অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:
সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে বাহরাইনে গেছেন লেবাননের সদ্য পদত্যাগী প্রধানমন্ত্রী সাদ হারিরি। ইরানি সংবাদমাধ্যম পার্সটুডে’র এক প্রতিবেদনে তার বাহরাইন পৌঁছানোর খবরটি নিশ্চিত করা হয়েছিল।
এরআগে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স আভাস দিয়েছিল আমিরাত থেকে বাহরাইনে যেতে পারেন সদ্য পদত্যাগী হারিরি। পার্সটুডে বলছে, হারিরির পরবর্তী গন্তব্য কুয়েত। হারিরির সফরের উদ্দেশ্য জানা যায়নি, তবে পার্সটুডের খবরে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে, হিজবুল্লাহবিরোধী তৎপরতা চালাতে তাকে ওই তিন দেশ সফরে বাধ্য করছে সৌদি জোট।
সৌদি রাজা সালমান বিন আব্দুল আজিজের সঙ্গে বৈঠকের পরপরই (মঙ্গলবার) তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাতে যান। সেখানে তিনি আবুধাবির যুবরাজ মোহাম্মাদ বিন জায়েদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। আরব আমিরাত তিনি গেছেন রাহরাইনে। বাহরাইনের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে তিনি বৈঠক করবেন। হারিরির পরবর্তী গন্তব্য কুয়েত। সেখানেও তিনি কুয়েতি নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন।
গত শনিবার সাদ হারিরি আকস্মিকভাবে সৌদি আরব সফরে গিয়ে দেশটির টিভি চ্যানেলের মাধ্যমে পদত্যাগের ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি লেবাননের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপের জন্য ইরান ও হিজবুল্লাহকে দায়ী করেন। ইরান ও হিজবুল্লাহ অভিযোগ নাকচ করেছে।
লেবাননের পদত্যাগী প্রধানমন্ত্রী নিজ দেশ ছেড়ে এসে এখন কেন অন্যান্য দেশ সফর করছেন তা স্পষ্ট নয়। তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, সাদ হারিরির সাম্প্রতিক বক্তব্য থেকে এটা স্পষ্ট আরব আমিরাত, বাহরাইন ও কুয়েত সফরে তিনি ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান ও লেবাননের জনপ্রিয় সংগঠন হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে তৎপরতা চালাবেন।
সাদ হারিরির পদত্যাগের ঘোষণায় লেবাননের রাজনীতিতে এক ধরনের অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। দেশটির বেশিরভাগ রাজনীতিক মনে করছেন, সৌদি আরবের চাপের মুখে হারিরি পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছেন। লেবাননের আইন ও বিচারমন্ত্রী সালিম জিরিসাতি বলেছেন, সাদ হারিরি দেশে ফিরে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ না করলে তা প্রেসিডেন্ট মিশেল আউনের কাছে গ্রহণযোগ্য হবে না।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 
























