ঢাকা ০৪:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সৌদি ক্রাউন প্রিন্সের চাপেই পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছিলাম: সাদ হারিরি

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

লেবাননের প্রধানমন্ত্রী সাদ হারিরি বলেছেন, সৌদি সরকার বিশেষ করে ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের প্রবল চাপেই দেশটিতে সফরে যেয়ে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছিলাম। ইরানের প্রভাব খর্ব এবং মধ্যপ্রাচ্যে আঞ্চলিক সংকট সৃষ্টির কারণেই সৌদি শাসকরা এধরনের চাপ সৃষ্টি করেছিল। লেবাননের প্রধানমন্ত্রী গত ৪ নভেম্বর সৌদি আরব সফরে যান এবং হঠাৎ করেই পদত্যাগের ঘোষণা দেন। অবশ্য এরপর তিনি ফ্রান্সে গিয়ে ফের লেবাননে ফিরে আসেন এবং পদত্যাগের ইচ্ছা পরিহার করেন। ডেইলি মেইল এ প্রতিবেদন দিয়ে বলছে, নিউইয়র্ক টাইমসকে হারিরির বেশ কয়েকজন ঘনিষ্ট কর্মকর্তা এ তথ্য দিয়েছেন।

তারা বলেন, এমনকি হারিরির পদত্যাগ পত্রটি লিখেও দিয়েছিলেন সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান। সৌদি আরবের পক্ষ থেকে লেবাননের প্রধানমন্ত্রী ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যার পরিকল্পনার জন্যে ইরানকে দায়ী করা হয়। এধরনের দোষারোপ করে মধ্রপ্রাচ্যে ইরানের প্রভাবকে ক্ষুণœ করার কথা ভেবেছিল সৌদি আরব। নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে আরো বলা হয় লেবাননে হিজবুল্লাহর প্রভাব খর্ব করতেও এমন পরিকল্পনা গ্রহণ করে সৌদি আরব। সৌদি শাসকরা আশা করেছিলেন, হারিরির পদত্যাগের ঘোষণা বিনা মেঘে বজ্রপাতের মতই মধ্যপ্রাচ্যে সংকট সৃষ্টি করবে।

তবে পশ্চিমা দেশগুলো ও লেবাননের প্রবল চাপে হারিরিকে সৌদি আরব ত্যাগ করতে দিতে বাধ্য হয় দেশটির শাসকরা। হারিরির পরিবারের সঙ্গে সৌদি সরকারের ঘনিষ্ঠতা অত্যন্ত প্রবল। তার বাবা লেবাননের সাবেক প্রধানমন্ত্রী রফিক হারিরি ২০০৫ সালে ইসরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে নিহত হন। সাদ হারিরি জন্মগ্রহণ করেন সৌদি আরবে এবং দেশটিতে তার ব্যবসা বাণিজ্য রয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সৌদি ক্রাউন প্রিন্সের চাপেই পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছিলাম: সাদ হারিরি

আপডেট সময় ০৫:২১:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

লেবাননের প্রধানমন্ত্রী সাদ হারিরি বলেছেন, সৌদি সরকার বিশেষ করে ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের প্রবল চাপেই দেশটিতে সফরে যেয়ে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছিলাম। ইরানের প্রভাব খর্ব এবং মধ্যপ্রাচ্যে আঞ্চলিক সংকট সৃষ্টির কারণেই সৌদি শাসকরা এধরনের চাপ সৃষ্টি করেছিল। লেবাননের প্রধানমন্ত্রী গত ৪ নভেম্বর সৌদি আরব সফরে যান এবং হঠাৎ করেই পদত্যাগের ঘোষণা দেন। অবশ্য এরপর তিনি ফ্রান্সে গিয়ে ফের লেবাননে ফিরে আসেন এবং পদত্যাগের ইচ্ছা পরিহার করেন। ডেইলি মেইল এ প্রতিবেদন দিয়ে বলছে, নিউইয়র্ক টাইমসকে হারিরির বেশ কয়েকজন ঘনিষ্ট কর্মকর্তা এ তথ্য দিয়েছেন।

তারা বলেন, এমনকি হারিরির পদত্যাগ পত্রটি লিখেও দিয়েছিলেন সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান। সৌদি আরবের পক্ষ থেকে লেবাননের প্রধানমন্ত্রী ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যার পরিকল্পনার জন্যে ইরানকে দায়ী করা হয়। এধরনের দোষারোপ করে মধ্রপ্রাচ্যে ইরানের প্রভাবকে ক্ষুণœ করার কথা ভেবেছিল সৌদি আরব। নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে আরো বলা হয় লেবাননে হিজবুল্লাহর প্রভাব খর্ব করতেও এমন পরিকল্পনা গ্রহণ করে সৌদি আরব। সৌদি শাসকরা আশা করেছিলেন, হারিরির পদত্যাগের ঘোষণা বিনা মেঘে বজ্রপাতের মতই মধ্যপ্রাচ্যে সংকট সৃষ্টি করবে।

তবে পশ্চিমা দেশগুলো ও লেবাননের প্রবল চাপে হারিরিকে সৌদি আরব ত্যাগ করতে দিতে বাধ্য হয় দেশটির শাসকরা। হারিরির পরিবারের সঙ্গে সৌদি সরকারের ঘনিষ্ঠতা অত্যন্ত প্রবল। তার বাবা লেবাননের সাবেক প্রধানমন্ত্রী রফিক হারিরি ২০০৫ সালে ইসরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে নিহত হন। সাদ হারিরি জন্মগ্রহণ করেন সৌদি আরবে এবং দেশটিতে তার ব্যবসা বাণিজ্য রয়েছে।