ঢাকা ১১:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এমপি যদি সৎ হন, ঠিকাদারের বাপের সাধ্য নেই চুরি করার: রুমিন ফারহানা ‘ধর্মের নামে ব্যবসা করে যারা নির্বাচনে জিততে চায়, তারা এ দেশে আর কখনো গ্রহণযোগ্যতা পাবে না’:ফারুক পার্থকে ছেড়ে দিলেন বিএনপির প্রার্থী গোলাম নবী গণহত্যার বিচারে ধরনের কম্প্রোমাইজ নয়: প্রসিকিউটর তামিম স্ত্রীর কোনো স্বর্ণ নেই, তাহেরির আছে ৩১ ভরি স্বর্ণ নির্বাচনে ভোট ডাকাতি যেন আর কখনো না ঘটে, সে ব্যবস্থা করতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা ইরানে অর্ধশতাধিক মসজিদ-১৮০ অ্যাম্বুলেন্সে আগুন দিয়েছে বিক্ষোভকারীরা নির্বাচনে ৩০ আসনে লড়বে এনসিপি: আসিফ মাহমুদ নির্বাচন বানচালে দেশবিরোধী শক্তি অপচেষ্টা ও সহিংসতা চালাচ্ছে : মির্জা আব্বাস বিজয় আমাদের হয়েই গেছে, ১২ ফেব্রুয়ারি শুধু আনুষ্ঠানিকতা: নুরুল হক নুর

স্ত্রী হত্যার দায়ে গার্মেন্টকর্মী স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানাধীন বাইপাইলে স্ত্রী ফাইমা আক্তার হত্যা মামলায় গার্মেন্টকর্মী স্বামী মজনু মিয়ার ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। মজনু মিয়া জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জের আমৃতলার রইস উদ্দিনের ছেলে। স্বামী-স্ত্রী দুই জনেই গার্মেন্টে কাজ করতেন। আজ বুধবার ঢাকার জেলা ও দায়রা জজ এস এম কুদ্দুস জামান আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।

মজনু মিয়া তার স্ত্রী ফাইমা আক্তারকে নিয়ে ঢাকা জেলার আশুলিয়ার বাইপাইল পশ্চিমপাড়ায় মনিরুল হকের বাসায় ভাড়া থাকতেন। ২০১৬ সালের ১৩ অক্টোবর পারিবারিক কলহের একপর্যায়ে মজনু মিয়া তার স্ত্রী ফাইমা আক্তারকে ধারালো বটি দিয়ে জবাই করেন। ঘটনার পরপরই মজনু মিয়া পালিয়ে যান।

ওই ঘটনায় নিহতের মা ফাতেমা বেগম বাদী হয়ে আশুলিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার পর মজনু মিয়া গ্রেপ্তার হলে হত্যার দায় স্বীকার করে তিনি আদালতে জবানবন্দি দেন। মামলার বিচার চলাকালে চার্জশিটের ২০ জন সাক্ষীর মধ্যে ১২ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন আদালত।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এমপি যদি সৎ হন, ঠিকাদারের বাপের সাধ্য নেই চুরি করার: রুমিন ফারহানা

স্ত্রী হত্যার দায়ে গার্মেন্টকর্মী স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

আপডেট সময় ০৩:২৩:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ নভেম্বর ২০১৭

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানাধীন বাইপাইলে স্ত্রী ফাইমা আক্তার হত্যা মামলায় গার্মেন্টকর্মী স্বামী মজনু মিয়ার ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। মজনু মিয়া জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জের আমৃতলার রইস উদ্দিনের ছেলে। স্বামী-স্ত্রী দুই জনেই গার্মেন্টে কাজ করতেন। আজ বুধবার ঢাকার জেলা ও দায়রা জজ এস এম কুদ্দুস জামান আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।

মজনু মিয়া তার স্ত্রী ফাইমা আক্তারকে নিয়ে ঢাকা জেলার আশুলিয়ার বাইপাইল পশ্চিমপাড়ায় মনিরুল হকের বাসায় ভাড়া থাকতেন। ২০১৬ সালের ১৩ অক্টোবর পারিবারিক কলহের একপর্যায়ে মজনু মিয়া তার স্ত্রী ফাইমা আক্তারকে ধারালো বটি দিয়ে জবাই করেন। ঘটনার পরপরই মজনু মিয়া পালিয়ে যান।

ওই ঘটনায় নিহতের মা ফাতেমা বেগম বাদী হয়ে আশুলিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার পর মজনু মিয়া গ্রেপ্তার হলে হত্যার দায় স্বীকার করে তিনি আদালতে জবানবন্দি দেন। মামলার বিচার চলাকালে চার্জশিটের ২০ জন সাক্ষীর মধ্যে ১২ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন আদালত।