অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
পাইকগাছা সার্জিক্যাল ক্লিনিকে ডাক্তারের অবহেলা ও ভুল চিকিৎসার কারণে ৮ মাসের গর্ভবতী মহিলা ভারতী রাণী মন্ডলের মৃত্যু হয়েছে। একটি মহল বিষয়টি ধামা চাপা দেয়ার জন্য দৌড়ঝাপ শুরু করেছে। সুষ্ঠু তদন্তের দাবি এলাকাবাসীর।
জানা যায়, উপজেলার খড়িয়া ঠাকুরণবাড়ীর চক গ্রামের তারক মন্ডলের ৮ মাসের গর্ভবতী স্ত্রী ভারতী রাণী (২৫) অসুস্থবোধ করলে ২৬ নভেম্বর রবিবার সকালে সার্জিক্যাল ক্লিনিকে ভর্তি করে। ভর্তির পর সারাদিন রোগীর দিকে কোন খেয়াল না করার কারণে সন্ধ্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে ঐ সময় উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প. কর্মকর্তা ডা. প্রভাত কুমার দাশ ক্লিনিকে ছুটে এসে রোগী দেখেন। ডাক্তার রোগী দেখার পরপরই রাত ৮টার দিকে ভারতী রাণী মৃত্যুর কোলে ঢোলে পড়ে।
অভিযোগ উঠেছে, স্বাস্থ্য নীতি উপেক্ষা করে নার্স-ডাক্তার বাস্তবে না থাকলেও কাগজে-কলমে দেখিয়ে দেদারসে ক্লিনিক চালিয়ে যাচ্ছে। ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ অপারেশন রোগী ভর্তি করে ভাড়াটে ডাক্তার নিয়ে অপারেশন করে থাকেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ক্লিনিকে থাকা অনেক রোগী জানান, ক্লিনিকের নিচে কাঁকড়া ও কুচির ডিপো থাকায় দুর্গন্ধে রোগীরা আরো অসুস্থ হয়ে পড়ছে। এমনকি রোগীর সাথে থাকা স্বজনরাও রোগী হয়ে যাচ্ছে।
মৃত ভারতী রাণীর ভগ্নিপতি সুজিত জানান, ক্লিনিকে দায়িত্বে থাকা চিকিৎসকের অবহেলা ও ভুল চিকিৎসার কারণে ৮ মাসের গর্ভবতী আমার শ্যালিকার মৃত্যু হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানান।
ক্লিনিকে থাকা কর্মরত ডা. প্রভাত কুমার দাশ জানান, ঐ দিন ভোরে রোগী আমার চেম্বারে নিয়ে আসলে রোগীকে দেখে খুলনায় নেয়ার পরামর্শ দেই। কিন্তু সন্ধ্যায় আমি ক্লিনিকে যেয়ে দেখি রোগী সেখানে অবস্থান করছে। তার অবস্থা এতই খারাপ ছিল দ্রুত খুলনায় নেয়ার পরামর্শ দেই। ক্লিনিক মালিক তৃপ্তি রঞ্জন ভারতে অবস্থান করায় তার কোন মন্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 
























