ঢাকা ০৭:০৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী খুন,পুলিশের সন্দেহের তালিকায় পলাতক রেস্তোরাঁ কর্মী স্বৈরাচারের লোকেরা নির্বাচন ভণ্ডুলের চেষ্টা করবে: ড. মুহাম্মদ ইউনূস গাজীপুরে নবজাতকের লাশ নিয়ে কুকুরের টানাহ্যাঁচড়া, উদ্ধার করল পুলিশ ধর্মকে পুঁজি করে মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে, ধোঁকা দেওয়া হচ্ছে : খায়রুল কবির খোকন দলে বড় নাম থাকলেও জেতার জন্য সবাইকে আরও দায়িত্ব নিতে হবে: সোহান ২৫ জন বাংলাদেশিকে ক্ষমা করল আমিরাত দেশের ভবিষ্যত গড়ার জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয় নিশ্চিত করতে হবে : চরমোনাই পীর ব্যালটবাক্স ভরে কোনো নির্দিষ্ট প্রতীকের জয়ের সুযোগ নেই: রুমিন ফারহানা এইচএসসি পাসে নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ , রোগী দেখেন দুই জেলায়

কিশোরগঞ্জে অবুঝ শিশুর পুরুষাঙ্গ কেটে দিলেন চাচা-চাচী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ছোট শিশুদের ঝগড়াকে কেন্দ্র করে রাতের আঁধারে পৌনে দুই বছরের শিশুর পুরুষাঙ্গ ধারালো ব্লেড দিয়ে কেটে দিয়েছেন শিশুটির চাচা-চাচী। নির্মম এ ঘটনার শিকার হয়েছে নাজিজুল আমিন (২১ মাস) নামের এক শিশু।

ঘটনাটি ঘটেছে গত সোমবার রাতে কিশোরগঞ্জ জেলার কটিয়াদী উপজেলার পার্শ্ববর্তী খাসালা গজারিয়া গ্রামে। খাসালা গজারিয়া বাজিতপুর উপজেলার পশ্চিম সীমান্তবর্তী গ্রাম।

নাজিজুল খাসালা গজারিয়া গ্রামের মো. হামিদ মিয়ার পুত্র। এ ঘটনায় শিশুটির চাচা সবুজ মিয়া (৩৫) ও চাচী রোকসানা বেগমকে (২৫) পুলিশ গ্রেফতার করেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার আসামিদের রিমান্ডের আবেদন করেছে পুলিশ। নির্মম এ ঘটনায় এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

এলাকাবাসী ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার তিন দিন পূর্বে বাদী মো. হামিদ মিয়ার পুত্র নুরুল আমিন (৯) ও সবুজ মিয়ার পুত্র শাওনের (১২) মধ্যে ঝগড়াকে কেন্দ্র করে দুই পরিবারের বড়দের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছিল।

গত সোমবার রাতে হামিদ মিয়ার স্ত্রী আছমা বেগম প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে ঘর থেকে বের হলে সবুজ মিয়া ও রোকসানা আছমার ঘরে প্রবেশ করে ধারালো ব্লেড দিয়ে শিশু নাজিজুলের পুরুষাঙ্গ কেটে পালানোর চেষ্টা করেন। এ সময় আছমা বেগম তাদের দেখে ফেলেন এবং শিশুটির কান্না শুনতে পান।

ঘরে প্রবেশ করে তার শিশু সন্তানের পুরুষাঙ্গ কাটা দেখে চিৎকার করলে তার স্বামী হামিদ মিয়া ও প্রতিবেশীরা ঘটনাস্থলে আসেন। তারা দ্রুত শিশুটিকে ভাগলপুর জহুরুল ইসলাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়।

এ ঘটনায় শিশুটির পিতা হামিদ মিয়া বাদী হয়ে সবুজ মিয়া ও রোকসানাকে আসামি করে বাজিতপুর থানায় একটি মামলা করলে পুলিশ উভয়কে গ্রেফতার ও বসতঘর থেকে রক্তমাখা কাপড় উদ্ধার করে।

নাজিজুলের মামা রুহুল আমিন জানান, দুই পরিবারের মাঝে পূর্ব থেকে কলহ বিরাজ করছিল। তিনি পাষণ্ডদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই শাখাওয়াত হোসেন জানান, এ রকম অপরাধ বিরল। নিষ্পাপ শিশুটির পুরুষাঙ্গ কেটে হত্যা করাই ছিল তাদের উদ্দেশ্য। আসামিদের গ্রেফতার করে জেলহাজতে পাঠানো ও আলামত জব্দ করা হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট

কিশোরগঞ্জে অবুঝ শিশুর পুরুষাঙ্গ কেটে দিলেন চাচা-চাচী

আপডেট সময় ১১:১১:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ছোট শিশুদের ঝগড়াকে কেন্দ্র করে রাতের আঁধারে পৌনে দুই বছরের শিশুর পুরুষাঙ্গ ধারালো ব্লেড দিয়ে কেটে দিয়েছেন শিশুটির চাচা-চাচী। নির্মম এ ঘটনার শিকার হয়েছে নাজিজুল আমিন (২১ মাস) নামের এক শিশু।

ঘটনাটি ঘটেছে গত সোমবার রাতে কিশোরগঞ্জ জেলার কটিয়াদী উপজেলার পার্শ্ববর্তী খাসালা গজারিয়া গ্রামে। খাসালা গজারিয়া বাজিতপুর উপজেলার পশ্চিম সীমান্তবর্তী গ্রাম।

নাজিজুল খাসালা গজারিয়া গ্রামের মো. হামিদ মিয়ার পুত্র। এ ঘটনায় শিশুটির চাচা সবুজ মিয়া (৩৫) ও চাচী রোকসানা বেগমকে (২৫) পুলিশ গ্রেফতার করেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার আসামিদের রিমান্ডের আবেদন করেছে পুলিশ। নির্মম এ ঘটনায় এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

এলাকাবাসী ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার তিন দিন পূর্বে বাদী মো. হামিদ মিয়ার পুত্র নুরুল আমিন (৯) ও সবুজ মিয়ার পুত্র শাওনের (১২) মধ্যে ঝগড়াকে কেন্দ্র করে দুই পরিবারের বড়দের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছিল।

গত সোমবার রাতে হামিদ মিয়ার স্ত্রী আছমা বেগম প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে ঘর থেকে বের হলে সবুজ মিয়া ও রোকসানা আছমার ঘরে প্রবেশ করে ধারালো ব্লেড দিয়ে শিশু নাজিজুলের পুরুষাঙ্গ কেটে পালানোর চেষ্টা করেন। এ সময় আছমা বেগম তাদের দেখে ফেলেন এবং শিশুটির কান্না শুনতে পান।

ঘরে প্রবেশ করে তার শিশু সন্তানের পুরুষাঙ্গ কাটা দেখে চিৎকার করলে তার স্বামী হামিদ মিয়া ও প্রতিবেশীরা ঘটনাস্থলে আসেন। তারা দ্রুত শিশুটিকে ভাগলপুর জহুরুল ইসলাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়।

এ ঘটনায় শিশুটির পিতা হামিদ মিয়া বাদী হয়ে সবুজ মিয়া ও রোকসানাকে আসামি করে বাজিতপুর থানায় একটি মামলা করলে পুলিশ উভয়কে গ্রেফতার ও বসতঘর থেকে রক্তমাখা কাপড় উদ্ধার করে।

নাজিজুলের মামা রুহুল আমিন জানান, দুই পরিবারের মাঝে পূর্ব থেকে কলহ বিরাজ করছিল। তিনি পাষণ্ডদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই শাখাওয়াত হোসেন জানান, এ রকম অপরাধ বিরল। নিষ্পাপ শিশুটির পুরুষাঙ্গ কেটে হত্যা করাই ছিল তাদের উদ্দেশ্য। আসামিদের গ্রেফতার করে জেলহাজতে পাঠানো ও আলামত জব্দ করা হয়েছে।