ঢাকা ১১:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

অজ্ঞাত উড়ন্ত বস্তু ধরতে ২২ মিলিয়ন ডলার খরচ যুক্তরাষ্ট্রের

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনিতে ফ্লাইং সসার বা এ ধরনের অদ্ভুত উড়ন্ত বস্তুর কথা বলা হয় যাতে করে অন্য গ্রহের প্রাণীরা চলাচল করে। কিন্তু বাস্তবে তার অস্তিত্ব আছে কি না তা নিয়ে সন্দীহান বিজ্ঞানীরা। খবর বিবিসির। এবার মার্কিন গণমাধ্যম বলছে, পেন্টাগন স্বীকার করেছে তারা আনআইডেন্টিফাইড ফ্লাইং অবজেক্ট (ইউএফও)’র মতো বিষয়ে তদন্তে কোটি কোটি ডলারের গোপন প্রকল্প চালিয়ে আসছে।

নিউইয়র্ক টাইমস বলছে, ১০ বছর আগে ওই প্রকল্পটি শুরু হয়। ২০০৭ সালে শুরু হয়ে ২০১২ সালে তা বন্ধ করে দেয়া হয় বলে খবরে বলা হয়েছে। এই গোপন কর্মসূচির বিষয়ে জানতেন কেবল হাতে গোনা কয়েকজন কর্মকর্তা। এই প্রকল্প একজন সাবেক ডেমোক্রেট সিনেটর হ্যারি রেইড-এর মস্তিষ্ক প্রসূত।

নিউইয়র্ক টাইমস পত্রিকাকে তিনি বলেন, ‘এই কর্মকাণ্ড চালানোর জন্য আমি মোটেই লজ্জিত, বিব্রত বা দুঃখিত নই। আমি এমনকিছু করেছি যেটি আগে কেউ করেনি।’ ব্যয় কমানোর জন্য এই কার্যক্রম বন্ধ করার আগ পর্যন্ত প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এ খাতে ২২ মিলিয়ন ডলার খরচ করে।

একজন সাবেক কংগ্রেস কর্মকর্তা বলেছেন, বিদেশি শত্রুদের প্রযুক্তিগত অগ্রগতি নজরদারির জন্য এই গোপন কর্মসূচি চালু করা হয়েছিল বলে তিনি মনে করেন। এই বছরের শুরুর দিকে প্রকাশিত সিআইএ’র হাজার হাজার গোপন নথিতেও ইউএফও এবং ফ্লাইং সসার সংক্রান্ত কাগজপত্র রয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

অজ্ঞাত উড়ন্ত বস্তু ধরতে ২২ মিলিয়ন ডলার খরচ যুক্তরাষ্ট্রের

আপডেট সময় ১১:০৮:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনিতে ফ্লাইং সসার বা এ ধরনের অদ্ভুত উড়ন্ত বস্তুর কথা বলা হয় যাতে করে অন্য গ্রহের প্রাণীরা চলাচল করে। কিন্তু বাস্তবে তার অস্তিত্ব আছে কি না তা নিয়ে সন্দীহান বিজ্ঞানীরা। খবর বিবিসির। এবার মার্কিন গণমাধ্যম বলছে, পেন্টাগন স্বীকার করেছে তারা আনআইডেন্টিফাইড ফ্লাইং অবজেক্ট (ইউএফও)’র মতো বিষয়ে তদন্তে কোটি কোটি ডলারের গোপন প্রকল্প চালিয়ে আসছে।

নিউইয়র্ক টাইমস বলছে, ১০ বছর আগে ওই প্রকল্পটি শুরু হয়। ২০০৭ সালে শুরু হয়ে ২০১২ সালে তা বন্ধ করে দেয়া হয় বলে খবরে বলা হয়েছে। এই গোপন কর্মসূচির বিষয়ে জানতেন কেবল হাতে গোনা কয়েকজন কর্মকর্তা। এই প্রকল্প একজন সাবেক ডেমোক্রেট সিনেটর হ্যারি রেইড-এর মস্তিষ্ক প্রসূত।

নিউইয়র্ক টাইমস পত্রিকাকে তিনি বলেন, ‘এই কর্মকাণ্ড চালানোর জন্য আমি মোটেই লজ্জিত, বিব্রত বা দুঃখিত নই। আমি এমনকিছু করেছি যেটি আগে কেউ করেনি।’ ব্যয় কমানোর জন্য এই কার্যক্রম বন্ধ করার আগ পর্যন্ত প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এ খাতে ২২ মিলিয়ন ডলার খরচ করে।

একজন সাবেক কংগ্রেস কর্মকর্তা বলেছেন, বিদেশি শত্রুদের প্রযুক্তিগত অগ্রগতি নজরদারির জন্য এই গোপন কর্মসূচি চালু করা হয়েছিল বলে তিনি মনে করেন। এই বছরের শুরুর দিকে প্রকাশিত সিআইএ’র হাজার হাজার গোপন নথিতেও ইউএফও এবং ফ্লাইং সসার সংক্রান্ত কাগজপত্র রয়েছে।