ঢাকা ০৬:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের শান্তিতে নির্বাচন করতে দেব না: আসিফ মাহমুদ ‘আমি রুমিন ফারহানা, আমার কোনো দল লাগে না’ গুম হওয়া পরিবারের আর্তনাদ শুনে কাঁদলেন তারেক রহমান কালি নয়, জুলাই জাতীয় সনদ ‘রক্ত ও প্রাণের বিনিময়ে’ লেখা হয়েছে : আলী রীয়াজ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন লুৎফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী ওসমানী মেডিকেলে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলা, চলছে কর্মবিরতি নির্বাচন ব্যর্থ হলে শুধু সরকার নয়, পুরো দেশবাসীকেই এর ভয়াবহ খেসারত দিতে হবে : দুদু আন্দোলনের সুফল একটি দলের ঘরে নেওয়ার চেষ্টা বিফলে যাবে : ডা. জাহিদ ঢাকাকে হারিয়ে প্লে-অফ নিশ্চিত করল রংপুর রাইডার্স খালেদা জিয়ার আদর্শই হবে আগামীর চালিকাশক্তি : খন্দকার মোশাররফ

অজ্ঞাত উড়ন্ত বস্তু ধরতে ২২ মিলিয়ন ডলার খরচ যুক্তরাষ্ট্রের

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনিতে ফ্লাইং সসার বা এ ধরনের অদ্ভুত উড়ন্ত বস্তুর কথা বলা হয় যাতে করে অন্য গ্রহের প্রাণীরা চলাচল করে। কিন্তু বাস্তবে তার অস্তিত্ব আছে কি না তা নিয়ে সন্দীহান বিজ্ঞানীরা। খবর বিবিসির। এবার মার্কিন গণমাধ্যম বলছে, পেন্টাগন স্বীকার করেছে তারা আনআইডেন্টিফাইড ফ্লাইং অবজেক্ট (ইউএফও)’র মতো বিষয়ে তদন্তে কোটি কোটি ডলারের গোপন প্রকল্প চালিয়ে আসছে।

নিউইয়র্ক টাইমস বলছে, ১০ বছর আগে ওই প্রকল্পটি শুরু হয়। ২০০৭ সালে শুরু হয়ে ২০১২ সালে তা বন্ধ করে দেয়া হয় বলে খবরে বলা হয়েছে। এই গোপন কর্মসূচির বিষয়ে জানতেন কেবল হাতে গোনা কয়েকজন কর্মকর্তা। এই প্রকল্প একজন সাবেক ডেমোক্রেট সিনেটর হ্যারি রেইড-এর মস্তিষ্ক প্রসূত।

নিউইয়র্ক টাইমস পত্রিকাকে তিনি বলেন, ‘এই কর্মকাণ্ড চালানোর জন্য আমি মোটেই লজ্জিত, বিব্রত বা দুঃখিত নই। আমি এমনকিছু করেছি যেটি আগে কেউ করেনি।’ ব্যয় কমানোর জন্য এই কার্যক্রম বন্ধ করার আগ পর্যন্ত প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এ খাতে ২২ মিলিয়ন ডলার খরচ করে।

একজন সাবেক কংগ্রেস কর্মকর্তা বলেছেন, বিদেশি শত্রুদের প্রযুক্তিগত অগ্রগতি নজরদারির জন্য এই গোপন কর্মসূচি চালু করা হয়েছিল বলে তিনি মনে করেন। এই বছরের শুরুর দিকে প্রকাশিত সিআইএ’র হাজার হাজার গোপন নথিতেও ইউএফও এবং ফ্লাইং সসার সংক্রান্ত কাগজপত্র রয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের শান্তিতে নির্বাচন করতে দেব না: আসিফ মাহমুদ

অজ্ঞাত উড়ন্ত বস্তু ধরতে ২২ মিলিয়ন ডলার খরচ যুক্তরাষ্ট্রের

আপডেট সময় ১১:০৮:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনিতে ফ্লাইং সসার বা এ ধরনের অদ্ভুত উড়ন্ত বস্তুর কথা বলা হয় যাতে করে অন্য গ্রহের প্রাণীরা চলাচল করে। কিন্তু বাস্তবে তার অস্তিত্ব আছে কি না তা নিয়ে সন্দীহান বিজ্ঞানীরা। খবর বিবিসির। এবার মার্কিন গণমাধ্যম বলছে, পেন্টাগন স্বীকার করেছে তারা আনআইডেন্টিফাইড ফ্লাইং অবজেক্ট (ইউএফও)’র মতো বিষয়ে তদন্তে কোটি কোটি ডলারের গোপন প্রকল্প চালিয়ে আসছে।

নিউইয়র্ক টাইমস বলছে, ১০ বছর আগে ওই প্রকল্পটি শুরু হয়। ২০০৭ সালে শুরু হয়ে ২০১২ সালে তা বন্ধ করে দেয়া হয় বলে খবরে বলা হয়েছে। এই গোপন কর্মসূচির বিষয়ে জানতেন কেবল হাতে গোনা কয়েকজন কর্মকর্তা। এই প্রকল্প একজন সাবেক ডেমোক্রেট সিনেটর হ্যারি রেইড-এর মস্তিষ্ক প্রসূত।

নিউইয়র্ক টাইমস পত্রিকাকে তিনি বলেন, ‘এই কর্মকাণ্ড চালানোর জন্য আমি মোটেই লজ্জিত, বিব্রত বা দুঃখিত নই। আমি এমনকিছু করেছি যেটি আগে কেউ করেনি।’ ব্যয় কমানোর জন্য এই কার্যক্রম বন্ধ করার আগ পর্যন্ত প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এ খাতে ২২ মিলিয়ন ডলার খরচ করে।

একজন সাবেক কংগ্রেস কর্মকর্তা বলেছেন, বিদেশি শত্রুদের প্রযুক্তিগত অগ্রগতি নজরদারির জন্য এই গোপন কর্মসূচি চালু করা হয়েছিল বলে তিনি মনে করেন। এই বছরের শুরুর দিকে প্রকাশিত সিআইএ’র হাজার হাজার গোপন নথিতেও ইউএফও এবং ফ্লাইং সসার সংক্রান্ত কাগজপত্র রয়েছে।