ঢাকা ০৪:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস সার্ভিস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর জামায়াতকে ডেপুটি স্পিকার পদ নেয়ার প্রস্তাব দিয়েছি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিশ্বকাপে ব্যর্থতা : পাকিস্তান দলের প্রত্যেককে ৫০ লাখ রুপি জরিমানা চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’, হটলাইন চালু করলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী যানজট নিরসনে ট্রাফিক ব্যবস্থা ঢেলে সাজাতে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশি অভিবাসীদের ভিসা দেওয়া স্থগিত করল যুক্তরাষ্ট্র কারচুপির অভিযোগ,ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে বিএনপির আরও ৪ প্রার্থী বিমানবন্দরে আটকে পড়া যাত্রীদের দায়িত্ব নিল আমিরাত মিসাইলের আঘাতে বিধ্বস্ত মার্কিন এফ-১৫ ফাইটার জেট, দাবি ইরানের যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আলোচনায় যাবে না ইরান : লারিজানি

কোনো ম্যাচ না জিতেই ফাইনালে

অাকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

শিরোনামটা দেখেই হয়তো চমকে যেতে পারেন অনেকেই। বাস্তবেও তাই হয়েছে। তাও যেনতেন কোনো আসরে নয়। সেটা হয়েছে পৃথিবীর অন্যতম সেরা আসর কোপা আমেরিকা ফুটবল টুর্নামেন্টে। এমন প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ টুর্নামেন্টে কোনো ম্যাচ না জিতেই ফাইনালে উঠেছিল প্যারাগুয়ে। ২০১১ সালে এই আসরের ফাইনালে উঠলেও অবশ্য শিরোপা জিততে পারেনি তারা।

আর্জেন্টিনায় অনুষ্ঠিত সে আসরের ‘বি’ গ্রুপে প্যারাগুয়ের সঙ্গে ছিল ব্রাজিল, ভেনিজুয়েলা এবং ইকুয়েডর। ব্রাজিলের সঙ্গে ২-২, ইকুয়েডরের বিপক্ষে গোলশূন্য এবং ভেনিজুয়েলার বিপক্ষে ৩-৩ গোলে ড্র করে তৃতীয় অবস্থানে থেকে গ্রুপ পর্ব শেষ করে প্যারাগুয়ে।

সেবার এ, বি এবং সি গ্রুপের প্রত্যেকটি থেকে সেরা দুটি দল সরাসরি খেলে কোয়ার্টার ফাইনালে। এই ছয় দলের সঙ্গে যোগ দেয় তিন গ্রুপের তৃতীয় স্থানে থাকা দলগুলোর মধ্য থেকে সেরা দুই দল। অর্থাৎ, তিন গ্রুপের তৃতীয় অবস্থানে থাকা দলগুলোর মধ্যে তুলনামূলক সেরা দুই দল অংশ নেয় কোয়ার্টার ফাইনালে। ‘এ’ গ্রুপ থেকে তৃতীয় দল হিসেবে কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নেয় প্যারাগুয়ে।

নকআউট পর্বে আবার ব্রাজিলের সঙ্গে দেখা হয় প্যারাগুয়ের। নির্ধারিত সময়ের পর যোগ করা সময়েও কোনো গোল না হওয়ায় ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে। চারটি শটের মধ্যে ব্রাজিলের কোনো খেলোয়াড়ই জাল খুঁজে পাননি। এদিকে এদগার বারিতো মিস করলেও মার্সেলো এস্তিগ্যারিবিয়া এবং ক্রিস্টিয়ান রিভারোসে গোলে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করে প্যারাগুয়ে।

ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, ট্রাইব্রেকারকে মূল খেলার অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হয় না। অফিশিয়ালি ম্যাচটিকে ড্র হিসেবেই ধরা হয়। কোনো খেলার ফলাফল নির্ধারিত সময়ে না আসে এবং অতিরিক্ত সময়েও যদি এর নিষ্পত্তি না হয়, তাহলে এটিকে ড্র হিসেবেই বিবেচনা করা হয়। তবে নকআউটের জন্য টাইব্রেকারের মাধ্যমে একটি দলকে পরের রাউন্ডের জন্য বা বিজয়ী হিসেবে নির্ধারণ করা হয়। সে হিসেবে কোনো ম্যাচ না জিতেই সেমিফাইনালে উঠে যায় প্যারাগুয়ে।

সেমিতে ভেনিজুয়েলার বিপক্ষে আবার টাইব্রেকার নির্ধারণ করে দেয় প্যারাগুয়ের ফাইনাল ভাগ্য। ২০১১ সালের আজকের দিনে পেনাল্টি শুটআউটে ভেনিজুয়েলাকে ৫-৩ ব্যবধানে হারিয়ে কোনো ম্যাচ না জিতেই ফাইনালে উঠে যায় প্যারাগুয়ে। তবে চারদিন পর বুয়েন্স আইরেসের মনুমেন্টাল স্টেডিয়ামে ফুটবল দেবতা তাদের সঙ্গ দেয়নি। দিয়েগো ফোরলান এবং লুইস সুয়ারেজের গোলে ৩-০ তে হারিয়ে ১৫তম বারের মতো কোপার শিরোপা ঘরে তোলে উরুগুয়ে।

গত বছর ইউরো কাপেও একই পথেও এগোচ্ছিল পর্তুগাল। গ্রুপ স্টেজে কোনো ম্যাচ না জিতেই ‘রাউন্ড অব ১৬’-তে জায়গা করে নেয় রোনালদোরা। সেখানে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে ১-০ গোলের জয়টিও নির্ধারিত নব্বই মিনিটে নয়, যোগ করা সময়ে। এরপর কোয়ার্টারে পোল্যান্ডকেও তারা হারায় টাইব্রেকারে। সেমিফাইনালে ওয়েলশকে ২-০ গোলে হারানোর পর বিরল রেকর্ডটি আর অর্জন করতে পারেনি ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর দল।

এর আগে ১৯৭২ সালে আফ্রিকান নেশন কাপে কোনো ম্যাচ না জিতেই সেমি ফাইনালে উঠেছিল মালি। সেমিতে জায়ারের বিপক্ষে ৪-৩ গোলের জয়টিও এসেছিল অতিরিক্ত সময়ে। যদিও ফাইনালে কঙ্গোর বিপক্ষে ৩-২ গোলে হেরেছিল মালি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস সার্ভিস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

কোনো ম্যাচ না জিতেই ফাইনালে

আপডেট সময় ০১:০৪:৩০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ জুলাই ২০১৭

অাকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

শিরোনামটা দেখেই হয়তো চমকে যেতে পারেন অনেকেই। বাস্তবেও তাই হয়েছে। তাও যেনতেন কোনো আসরে নয়। সেটা হয়েছে পৃথিবীর অন্যতম সেরা আসর কোপা আমেরিকা ফুটবল টুর্নামেন্টে। এমন প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ টুর্নামেন্টে কোনো ম্যাচ না জিতেই ফাইনালে উঠেছিল প্যারাগুয়ে। ২০১১ সালে এই আসরের ফাইনালে উঠলেও অবশ্য শিরোপা জিততে পারেনি তারা।

আর্জেন্টিনায় অনুষ্ঠিত সে আসরের ‘বি’ গ্রুপে প্যারাগুয়ের সঙ্গে ছিল ব্রাজিল, ভেনিজুয়েলা এবং ইকুয়েডর। ব্রাজিলের সঙ্গে ২-২, ইকুয়েডরের বিপক্ষে গোলশূন্য এবং ভেনিজুয়েলার বিপক্ষে ৩-৩ গোলে ড্র করে তৃতীয় অবস্থানে থেকে গ্রুপ পর্ব শেষ করে প্যারাগুয়ে।

সেবার এ, বি এবং সি গ্রুপের প্রত্যেকটি থেকে সেরা দুটি দল সরাসরি খেলে কোয়ার্টার ফাইনালে। এই ছয় দলের সঙ্গে যোগ দেয় তিন গ্রুপের তৃতীয় স্থানে থাকা দলগুলোর মধ্য থেকে সেরা দুই দল। অর্থাৎ, তিন গ্রুপের তৃতীয় অবস্থানে থাকা দলগুলোর মধ্যে তুলনামূলক সেরা দুই দল অংশ নেয় কোয়ার্টার ফাইনালে। ‘এ’ গ্রুপ থেকে তৃতীয় দল হিসেবে কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নেয় প্যারাগুয়ে।

নকআউট পর্বে আবার ব্রাজিলের সঙ্গে দেখা হয় প্যারাগুয়ের। নির্ধারিত সময়ের পর যোগ করা সময়েও কোনো গোল না হওয়ায় ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে। চারটি শটের মধ্যে ব্রাজিলের কোনো খেলোয়াড়ই জাল খুঁজে পাননি। এদিকে এদগার বারিতো মিস করলেও মার্সেলো এস্তিগ্যারিবিয়া এবং ক্রিস্টিয়ান রিভারোসে গোলে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করে প্যারাগুয়ে।

ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, ট্রাইব্রেকারকে মূল খেলার অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হয় না। অফিশিয়ালি ম্যাচটিকে ড্র হিসেবেই ধরা হয়। কোনো খেলার ফলাফল নির্ধারিত সময়ে না আসে এবং অতিরিক্ত সময়েও যদি এর নিষ্পত্তি না হয়, তাহলে এটিকে ড্র হিসেবেই বিবেচনা করা হয়। তবে নকআউটের জন্য টাইব্রেকারের মাধ্যমে একটি দলকে পরের রাউন্ডের জন্য বা বিজয়ী হিসেবে নির্ধারণ করা হয়। সে হিসেবে কোনো ম্যাচ না জিতেই সেমিফাইনালে উঠে যায় প্যারাগুয়ে।

সেমিতে ভেনিজুয়েলার বিপক্ষে আবার টাইব্রেকার নির্ধারণ করে দেয় প্যারাগুয়ের ফাইনাল ভাগ্য। ২০১১ সালের আজকের দিনে পেনাল্টি শুটআউটে ভেনিজুয়েলাকে ৫-৩ ব্যবধানে হারিয়ে কোনো ম্যাচ না জিতেই ফাইনালে উঠে যায় প্যারাগুয়ে। তবে চারদিন পর বুয়েন্স আইরেসের মনুমেন্টাল স্টেডিয়ামে ফুটবল দেবতা তাদের সঙ্গ দেয়নি। দিয়েগো ফোরলান এবং লুইস সুয়ারেজের গোলে ৩-০ তে হারিয়ে ১৫তম বারের মতো কোপার শিরোপা ঘরে তোলে উরুগুয়ে।

গত বছর ইউরো কাপেও একই পথেও এগোচ্ছিল পর্তুগাল। গ্রুপ স্টেজে কোনো ম্যাচ না জিতেই ‘রাউন্ড অব ১৬’-তে জায়গা করে নেয় রোনালদোরা। সেখানে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে ১-০ গোলের জয়টিও নির্ধারিত নব্বই মিনিটে নয়, যোগ করা সময়ে। এরপর কোয়ার্টারে পোল্যান্ডকেও তারা হারায় টাইব্রেকারে। সেমিফাইনালে ওয়েলশকে ২-০ গোলে হারানোর পর বিরল রেকর্ডটি আর অর্জন করতে পারেনি ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর দল।

এর আগে ১৯৭২ সালে আফ্রিকান নেশন কাপে কোনো ম্যাচ না জিতেই সেমি ফাইনালে উঠেছিল মালি। সেমিতে জায়ারের বিপক্ষে ৪-৩ গোলের জয়টিও এসেছিল অতিরিক্ত সময়ে। যদিও ফাইনালে কঙ্গোর বিপক্ষে ৩-২ গোলে হেরেছিল মালি।