ঢাকা ০২:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ওজন কমানোর সহজ পথের খোঁজ দিল গবেষণা

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

জন বাড়ছে দিন দিন। মেদ কমাতে পছন্দের খাবার বাদ দিয়ে তিতে হচ্ছে।

তবে নতুন গবেষণা বলছে, ‘বেশি খেলে বাড়ে মেদ’ এই ধারণা মোটেও ঠিক নয়। বেশি খাবার পদ্ধতি মেনে খেলেও মোটা হওয়া আটকানো যায়। এমনটাই জানালো নতুন এক গবেষণা।

নতুন এই গবেষণা বলছে, ধীরে ধীরে খেলে শুধু মোটা হওয়াই নয়, আটকানো যায় হৃদরোগ। ডায়াবেটিস কিংবা স্ট্রোকের ঝুঁকিও কমে যায়। মানুষের অকাল বার্ধক্যের পিছনেও তিনটি কারণ কাজ করে। তা হলো ভুঁড়ি, হাই ব্লাড সুগার, হাই ব্লাড প্রেশার। আর এই সব থেকেই নাকি মুক্তি পাওয়া সম্ভব খাওয়ার পদ্ধতি বদলালে। সময় নিয়ে ধীরে ধীরে খেলেই নাকি অনেক সমস্যা থেকে রেহাই পাওয়া যায়।

জাপানের হিরোসিমা ইউনিভার্সিটির গবেষকরা সম্প্রতি ৬৪২ জন পুরুষ ও ৪৪১ জন মহিলার উপরে গবেষণা চালান। তাদের গড় বয়স ছিল ৫১.২ বছর। তাদের কারও ২০০৮ সাল পর্যন্ত ভুঁড়ি ছিল না। পাঁচ বছর পরে গবেষকরা দেখেন তাদের মধ্যে ১১.৬ শতাংশ দ্রুত খাবার খান, ৬.৫ শতাংশ সাধারণ ভাবে খাবার খান এবং ২.৩ শতাংশ ধীরে খাবার খান। যারা দ্রুত খাবার খেয়েছেন তাদের অস্বাভাবিক ওজন বৃদ্ধি হয়েছে, ভুঁড়ি হয়েছে এবং ব্লাড সুগারও বেড়েছে।

হিরোসিমা ইউনিভার্সিটির সেই গবেষক দলের প্রধান কার্ডিওলজিস্ট তাকাউকি ইয়ামাজি জানান, ‘‘মেটাবোলিক সিনড্রোম থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য ধীরে খাবার খাওয়া অত্যন্ত কার্যকরী। দ্রুত খাবার খেলে মনে হয় পর্যাপ্ত খাওয়া হল না এবং তার ফলে বেশি পরিমাণে খাওয়া হয়ে যায়। দ্রুত খেলে গ্লুকোজ ফাংশানেও সমস্যা তৈরি হয় যা ব্লাড সুগার বাড়ায়। ’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

ওজন কমানোর সহজ পথের খোঁজ দিল গবেষণা

আপডেট সময় ১০:২৬:১৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৭

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

জন বাড়ছে দিন দিন। মেদ কমাতে পছন্দের খাবার বাদ দিয়ে তিতে হচ্ছে।

তবে নতুন গবেষণা বলছে, ‘বেশি খেলে বাড়ে মেদ’ এই ধারণা মোটেও ঠিক নয়। বেশি খাবার পদ্ধতি মেনে খেলেও মোটা হওয়া আটকানো যায়। এমনটাই জানালো নতুন এক গবেষণা।

নতুন এই গবেষণা বলছে, ধীরে ধীরে খেলে শুধু মোটা হওয়াই নয়, আটকানো যায় হৃদরোগ। ডায়াবেটিস কিংবা স্ট্রোকের ঝুঁকিও কমে যায়। মানুষের অকাল বার্ধক্যের পিছনেও তিনটি কারণ কাজ করে। তা হলো ভুঁড়ি, হাই ব্লাড সুগার, হাই ব্লাড প্রেশার। আর এই সব থেকেই নাকি মুক্তি পাওয়া সম্ভব খাওয়ার পদ্ধতি বদলালে। সময় নিয়ে ধীরে ধীরে খেলেই নাকি অনেক সমস্যা থেকে রেহাই পাওয়া যায়।

জাপানের হিরোসিমা ইউনিভার্সিটির গবেষকরা সম্প্রতি ৬৪২ জন পুরুষ ও ৪৪১ জন মহিলার উপরে গবেষণা চালান। তাদের গড় বয়স ছিল ৫১.২ বছর। তাদের কারও ২০০৮ সাল পর্যন্ত ভুঁড়ি ছিল না। পাঁচ বছর পরে গবেষকরা দেখেন তাদের মধ্যে ১১.৬ শতাংশ দ্রুত খাবার খান, ৬.৫ শতাংশ সাধারণ ভাবে খাবার খান এবং ২.৩ শতাংশ ধীরে খাবার খান। যারা দ্রুত খাবার খেয়েছেন তাদের অস্বাভাবিক ওজন বৃদ্ধি হয়েছে, ভুঁড়ি হয়েছে এবং ব্লাড সুগারও বেড়েছে।

হিরোসিমা ইউনিভার্সিটির সেই গবেষক দলের প্রধান কার্ডিওলজিস্ট তাকাউকি ইয়ামাজি জানান, ‘‘মেটাবোলিক সিনড্রোম থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য ধীরে খাবার খাওয়া অত্যন্ত কার্যকরী। দ্রুত খাবার খেলে মনে হয় পর্যাপ্ত খাওয়া হল না এবং তার ফলে বেশি পরিমাণে খাওয়া হয়ে যায়। দ্রুত খেলে গ্লুকোজ ফাংশানেও সমস্যা তৈরি হয় যা ব্লাড সুগার বাড়ায়। ’