ঢাকা ০৫:৩২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী খুন,পুলিশের সন্দেহের তালিকায় পলাতক রেস্তোরাঁ কর্মী স্বৈরাচারের লোকেরা নির্বাচন ভণ্ডুলের চেষ্টা করবে: ড. মুহাম্মদ ইউনূস গাজীপুরে নবজাতকের লাশ নিয়ে কুকুরের টানাহ্যাঁচড়া, উদ্ধার করল পুলিশ ধর্মকে পুঁজি করে মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে, ধোঁকা দেওয়া হচ্ছে : খায়রুল কবির খোকন দলে বড় নাম থাকলেও জেতার জন্য সবাইকে আরও দায়িত্ব নিতে হবে: সোহান ২৫ জন বাংলাদেশিকে ক্ষমা করল আমিরাত দেশের ভবিষ্যত গড়ার জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয় নিশ্চিত করতে হবে : চরমোনাই পীর ব্যালটবাক্স ভরে কোনো নির্দিষ্ট প্রতীকের জয়ের সুযোগ নেই: রুমিন ফারহানা এইচএসসি পাসে নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ , রোগী দেখেন দুই জেলায়

কুমিল্লায় পাইরেসি চক্রের ১৯ সদস্য আটক

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কুমিল্লায় বিপুল পরিমাণ পাইরেটেড ও অশ্লীল অডিও-ভিডিও সিডি তৈরির সরঞ্জামাদিসহ পাইরেসি চক্রের ১৯ সদস্যকে আটক করেছে র‌্যাব। মঙ্গলবার রাতে অভিযান পরিচালনা করে কুমিল্লা টাউন হল সুপার মার্কেট থেকে তাদের আটক করা হয়েছে বলে জানান র‌্যাব-১১ কুমিল্লার সিপিসি-২ কুমিল্লা কমান্ডার মেজর আরিফুর রহমান।

পর্নোগ্রাফি ও পাইরেসি চক্রের সদস্যরা হলেন- মো. সুমন, মো. মহিউদ্দিন সোহাগ, সুজন চন্দ্র দাস, নয়ন দত্ত, মো. তারেক, মো. কামরুল ইসলাম, মো. সাইফুল ইসলাম মিশু, জনি সাহা, মো. আব্দুর রহিম, মো. রোমান, শ্রী অজিত কুমার দে, শ্রী শ্যামল চন্দ্র কর্মকার, সূর্য চক্রবর্তী, মো. রাফাত, মো. খোকন মাহমুদ, সৌরভ দাস, মোহাম্মদ আলী রিয়াদ, মাহমুদ হাসান ছোটন ও অর্জুন বেনাথ।

বুধবার র‌্যাবের প্রেস ব্রিফিংয়ে কুমিল্লা কমান্ডার মেজর আরিফুর রহমান জানান, চলচ্চিত্রে অশ্লীলতা ও পাইরেসির বিরুদ্ধে চলমান অভিযানের ধারাবাহিকতায় টাস্কফোর্স-এর এমআর আলম চৌধুরী নেতৃত্বে ফোর্সসহ অভিযান পরিচালনা করে পর্নোগ্রাফি ও পাইরেসি চক্রের ১৯ সদস্যকে আটক করা হয়েছে। এসময় তাদের থেকে ২০টি মনিটর, ২০টি সিপিউ, ১টি ল্যাপটপ ও হার্ডডিস্ক, ৬টি ক্যাবল এবং ২ হাজার ৪৯৫টি পাইরেটেড সিডি উদ্ধার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্ততি চলছে।

তিনি বলেন, আটকদের র‌্যাবের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা বলেন, বিভিন্ন সিনেমা হলে গোপন ক্যামরায় ধারনের মাধ্যমে সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত পাওয়া সিনেমাগুলো নকল ও কপি করে বাজারে বিক্রয় করতেন। এসব কাজে সিনেমা হলের কর্মচারী বা মালিকরাও তাদের সহায়তা করতেন। এছাড়া মিউজিক্যাল স্টুডিও এবং অ্যাডফার্ডের কলাকুশলীদের সাথে যোগাযোগের মাধ্যমে নতুন মিউজিক ভিডিওসমূহ সংগ্রহ করে। ওই সকল ভিডিওর সাথে তারা অশ্লীল ছবির অংশ সংযোগ করে। তারপর নতুন করে সিডি তৈরি করে বাজারে বিক্রয় করে আসছেন। বাংলাদেশের বিভিন্ন নায়ক-নায়িকা ও সাধারণ ফেসবুক ব্যবহারকারীদের ছবি সংগ্রহ করে ফটোশপে এডিটিংয়ের মাধ্যমে বিভিন্ন সিডির কভার হিসেবে ব্যবহার করছে।

মেজর আরিফুর রহমান বলেন, আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। জেলাসহ বিভিন্ন উপজেলায় র‌্যাবের তদন্ত চলছে। সন্ধান ফেলেই অভিযান চালাব এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার চেষ্টা করব।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট

কুমিল্লায় পাইরেসি চক্রের ১৯ সদস্য আটক

আপডেট সময় ০৫:৪৪:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ ডিসেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কুমিল্লায় বিপুল পরিমাণ পাইরেটেড ও অশ্লীল অডিও-ভিডিও সিডি তৈরির সরঞ্জামাদিসহ পাইরেসি চক্রের ১৯ সদস্যকে আটক করেছে র‌্যাব। মঙ্গলবার রাতে অভিযান পরিচালনা করে কুমিল্লা টাউন হল সুপার মার্কেট থেকে তাদের আটক করা হয়েছে বলে জানান র‌্যাব-১১ কুমিল্লার সিপিসি-২ কুমিল্লা কমান্ডার মেজর আরিফুর রহমান।

পর্নোগ্রাফি ও পাইরেসি চক্রের সদস্যরা হলেন- মো. সুমন, মো. মহিউদ্দিন সোহাগ, সুজন চন্দ্র দাস, নয়ন দত্ত, মো. তারেক, মো. কামরুল ইসলাম, মো. সাইফুল ইসলাম মিশু, জনি সাহা, মো. আব্দুর রহিম, মো. রোমান, শ্রী অজিত কুমার দে, শ্রী শ্যামল চন্দ্র কর্মকার, সূর্য চক্রবর্তী, মো. রাফাত, মো. খোকন মাহমুদ, সৌরভ দাস, মোহাম্মদ আলী রিয়াদ, মাহমুদ হাসান ছোটন ও অর্জুন বেনাথ।

বুধবার র‌্যাবের প্রেস ব্রিফিংয়ে কুমিল্লা কমান্ডার মেজর আরিফুর রহমান জানান, চলচ্চিত্রে অশ্লীলতা ও পাইরেসির বিরুদ্ধে চলমান অভিযানের ধারাবাহিকতায় টাস্কফোর্স-এর এমআর আলম চৌধুরী নেতৃত্বে ফোর্সসহ অভিযান পরিচালনা করে পর্নোগ্রাফি ও পাইরেসি চক্রের ১৯ সদস্যকে আটক করা হয়েছে। এসময় তাদের থেকে ২০টি মনিটর, ২০টি সিপিউ, ১টি ল্যাপটপ ও হার্ডডিস্ক, ৬টি ক্যাবল এবং ২ হাজার ৪৯৫টি পাইরেটেড সিডি উদ্ধার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্ততি চলছে।

তিনি বলেন, আটকদের র‌্যাবের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা বলেন, বিভিন্ন সিনেমা হলে গোপন ক্যামরায় ধারনের মাধ্যমে সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত পাওয়া সিনেমাগুলো নকল ও কপি করে বাজারে বিক্রয় করতেন। এসব কাজে সিনেমা হলের কর্মচারী বা মালিকরাও তাদের সহায়তা করতেন। এছাড়া মিউজিক্যাল স্টুডিও এবং অ্যাডফার্ডের কলাকুশলীদের সাথে যোগাযোগের মাধ্যমে নতুন মিউজিক ভিডিওসমূহ সংগ্রহ করে। ওই সকল ভিডিওর সাথে তারা অশ্লীল ছবির অংশ সংযোগ করে। তারপর নতুন করে সিডি তৈরি করে বাজারে বিক্রয় করে আসছেন। বাংলাদেশের বিভিন্ন নায়ক-নায়িকা ও সাধারণ ফেসবুক ব্যবহারকারীদের ছবি সংগ্রহ করে ফটোশপে এডিটিংয়ের মাধ্যমে বিভিন্ন সিডির কভার হিসেবে ব্যবহার করছে।

মেজর আরিফুর রহমান বলেন, আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। জেলাসহ বিভিন্ন উপজেলায় র‌্যাবের তদন্ত চলছে। সন্ধান ফেলেই অভিযান চালাব এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার চেষ্টা করব।