ঢাকা ০৬:৩৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
২০০ কোটি ডলার ঋণ নাকি অনুদান, পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বললেন ‘এখানে খোঁচাখুঁচির কিছু নাই’ হরমুজ প্রণালী ‘স্থায়ীভাবে’ খুলে দেওয়া হচ্ছে: ট্রাম্প ইরান যুদ্ধ একটি ‘ভুল’: ব্রিটিশ চ্যান্সেলর নবীর অবমাননায় মৃত্যুদণ্ডের আইন দাবি এমপি হানজালার টিপাইমুখ বাঁধ আমাদের নিজেদের তৈরি দুর্যোগ: স্পিকার বাংলাদেশকে ২ কোটি ১৯ লাখ হাম-রুবেলার টিকা দেবে যুক্তরাষ্ট্র জ্বালানি চাহিদা মেটাতে উন্নয়ন অংশীদারদের কাছে ২শ’ কোটি ডলার সহায়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী সংসদে দাঁড়িয়ে এলাকার সড়কের জন্য ‘ভিক্ষা’ চাইলেন হাসনাত আবদুল্লাহ আত্মীয়ের কুলখানি শেষে ফিরছিলেন বাড়ি, পথে কাভার্ড ভ্যান কেড়ে নিল মা-ছেলের প্রাণ বনানীতে বহুতল ভবনে আগুন

সীমিত কফি পান স্বাস্থ্যের জন্য ভালো

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

সীমিত মাত্রায় অর্থাৎ প্রতিদিন তিন থেকে চার কাপ কফি খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ভালো বলে একটি গবেষণায় বেরিয়ে এসেছে। যা এর আগের গবেষণার অনেকটা বিপরীত।

ইউনিভার্সিটি অফ সাউদাম্পটনের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, লিভার আর ক্যান্সারের মতো রোগের ঝুঁকি কমেছে এবং স্ট্রোকে মারা যাওয়ার ঝুঁকিও কমে এসেছে। তবে কফিই এর একমাত্র কারণ কিনা, সেটি পুরোপুরি প্রমাণ করতে পারেননি গবেষকরা।

আর তাই বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধুমাত্র স্বাস্থ্যগত কারণে বা রোগ প্রতিরোধক হিসাবে কফিকে কোন ওষুধ হিসাবে নেয়া ঠিক হবে না।

সীমিত কফি বলতে এমনভাবে কফি পান বোঝানো হয়েছে, যার ফলে প্রতিদিন ৪০০ মি.লি. গ্রাম বা তার কম ক্যাফেইন শরীরে প্রবেশ করে।

এক মগ ইন্সট্যান্ট কফিতে একশ গ্রাম ক্যাফেইন আর এক মগ পরিশোধিত কফিতে ১৪০ গ্রাম ক্যাফেইন থাকে।

তবে গর্ভকালীন সময়ে বেশি কফি পান করাটা ক্ষতিকর হতে পারে বলেও সতর্ক করে দেয়া হয়েছে। যেসব নারীদের হাড় ভাঙ্গা বা ক্ষয়ের ঝুঁকি আছে, তাদেরও কফি পান না করাই ভালো।

গবেষকরা দেখতে পেয়েছেন, যারা কফি পান করেন না, তাদের তুলনায় যারা প্রতিদিন কমপক্ষে তিন কাপ কফি খেয়েছেন, তাদের হৃদপিণ্ড, লিভার বা ক্যানসারের মতো সমস্যা কম হয়েছে। -বিবিসি বাংলা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

সীমিত কফি পান স্বাস্থ্যের জন্য ভালো

আপডেট সময় ০৭:১৬:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ নভেম্বর ২০১৭

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

সীমিত মাত্রায় অর্থাৎ প্রতিদিন তিন থেকে চার কাপ কফি খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ভালো বলে একটি গবেষণায় বেরিয়ে এসেছে। যা এর আগের গবেষণার অনেকটা বিপরীত।

ইউনিভার্সিটি অফ সাউদাম্পটনের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, লিভার আর ক্যান্সারের মতো রোগের ঝুঁকি কমেছে এবং স্ট্রোকে মারা যাওয়ার ঝুঁকিও কমে এসেছে। তবে কফিই এর একমাত্র কারণ কিনা, সেটি পুরোপুরি প্রমাণ করতে পারেননি গবেষকরা।

আর তাই বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধুমাত্র স্বাস্থ্যগত কারণে বা রোগ প্রতিরোধক হিসাবে কফিকে কোন ওষুধ হিসাবে নেয়া ঠিক হবে না।

সীমিত কফি বলতে এমনভাবে কফি পান বোঝানো হয়েছে, যার ফলে প্রতিদিন ৪০০ মি.লি. গ্রাম বা তার কম ক্যাফেইন শরীরে প্রবেশ করে।

এক মগ ইন্সট্যান্ট কফিতে একশ গ্রাম ক্যাফেইন আর এক মগ পরিশোধিত কফিতে ১৪০ গ্রাম ক্যাফেইন থাকে।

তবে গর্ভকালীন সময়ে বেশি কফি পান করাটা ক্ষতিকর হতে পারে বলেও সতর্ক করে দেয়া হয়েছে। যেসব নারীদের হাড় ভাঙ্গা বা ক্ষয়ের ঝুঁকি আছে, তাদেরও কফি পান না করাই ভালো।

গবেষকরা দেখতে পেয়েছেন, যারা কফি পান করেন না, তাদের তুলনায় যারা প্রতিদিন কমপক্ষে তিন কাপ কফি খেয়েছেন, তাদের হৃদপিণ্ড, লিভার বা ক্যানসারের মতো সমস্যা কম হয়েছে। -বিবিসি বাংলা।