ঢাকা ১১:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

‘কঠিন সময়ে মনোবল শক্ত রাখার মন্ত্র সাকিব ভাইয়ের কাছ থেকেই শেখা’:তাইজুল ইসলাম

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক :

পাকিস্তানের বিপক্ষে সদ্য সমাপ্ত টেস্ট সিরিজে বল হাতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেছেন তাইজুল ইসলাম। সিলেট টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে একাই ৬ উইকেট নিয়ে সফরকারীদের ধসিয়ে দিয়েছেন তিনি। সম্প্রতি টেস্ট ক্রিকেট ও নিজের ক্যারিয়ারের বিভিন্ন দিক নিয়ে মুখোমুখি হয়েছিলেন ‘সমকাল’-এর। বিশেষ এই সাক্ষাৎকারে তাইজুল খোলামেলা কথা বলেছেন সাবেক অধিনায়ক সাকিব আল হাসান প্রসঙ্গে।

মাঠের ভেতরে সাকিবের সঙ্গে তার বোঝাপড়া কেমন ছিল, তা নিয়ে তাইজুল বলেন, ‘সাকিব ভাইয়ের যেটা আছে, আমার সেটা নেই। যার যেটা ভালো, সেটা শেয়ার হতো। এটাই নিয়ম। আমি যেটা ভালো পারি, সেটা অন্যে নাও পারতে পারে। আমি তাঁর কাছে জানতে চেয়েছি এই জিনিসগুলো কীভাবে করলে ভালো। একইভাবে সাকিব ভাইও কখনও কখনও আমার কাছে কিছু বিষয় জানতে চাইতেন।’

এরকম আলোচনাকে ইতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করে তাইজুল আরও বলেন, ‘এই আলোচনাগুলো ইতিবাচক, অনেক কিছু জানা যায় এবং শেখা যায়। ক্যারিয়ার বড় করার জন্য প্রক্রিয়াগুলো শেয়ার করলে ভালো। আমি মনে করি প্রত্যেক খেলোয়াড়ের উচিত নিজেদের ভালো দিকগুলো আদান-প্রদান করা। তাহলে ভালো করার সম্ভাবনা বেড়ে যাবে।’

সাকিব আল হাসান কীভাবে সতীর্থদের সহযোগিতা করতেন, সেই স্মৃতিও রোমন্থন করেন তাইজুল। তিনি জানান, সাকিবকে মুখে বলে কাউকে উজ্জীবিত করতে হতো না, তার শারীরিক ভাষাই দলের জন্য যথেষ্ট ছিল।

তাইজুলের ভাষ্য, ‘সাকিব ভাইয়ের মানসিক দৃঢ়তা সবাইকে উজ্জীবিত করত। তাঁকে কিছু বলতে হতো না, তাকে দেখেই শেখা যেত। এটি দলকে কীভাবে চাঙা করা যায়, সেগুলো তিনি ভালো পারতেন। তার কাছ থেকে আমরা শিখেছি কঠিন সময়ে কীভাবে মনোবল শক্ত রাখতে হয়।’

বাংলাদেশ জাতীয় দলে গত কয়েক বছরে ড্যানিয়েল ভেট্টরি, রঙ্গনা হেরাথ বা মুশতাক আহমেদের মতো কিংবদন্তি স্পিনাররা স্পিন কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাদের কাছ থেকে কতটুকু উপকার পেয়েছেন এমন প্রশ্নের জবাবে তাইজুল জানান, সবার অভিজ্ঞতা থেকেই তিনি নিজেকে সমৃদ্ধ করেছেন।

তিনি বলেন, ‘আমি যত কোচের সঙ্গে কাজ করেছি, সবার সঙ্গে সুসম্পর্ক ছিল। সবার কাছ থেকে ভালোটা নেওয়ার চেষ্টা করেছি। সুনীল জোশি থেকে শুরু করে ভেট্টরি, রঙ্গনা হেরাথ, মুস্তাক ভাই যারাই ছিলেন, সবার মধ্যে বিশেষত্ব ছিল। তারা অনেক পথ পাড়ি দিয়ে এসেছেন। তাদের সেই অভিজ্ঞতাগুলো নেওয়ার চেষ্টা করেছি। যেটা আমাকে সাহসী করেছে।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

‘কঠিন সময়ে মনোবল শক্ত রাখার মন্ত্র সাকিব ভাইয়ের কাছ থেকেই শেখা’:তাইজুল ইসলাম

আপডেট সময় ০৫:৪৫:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক :

পাকিস্তানের বিপক্ষে সদ্য সমাপ্ত টেস্ট সিরিজে বল হাতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেছেন তাইজুল ইসলাম। সিলেট টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে একাই ৬ উইকেট নিয়ে সফরকারীদের ধসিয়ে দিয়েছেন তিনি। সম্প্রতি টেস্ট ক্রিকেট ও নিজের ক্যারিয়ারের বিভিন্ন দিক নিয়ে মুখোমুখি হয়েছিলেন ‘সমকাল’-এর। বিশেষ এই সাক্ষাৎকারে তাইজুল খোলামেলা কথা বলেছেন সাবেক অধিনায়ক সাকিব আল হাসান প্রসঙ্গে।

মাঠের ভেতরে সাকিবের সঙ্গে তার বোঝাপড়া কেমন ছিল, তা নিয়ে তাইজুল বলেন, ‘সাকিব ভাইয়ের যেটা আছে, আমার সেটা নেই। যার যেটা ভালো, সেটা শেয়ার হতো। এটাই নিয়ম। আমি যেটা ভালো পারি, সেটা অন্যে নাও পারতে পারে। আমি তাঁর কাছে জানতে চেয়েছি এই জিনিসগুলো কীভাবে করলে ভালো। একইভাবে সাকিব ভাইও কখনও কখনও আমার কাছে কিছু বিষয় জানতে চাইতেন।’

এরকম আলোচনাকে ইতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করে তাইজুল আরও বলেন, ‘এই আলোচনাগুলো ইতিবাচক, অনেক কিছু জানা যায় এবং শেখা যায়। ক্যারিয়ার বড় করার জন্য প্রক্রিয়াগুলো শেয়ার করলে ভালো। আমি মনে করি প্রত্যেক খেলোয়াড়ের উচিত নিজেদের ভালো দিকগুলো আদান-প্রদান করা। তাহলে ভালো করার সম্ভাবনা বেড়ে যাবে।’

সাকিব আল হাসান কীভাবে সতীর্থদের সহযোগিতা করতেন, সেই স্মৃতিও রোমন্থন করেন তাইজুল। তিনি জানান, সাকিবকে মুখে বলে কাউকে উজ্জীবিত করতে হতো না, তার শারীরিক ভাষাই দলের জন্য যথেষ্ট ছিল।

তাইজুলের ভাষ্য, ‘সাকিব ভাইয়ের মানসিক দৃঢ়তা সবাইকে উজ্জীবিত করত। তাঁকে কিছু বলতে হতো না, তাকে দেখেই শেখা যেত। এটি দলকে কীভাবে চাঙা করা যায়, সেগুলো তিনি ভালো পারতেন। তার কাছ থেকে আমরা শিখেছি কঠিন সময়ে কীভাবে মনোবল শক্ত রাখতে হয়।’

বাংলাদেশ জাতীয় দলে গত কয়েক বছরে ড্যানিয়েল ভেট্টরি, রঙ্গনা হেরাথ বা মুশতাক আহমেদের মতো কিংবদন্তি স্পিনাররা স্পিন কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাদের কাছ থেকে কতটুকু উপকার পেয়েছেন এমন প্রশ্নের জবাবে তাইজুল জানান, সবার অভিজ্ঞতা থেকেই তিনি নিজেকে সমৃদ্ধ করেছেন।

তিনি বলেন, ‘আমি যত কোচের সঙ্গে কাজ করেছি, সবার সঙ্গে সুসম্পর্ক ছিল। সবার কাছ থেকে ভালোটা নেওয়ার চেষ্টা করেছি। সুনীল জোশি থেকে শুরু করে ভেট্টরি, রঙ্গনা হেরাথ, মুস্তাক ভাই যারাই ছিলেন, সবার মধ্যে বিশেষত্ব ছিল। তারা অনেক পথ পাড়ি দিয়ে এসেছেন। তাদের সেই অভিজ্ঞতাগুলো নেওয়ার চেষ্টা করেছি। যেটা আমাকে সাহসী করেছে।’