেলগঞ্জ উপজেলার আমতলা এলাকার রাস্তার পাশ সোহাগের মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত সোহাগ খান মোরেলগঞ্জ উপজেলার দৈবজ্ঞহাটি ইউনিয়নের বলইবুনিয়া গ্রামের প্রয়াত ইসাহাক খানের ছেলে।

নিহতের মা জাহানারা বেগম সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন ‘বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে খাবার খেয়ে আমি ও আমার ছেলে সোহাগ ঘুমিয়ে পড়ি। রাত বারোটা সাড়ে বারোটার দিকে আমার ছেলে সোহাগের মুঠোফোনে একটি ফোন আসে। সোহাগ ফোনটি রিসিভ করলে তাকে বাইরে যেতে বলে। এরপর সোহাগ আর বাড়িতে ফেরেনি।

সকালে স্থানীয়রা রাস্তার পাশে তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে বাড়িতে খবর দেয়। আমার স্বামী মারা যাওয়ার পর আমার সতীনের ছেলে ওবায়দুল খানের সাথে পৈত্রিক জমি নিয়ে বিরোধ হয়। জমির বিরোধ নিয়ে দুই ভাইয়ের মধ্যে বিবাদ ছিল। এই নিয়ে বিভিন্ন সময়ে সৎভাই ওবায়দুল সোহাগকে হুমকি ধামকি দেয়। সেই বিবাদের জের ধরে পৈত্রিক সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করতে সোহাগের সৎ ভাই ওবায়দুল খান সোহাগকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে নিহতের মা দাবি করেছেন। যারা আমার ছেলেকে হত্যা করেছে তাদের বিচার দাবি করেন তিনি।

নিহতের সৎভাই ওবায়দুল খান জমির বিরোধের অভিযোগ অস্বীকার করে সাংবাদিকদের বলেন, আমার সৎ ভাই সোহাগ সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছে।

মোরেলগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রাশেদুল আলম বলেন, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যেয়ে রাস্তার পাশ থেকে সোহাগের মরদেহ উদ্ধার করেছে। তার মাথার পেছনে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। যেহেতু রাস্তার পাশ থেকে সোহাগের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে তাই এটি হত্যা না সড়ক দুর্ঘটনা তা পুলিশ তদন্ত করে দেখছে। মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য বাগেরহাট সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।