ঢাকা ০৭:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

স্ত্রী হত্যার দায়ে গার্মেন্টকর্মী স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানাধীন বাইপাইলে স্ত্রী ফাইমা আক্তার হত্যা মামলায় গার্মেন্টকর্মী স্বামী মজনু মিয়ার ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। মজনু মিয়া জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জের আমৃতলার রইস উদ্দিনের ছেলে। স্বামী-স্ত্রী দুই জনেই গার্মেন্টে কাজ করতেন। আজ বুধবার ঢাকার জেলা ও দায়রা জজ এস এম কুদ্দুস জামান আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।

মজনু মিয়া তার স্ত্রী ফাইমা আক্তারকে নিয়ে ঢাকা জেলার আশুলিয়ার বাইপাইল পশ্চিমপাড়ায় মনিরুল হকের বাসায় ভাড়া থাকতেন। ২০১৬ সালের ১৩ অক্টোবর পারিবারিক কলহের একপর্যায়ে মজনু মিয়া তার স্ত্রী ফাইমা আক্তারকে ধারালো বটি দিয়ে জবাই করেন। ঘটনার পরপরই মজনু মিয়া পালিয়ে যান।

ওই ঘটনায় নিহতের মা ফাতেমা বেগম বাদী হয়ে আশুলিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার পর মজনু মিয়া গ্রেপ্তার হলে হত্যার দায় স্বীকার করে তিনি আদালতে জবানবন্দি দেন। মামলার বিচার চলাকালে চার্জশিটের ২০ জন সাক্ষীর মধ্যে ১২ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন আদালত।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

স্ত্রী হত্যার দায়ে গার্মেন্টকর্মী স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

আপডেট সময় ০৩:২৩:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ নভেম্বর ২০১৭

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানাধীন বাইপাইলে স্ত্রী ফাইমা আক্তার হত্যা মামলায় গার্মেন্টকর্মী স্বামী মজনু মিয়ার ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। মজনু মিয়া জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জের আমৃতলার রইস উদ্দিনের ছেলে। স্বামী-স্ত্রী দুই জনেই গার্মেন্টে কাজ করতেন। আজ বুধবার ঢাকার জেলা ও দায়রা জজ এস এম কুদ্দুস জামান আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।

মজনু মিয়া তার স্ত্রী ফাইমা আক্তারকে নিয়ে ঢাকা জেলার আশুলিয়ার বাইপাইল পশ্চিমপাড়ায় মনিরুল হকের বাসায় ভাড়া থাকতেন। ২০১৬ সালের ১৩ অক্টোবর পারিবারিক কলহের একপর্যায়ে মজনু মিয়া তার স্ত্রী ফাইমা আক্তারকে ধারালো বটি দিয়ে জবাই করেন। ঘটনার পরপরই মজনু মিয়া পালিয়ে যান।

ওই ঘটনায় নিহতের মা ফাতেমা বেগম বাদী হয়ে আশুলিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার পর মজনু মিয়া গ্রেপ্তার হলে হত্যার দায় স্বীকার করে তিনি আদালতে জবানবন্দি দেন। মামলার বিচার চলাকালে চার্জশিটের ২০ জন সাক্ষীর মধ্যে ১২ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন আদালত।