অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলায় আমন চাষে বাম্পার ফলন হয়েছে। ফসল ঘরে তুলতে দিনরাত মাঠে পরিশ্রম করছে কৃষক। অনুকূল আবহাওয়া, পোকার আক্রমণ ও রোগ বালাই কম থাকায় অন্য বছরের তুলনায় ফলনও বেশী হয়েছে।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসরণ অধিদপ্তরের হিসাব মতে আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ১৭ হাজার ৫৬০ হেক্টর। কিন্তু লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি চাষ হয়েছে। মোট আমন চাষ হয়েছে ১৮ হাজার ১৫৫ হেক্টর। চলতি বছরে কৃষকরা উচ্চ ফলনশীল স্বর্ণা , ব্রিধান-৪৯, হজ্র, বিনাধান-৭ ধান বেশী চাষ করেছে। প্রতিটি জাতের ধানে ফলনের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়াবে বলে কৃষকরা আশাবাদী। তবে কৃষকের উঠানে এই ধান উঠলে কাঙ্খিত দাম পেলে নবান্নের প্রকৃত আনন্দে মেতে উঠবেন কৃষক এমনটিই আশা করছেন অনেকেই।
সরেজমিনে কথা হয়, উপজেলার নির্বাসখোলা ইউনিয়নের নিশ্চিন্তপুর গ্রামের কৃষক শিমুল কবীর, সুলতান আহমেদ, অহেদ আলী, আনোয়ার হোসেন, রেজাউল ইসলাম, বাবুল আক্তার, জাকির হোসেন, ফজর আলী, আবু তালেব, আহম্মদ আলীর সাথে। তারা সকলেই চলতি মৌসুমে ধানের ফলনে ব্যাপক খুশি। তারা জানান, প্রতি বিঘা রোপা আমন ধান চাষে বোরো ধান চাষের চেয়ে খরচ অনেক কম। তাছাড়া এবছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় রাসায়নিক সার কম লেগেছে। পোকার আক্রমণ ও রোগ বালাই অনেক কম। তবে বাজারে ধানের মূল্যে বর্তমান সময়ের মত থাকলে কৃষকদের শত কষ্টের শেষে মুখে হাসি থাকবে। এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি অফিসার দীপংকর দাস জানান, ফলনে বাম্পার হয়েছে। ফলন আসার সময় ঝড় বৃষ্টি কিছুটা ক্ষতি করেছে। তারপরও অন্য বছরের তুলনায় এবার উৎপাদন বাড়ছে।
এদিকে এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, আমন ধান ঘরে তোলার জন্য কৃষক দিনরাত মাঠে পরিশ্রম করছে। ধান কাটা, বাঁধা ও বাড়ি নিয়ে কাজে সকল কৃষক-কৃষাণী ব্যস্ত সময় পার করছে।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 
























