অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার প্রধান বাজারে শুক্রবার চারটি বড় টাকি মাছের দেখা মেলে। এত বড় টাকি মাছ দেখতে ভিড় জমায় স্থানীয় লোকজন। তবে, মৎস্য কর্মকর্তা বলছেন, দেখে টাকি মনে হলেও এটি শোল বা গজার মাছের শংকর হতে পারে।
এ বিষয়ে মাছ ক্রেতা জাহিদ সরদার বলেন, খুব সকালে রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার মৈশালা বিল থেকে দেশীয় প্রজাতির মাছ নিয়ে আসেন স্থানীয় এক মাছ চাষি। জাহিদ সরদার ৩ হাজার ৩০০ টাকা দিয়ে মাছগুলো কিনে নেন। একেকটি বড় টাকির দাম কেজি প্রতি দাম হাঁকেন ৭০০ টাকা। পরে ৫০০ থেকে ৫৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করেন।
জাহিদ মৈশালা বিলের ওই মাছ বিক্রেতার বরাত দিয়ে জানান, এগুলো চাষের মাছ না। প্রাথমিকভাবে ধারণা করছেন, অনেক দিন ধরে ওই বিলেই মাছগুলো ছিল, ছোট মাছ খেয়ে এত বড় হয়েছে। একেকটি টাকি মাছের ওজন এক কেজি ৩৫০ গ্রাম থেকে এক কেজি ৫০০ গ্রাম।
গোয়ালন্দ বাজার বই বিতান লাইব্রেরির কর্ণধার মো. শাহজাহান সরদার একটি টাকি মাছ কিনে নেন। বলেন, এত বড় টাকি মাছের দেখা সহজে মেলে না। তাই ৫০০ টাকা কেজি দরে তিনি একটি এক কেজি ৩৫০ গ্রাম ওজনের মাছ কেনেন। বলেন, ‘শখের তোলা ৮০ টাকা! তাই একটি মাছ কিনে নিলাম।’
এ বিষয়ে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মজিনুর রহমান বলেন, দেশীয় প্রজাতির টাকি মাছ এত বড় হয় না। সর্বোচ্চ ১৫০ থেকে ২০০ গ্রাম হতে পারে। এত বেশি ওজনের টাকির কথা শোনেনি। মাছের ছবিটি দেখার পর বলেন, দেখে মনে হচ্ছে এটা অরিজিনাল টাকি মাছ। এত বড় টাকি আমি জীবনেও দেখিনি। এমন হতে পারে, শোল বা গজার মাছের সঙ্গে ক্রস হয়েছে। আরও খোঁজখবর নিতে হবে।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 
























