ঢাকা ১২:২৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ২৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চাইলে এক দিনেই ইরানকে ধ্বংস করতে পারি: ট্রাম্প জাতীয় সংসদে এক অধিবেশনে এত বেশি বিল পাসের নজির নেই: চিফ হুইপ বিএনপি ‘আত্মঘাতী’ রাজনীতি করছে: মামুনুল হক জুলাই সনদ সরকার ও বিরোধী দলকে মুখোমুখি পর্যায়ে নিয়ে যাচ্ছে :পার্থ সনদ বাস্তবায়ন না হলে রাজপথে নামার হুঁশিয়ার শহীদ পরিবার ও জুলাইযোদ্ধার শান্তি আলোচনা ভেস্তে গেলে ‘প্রত্যেক দেশই ক্ষতিগ্রস্ত’ হবে: শামা ওবায়েদ ইরানকে ‘উপযুক্ত সময়ে’ ধ্বংসের হুমকি ট্রাম্পের বিএনপি নেতাকর্মীদের প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতা করার নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদপুরে কিশোর গ্যাংয়ের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে ‘অ্যালেক্স ইমন’ নিহত তুরস্কের কাছে ‘সবচেয়ে সুন্দরী নারী’ চেয়ে উগান্ডার সেনাপ্রধানের হুঁশিয়ারি!

চৈত্র সংক্রান্তিতে পাতে যেসব খাবার রাখতে পারেন

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

আগামীকাল চৈত্রসংক্রান্তি, মানে চৈত্র মাসের শেষ তারিখ। একইসঙ্গে বাংলা বছরের শেষ দিন। এরপরদিন নতুন বছরের যাত্রা শুরু হবে। বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে চৈত্রসংক্রান্তির খাবার ভিন্ন হয়ে থাকে। অমিল থাকলেও একটি জায়গায় সবাই এক, আর তা হলো এদিনে পাতে তিতা স্বাদের খাবার থাকে।

ধারণা করা হয়, তিতা স্বাদ জীবনের কষ্ট, দুঃখ বা তিক্ত অভিজ্ঞতার প্রতীক। এই তিতা স্বাদের খাবার খেয়ে জীবনের সব স্বাদ (মিষ্টি, টক, তিতা) গ্রহণ করার মানসিক প্রস্তুতি নেওয়াকে বোঝানো হয়। যাক সে কথা, এবারের চৈত্র সংক্রান্তিতে ঘরে কিছু ঐতিহ্যবাহী খাবার রান্না করতে পারেন।

কাঁচা কাঁঠালের তরকারি:
চৈত্র সংক্রান্তির আরেকটি উল্লেখোগ্য খাবার কাঁঠালের তরকারি। কাঁচা কাঁঠালের নানা অংশ দিয়ে এই তরকারি রান্না করা হয়।

গিমা শাক:
গ্রামের গৃহিণীরা এ দিন গিমা শাক ও বেগুন দিয়ে তরকারি রান্না করেন। এ সব তরকারি খেতে দেওয়া হয় ব্রত পালনকারি নারীদের।

নিম পাতা:
নিমপাতা ও চাল ভেজে এক সঙ্গে খাওয়া চৈত্র সংক্রান্তির পুরনো ধারা। অনেকের ধারণা, এই খাবার খেলে সারা বছর সুস্থ থাকা সম্ভব।

সজনের চচ্চড়ি:
চৈত্র সংক্রান্তিতে অনেক বাড়িতে সজনে চচ্চড়ি রান্না হয়। তা দিয়ে অতিথিদের আপ্যায়ন করা হয়।

নিরামিষ তরকারি
ব্রত পালন করা নারীরা বিভিন্ন নিরামিষ তরকারি রান্না করেন। বিভিন্ন শাক দিয়ে এই রান্না করা হয়।

তিতা ডাল:
চৈত্র সংক্রান্তির অন্যতম খাবার তিতা ডাল। এটিই এই উৎসবের সবচেয়ে বেশি প্রচলিত খাবার।

নারকেল নাডু:
এ দিন অনেক বাড়িতে নারকেলের নাডু বানানো হয়। অতিথি আপ্যায়নে চৈত্র সংক্রান্তির অন্যতম অনুসঙ্গ এই খাবার। চৈত্র সংক্রান্তিতে নকশী পিঠাও বানানো হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

চাইলে এক দিনেই ইরানকে ধ্বংস করতে পারি: ট্রাম্প

চৈত্র সংক্রান্তিতে পাতে যেসব খাবার রাখতে পারেন

আপডেট সময় ০৯:২০:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

আগামীকাল চৈত্রসংক্রান্তি, মানে চৈত্র মাসের শেষ তারিখ। একইসঙ্গে বাংলা বছরের শেষ দিন। এরপরদিন নতুন বছরের যাত্রা শুরু হবে। বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে চৈত্রসংক্রান্তির খাবার ভিন্ন হয়ে থাকে। অমিল থাকলেও একটি জায়গায় সবাই এক, আর তা হলো এদিনে পাতে তিতা স্বাদের খাবার থাকে।

ধারণা করা হয়, তিতা স্বাদ জীবনের কষ্ট, দুঃখ বা তিক্ত অভিজ্ঞতার প্রতীক। এই তিতা স্বাদের খাবার খেয়ে জীবনের সব স্বাদ (মিষ্টি, টক, তিতা) গ্রহণ করার মানসিক প্রস্তুতি নেওয়াকে বোঝানো হয়। যাক সে কথা, এবারের চৈত্র সংক্রান্তিতে ঘরে কিছু ঐতিহ্যবাহী খাবার রান্না করতে পারেন।

কাঁচা কাঁঠালের তরকারি:
চৈত্র সংক্রান্তির আরেকটি উল্লেখোগ্য খাবার কাঁঠালের তরকারি। কাঁচা কাঁঠালের নানা অংশ দিয়ে এই তরকারি রান্না করা হয়।

গিমা শাক:
গ্রামের গৃহিণীরা এ দিন গিমা শাক ও বেগুন দিয়ে তরকারি রান্না করেন। এ সব তরকারি খেতে দেওয়া হয় ব্রত পালনকারি নারীদের।

নিম পাতা:
নিমপাতা ও চাল ভেজে এক সঙ্গে খাওয়া চৈত্র সংক্রান্তির পুরনো ধারা। অনেকের ধারণা, এই খাবার খেলে সারা বছর সুস্থ থাকা সম্ভব।

সজনের চচ্চড়ি:
চৈত্র সংক্রান্তিতে অনেক বাড়িতে সজনে চচ্চড়ি রান্না হয়। তা দিয়ে অতিথিদের আপ্যায়ন করা হয়।

নিরামিষ তরকারি
ব্রত পালন করা নারীরা বিভিন্ন নিরামিষ তরকারি রান্না করেন। বিভিন্ন শাক দিয়ে এই রান্না করা হয়।

তিতা ডাল:
চৈত্র সংক্রান্তির অন্যতম খাবার তিতা ডাল। এটিই এই উৎসবের সবচেয়ে বেশি প্রচলিত খাবার।

নারকেল নাডু:
এ দিন অনেক বাড়িতে নারকেলের নাডু বানানো হয়। অতিথি আপ্যায়নে চৈত্র সংক্রান্তির অন্যতম অনুসঙ্গ এই খাবার। চৈত্র সংক্রান্তিতে নকশী পিঠাও বানানো হয়।