ঢাকা ১১:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

খাবার কিনতে গিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার শিশু

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নবীগঞ্জ উপজেলার পানিউম্দা ইউনিয়নের বড়চর গ্রামে ৩য় শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে (৯) ধর্ষণ করেছে দুই যুবক। দোকানে যাওয়ার পথে ওই ছাত্রীকে টেনেহিঁচড়ে বাঁশঝাড়ে নিয়ে ধর্ষণ করেন তারা।

ওই ছাত্রীকে সোমবার (২৫ মে) দুপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে রেফার্ড করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার (২৪ মে) বিকালে সরকারি প্রাইমারি স্কুলের ৩য় শ্রেণির ছাত্রী গ্রামের দোকানে যাচ্ছিল। পথে একই গ্রামের মৃত কনর মিয়ার ছেলে আফরোজ মিয়া (৩৫) ও তার অপর সঙ্গীকে নিয়ে ওই স্কুলছাত্রীকে জোরপূর্বক পাশের বাঁশঝাড়ের নির্জনস্থানে মুখে গামছা বেঁধে পালাক্রমে ধর্ষণ করে।

স্থানীয়রা মেয়েটির চিৎকারের শব্দ শুনে ধর্ষণকারীদের ধাওয়া দিলে তারা পালিয়ে যায়। পরে রক্তাক্ত অবস্থায় ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। ওই ছাত্রীর পিতা বাড়িতে না থাকায় সোমবার দুপুরে মেয়েটিকে নবীগঞ্জ হাসপাতালে নিয়ে যায়।

ভিকটিমের মা কান্নাজড়িত কণ্ঠে সাংবাদিকদের জানান, তার মেয়েটি খাবার কেনার জন্য স্থানীয় একটি দোকানে যাচ্ছিল। পথে একটি বাঁশঝাড়ের পাশে নির্জনস্থানে তার মেয়েকে মুখে গামছা বেঁধে ধর্ষণ করেছে একই গ্রামের কনর মিয়ার ছেলে আফরোজ মিয়া ও তার সহকর্মী অজ্ঞাত আরেকজন। স্থানীয় লোকজন বিষয়টি টের পেয়ে ধর্ষকদের ধাওয়া করলে তারা পালিয়ে যায়।

শিশুটির বাবা বলেন, আমার অবুঝ মেয়ের ধর্ষকদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

এ ব্যাপারে নবীগঞ্জ থানার ওসি মো. মোনায়েম মিয়া জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

খাবার কিনতে গিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার শিশু

আপডেট সময় ০৮:৩৫:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নবীগঞ্জ উপজেলার পানিউম্দা ইউনিয়নের বড়চর গ্রামে ৩য় শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে (৯) ধর্ষণ করেছে দুই যুবক। দোকানে যাওয়ার পথে ওই ছাত্রীকে টেনেহিঁচড়ে বাঁশঝাড়ে নিয়ে ধর্ষণ করেন তারা।

ওই ছাত্রীকে সোমবার (২৫ মে) দুপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে রেফার্ড করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার (২৪ মে) বিকালে সরকারি প্রাইমারি স্কুলের ৩য় শ্রেণির ছাত্রী গ্রামের দোকানে যাচ্ছিল। পথে একই গ্রামের মৃত কনর মিয়ার ছেলে আফরোজ মিয়া (৩৫) ও তার অপর সঙ্গীকে নিয়ে ওই স্কুলছাত্রীকে জোরপূর্বক পাশের বাঁশঝাড়ের নির্জনস্থানে মুখে গামছা বেঁধে পালাক্রমে ধর্ষণ করে।

স্থানীয়রা মেয়েটির চিৎকারের শব্দ শুনে ধর্ষণকারীদের ধাওয়া দিলে তারা পালিয়ে যায়। পরে রক্তাক্ত অবস্থায় ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। ওই ছাত্রীর পিতা বাড়িতে না থাকায় সোমবার দুপুরে মেয়েটিকে নবীগঞ্জ হাসপাতালে নিয়ে যায়।

ভিকটিমের মা কান্নাজড়িত কণ্ঠে সাংবাদিকদের জানান, তার মেয়েটি খাবার কেনার জন্য স্থানীয় একটি দোকানে যাচ্ছিল। পথে একটি বাঁশঝাড়ের পাশে নির্জনস্থানে তার মেয়েকে মুখে গামছা বেঁধে ধর্ষণ করেছে একই গ্রামের কনর মিয়ার ছেলে আফরোজ মিয়া ও তার সহকর্মী অজ্ঞাত আরেকজন। স্থানীয় লোকজন বিষয়টি টের পেয়ে ধর্ষকদের ধাওয়া করলে তারা পালিয়ে যায়।

শিশুটির বাবা বলেন, আমার অবুঝ মেয়ের ধর্ষকদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

এ ব্যাপারে নবীগঞ্জ থানার ওসি মো. মোনায়েম মিয়া জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।