ঢাকা ০৫:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সরকার ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: বাণিজ্যমন্ত্রী ভাতার আওতায় এলেন আরও ১৭১ খেলোয়াড় তেলের দাম বিশ্ববাজারে দ্বিগুণ বাড়লেও আমরা সামান্য বাড়িয়েছি: জ্বালানি মন্ত্রী আইএমএফের চাপে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়নি: অর্থমন্ত্রী জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি সাধারণ মানুষের কাছে ‘মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা’: গোলাম পরওয়ার ইসরাইল বিজয় ছিনিয়ে আনতে জানে: ট্রাম্প মেরিন ড্রাইভে প্রাইভেটকারে আগুন, অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন যাত্রীরা নেতানিয়াহুর প্ররোচনায় ইরানযুদ্ধে জড়িয়েছেন ট্রাম্প: কমলা হ্যারিস ১০৭ বছরের পুরোনো মাঠ দখলমুক্ত করার ঘোষণা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর চাকরি পুনর্বহাল চেয়ে মতিঝিলে ৬ ইসলামী ব্যাংকের সাবেক কর্মীদের অবস্থান

ঘুষের ভাগ নিয়ে পুলিশ সদস্যদের বিরোধ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে আসামিদের ছাড়িয়ে নিতে পুলিশের সঙ্গে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রাপ্ত টাকার ভাগ-বাঁটোয়ারা নিয়ে পুলিশের সদস্যদের মধ্যে বিরোধও দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে এসআই মতিউর রহমান ও উসমান গণির মধ্যে চলছে এ বিরোধ।

পুলিশ সূত্র জানা যায়, সোমবার ভোরে ভৈরবের শ্রীনগর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি মুছা মিয়াকে শ্রীনগরের নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়। স্বেচ্ছাসেবক লীগের এই নেতা এলাকায় মাদক ব্যবসার একটি শক্তিশালী চক্র গড়ে তোলেন। তার বিরুদ্ধে ভৈরব থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একাধিক মামলা রয়েছে।

এই ঘটনায় মতিউর রহমান বাদী হয়ে মাদক আইনে দুটি মামলা করেন। একটি মামলায় মুছার কাছ থেকে ২০০ এবং অপর মামলায় শুভ ও মিজানের কাছ থেকে ৫০০ ইয়াবা বড়ি উদ্ধার করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। গ্রেফতার তিনজনকে আদালতের মাধ্যমে কিশোরগঞ্জ কারাগারে পাঠানো হয়।

তবে উদ্ধার হওয়া ইয়াবার হিসাব নিয়ে স্বচ্ছতার প্রশ্ন উঠেছে। এ ছাড়া মোটা অঙ্কের ঘুষ নিয়ে ওই মাদকচক্রের এক সহযোগীকে পুলিশ ছেড়ে দিয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগের বিষয়ে মতিউর রহমান অকপটে অর্থ লেনদেনের কথা স্বীকার করেন। তিনি বলেন, ‘আসামিদের ছাড়িয়ে নিতে মুছার সঙ্গে দেড় লাখ টাকার লেনদেন হয় উসমানের। এই টাকা আমি না নিয়ে আসামিদের চালান করে দিয়েছি।’

উসমান বলেন, ‘অভিযানে আমি ছিলাম না। রফাদফার প্রস্তাব আসে মতিউরের কাছ থেকে। সেই অনুযায়ী মুছার সঙ্গে কথা হয়। দেড় লাখ টাকা পেয়েছিলাম। পরে বুঝতে পারছিলাম, টাকা নিয়ে মতিউর আসামি ছাড়ার ব্যাপারে গড়িমসি করতে পারেন।

অভিযানে অংশ নেওয়া এসআই মাজহারুল ইসলাম জানান, বাসস্ট্যান্ডে অভিযানের সময় শ্রীনগর গ্রামের মাদক ব্যবসায়ী আলী পালিয়ে যান। তবে কাউকে ছেড়ে দেওয়া হয়নি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

সরকার ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: বাণিজ্যমন্ত্রী

ঘুষের ভাগ নিয়ে পুলিশ সদস্যদের বিরোধ

আপডেট সময় ০৩:১৩:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে আসামিদের ছাড়িয়ে নিতে পুলিশের সঙ্গে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রাপ্ত টাকার ভাগ-বাঁটোয়ারা নিয়ে পুলিশের সদস্যদের মধ্যে বিরোধও দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে এসআই মতিউর রহমান ও উসমান গণির মধ্যে চলছে এ বিরোধ।

পুলিশ সূত্র জানা যায়, সোমবার ভোরে ভৈরবের শ্রীনগর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি মুছা মিয়াকে শ্রীনগরের নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়। স্বেচ্ছাসেবক লীগের এই নেতা এলাকায় মাদক ব্যবসার একটি শক্তিশালী চক্র গড়ে তোলেন। তার বিরুদ্ধে ভৈরব থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একাধিক মামলা রয়েছে।

এই ঘটনায় মতিউর রহমান বাদী হয়ে মাদক আইনে দুটি মামলা করেন। একটি মামলায় মুছার কাছ থেকে ২০০ এবং অপর মামলায় শুভ ও মিজানের কাছ থেকে ৫০০ ইয়াবা বড়ি উদ্ধার করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। গ্রেফতার তিনজনকে আদালতের মাধ্যমে কিশোরগঞ্জ কারাগারে পাঠানো হয়।

তবে উদ্ধার হওয়া ইয়াবার হিসাব নিয়ে স্বচ্ছতার প্রশ্ন উঠেছে। এ ছাড়া মোটা অঙ্কের ঘুষ নিয়ে ওই মাদকচক্রের এক সহযোগীকে পুলিশ ছেড়ে দিয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগের বিষয়ে মতিউর রহমান অকপটে অর্থ লেনদেনের কথা স্বীকার করেন। তিনি বলেন, ‘আসামিদের ছাড়িয়ে নিতে মুছার সঙ্গে দেড় লাখ টাকার লেনদেন হয় উসমানের। এই টাকা আমি না নিয়ে আসামিদের চালান করে দিয়েছি।’

উসমান বলেন, ‘অভিযানে আমি ছিলাম না। রফাদফার প্রস্তাব আসে মতিউরের কাছ থেকে। সেই অনুযায়ী মুছার সঙ্গে কথা হয়। দেড় লাখ টাকা পেয়েছিলাম। পরে বুঝতে পারছিলাম, টাকা নিয়ে মতিউর আসামি ছাড়ার ব্যাপারে গড়িমসি করতে পারেন।

অভিযানে অংশ নেওয়া এসআই মাজহারুল ইসলাম জানান, বাসস্ট্যান্ডে অভিযানের সময় শ্রীনগর গ্রামের মাদক ব্যবসায়ী আলী পালিয়ে যান। তবে কাউকে ছেড়ে দেওয়া হয়নি।