ঢাকা ১১:৫৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মধ্যপ্রাচ্যের বিকল্প শ্রমবাজারের সন্ধানে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা আছে সরকারের : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সবসময় গ্রামীণ জনপদ ও কৃষকের উন্নয়ন নিয়ে ভাবেন : রিজভী ইসরায়েলের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি স্থগিত করল ইতালি ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণে রাজনৈতিক বিবেচনা বা অনিয়মের সুযোগ নেই: আইনমন্ত্রী ‘খেলাধুলার মাধ্যমে দেশপ্রেম ও ভ্রাতৃত্ববোধ জাগ্রত করতে হবে’ সিকেডি হাসপাতালে চাঁদা দাবি: প্রধান আসামি মঈনসহ ৩ জন তিনদিনের রিমান্ডে স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নে বাজেটে বরাদ্দ বাড়ানো হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী মাদক নির্মূলে শিগগিরই বিশেষ অভিযান শুরু হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইরানের বন্দর অবরোধ বিপজ্জনক পদক্ষেপ: চীন কৃষি ও কৃষকই অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি: তথ্যমন্ত্রী

প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকার লাগাতার অনশন

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কুমিল্লা তিতাস উপজেলার নাগেরচর গ্রামে বিয়ের দাবিতে গত বৃহস্পতিবার (২ নভেম্বর) থেকে প্রেমিকা ইয়াছমিন আক্তার (১৮) প্রেমিক জিলানীর (২২) বাড়িতে ৫ দিন ধরে অবস্থান করে অনশন চালিয়ে আসছেন। প্রেমিকা ইয়াছমিন তিতাস উপজেলার ভিটিকান্দি ইউনিয়নের মানিক কান্দি গ্রামের আব্দুল বাতেনের মেয়ে। প্রেমিক জিলানী একই উপজেলার কলাকান্দি ইউনিয়নের মাছিমপুর গ্রামের মৃত আজিবরের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা য়ায়, ইয়াছমিন ও জিলানী তারা একে অপরের খালাতো ভাই-বোন। তাদের গত ২ বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক এবং গত ৫ মাস আগে পারিবারিকভাবে আংটি বদল হয়। একপর্যায়ে প্রেমিক জিলানী বিয়ের প্রলোভনে প্রেমিকাকে সাথে নিয়ে বিভিন্ন স্থানে বেড়াতে যায় এবং দৈহিক সম্পর্ক স্থাপন করে। সম্প্রতি প্রেমিকা বিয়ের জন্য চাপ দিলে প্রেমিক জিলানী ও তার পরিবার অসম্মতি জানায়। ফলে বিয়ের দাবিতে ওই প্রেমিকা জিলানীর বাড়িতে বৃহস্পতিবার থেকে অবস্থান নিয়ে অনশন করে আসছে।

প্রেমিকা ইয়াছমিন কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন, জিলানীর বাড়িতে অবস্থান করার সাথে সাথে তার পরিবারের লোকজন আমার উপর শারিরিক নির্যাতন করে এবং ঘর থেকে বের করে দেয়। তারা ঘরে তালা লাগিয়ে চলে যায়। এসময় তিনি আরও বলেন, জিলানীর সাথে আমার বিয়ে হবে, নয়তো আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে হবে আমাকে এমনটাই দাবি তার।

ইয়াছমিন আরও জানান, গত এক বছর যাবত আমরা স্বামী-স্ত্রী হিসেবে বিভিন্ন জায়গায় একত্রে বসবাস করে আসছি। তার সাথে আমার দৈহিক সম্পর্ক হয়েছে অনেক বার। তাই, এখন আমার আর ফিরে যাবার পথ নাই। তবে জিলানীর বড় ভাই প্রেমিকা ইয়াছমিনের একাধিক ছেলের সাথে সম্পর্ক থাকার অভিযোগ করে এ বিয়েতে জিলানীর অসম্মতির কথা জানান।

এছাড়াও ভিটিকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান আবু মোল্লার কাছে ঘটনা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, গত ২ দিন আগে মেয়ের পক্ষ থেকে আমাকে বিষয়টি জানায় এবং ছেলের গ্রাম থেকেও আমাকে ফোন করে বিষয়টি অবহিত করে। তাই আমি বিষয়টি সুষ্ঠু সমাধানের লক্ষে দুই পক্ষকে ডাকলে মেয়ের পক্ষ সময় মত হাজির হলেও ছেলের পক্ষ থেকে কেউ আসে নাই। ফলে এর সমাধান করাও সম্ভব হয়নি।

এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিদিন ওই বাড়িতে প্রেমিকাকে দেখতে এলাকাবাসী ভিড় করছে। এ বিষয়ে তিতাস থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নুরুল আলম বলেন, বিষয়টি আমি সাংবাদিকদের মাধ্যমে জানতে পেরেছি। এ ব্যাপারে খোঁজ নিয়ে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

মধ্যপ্রাচ্যের বিকল্প শ্রমবাজারের সন্ধানে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা আছে সরকারের : প্রধানমন্ত্রী

প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকার লাগাতার অনশন

আপডেট সময় ০৩:১০:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কুমিল্লা তিতাস উপজেলার নাগেরচর গ্রামে বিয়ের দাবিতে গত বৃহস্পতিবার (২ নভেম্বর) থেকে প্রেমিকা ইয়াছমিন আক্তার (১৮) প্রেমিক জিলানীর (২২) বাড়িতে ৫ দিন ধরে অবস্থান করে অনশন চালিয়ে আসছেন। প্রেমিকা ইয়াছমিন তিতাস উপজেলার ভিটিকান্দি ইউনিয়নের মানিক কান্দি গ্রামের আব্দুল বাতেনের মেয়ে। প্রেমিক জিলানী একই উপজেলার কলাকান্দি ইউনিয়নের মাছিমপুর গ্রামের মৃত আজিবরের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা য়ায়, ইয়াছমিন ও জিলানী তারা একে অপরের খালাতো ভাই-বোন। তাদের গত ২ বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক এবং গত ৫ মাস আগে পারিবারিকভাবে আংটি বদল হয়। একপর্যায়ে প্রেমিক জিলানী বিয়ের প্রলোভনে প্রেমিকাকে সাথে নিয়ে বিভিন্ন স্থানে বেড়াতে যায় এবং দৈহিক সম্পর্ক স্থাপন করে। সম্প্রতি প্রেমিকা বিয়ের জন্য চাপ দিলে প্রেমিক জিলানী ও তার পরিবার অসম্মতি জানায়। ফলে বিয়ের দাবিতে ওই প্রেমিকা জিলানীর বাড়িতে বৃহস্পতিবার থেকে অবস্থান নিয়ে অনশন করে আসছে।

প্রেমিকা ইয়াছমিন কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন, জিলানীর বাড়িতে অবস্থান করার সাথে সাথে তার পরিবারের লোকজন আমার উপর শারিরিক নির্যাতন করে এবং ঘর থেকে বের করে দেয়। তারা ঘরে তালা লাগিয়ে চলে যায়। এসময় তিনি আরও বলেন, জিলানীর সাথে আমার বিয়ে হবে, নয়তো আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে হবে আমাকে এমনটাই দাবি তার।

ইয়াছমিন আরও জানান, গত এক বছর যাবত আমরা স্বামী-স্ত্রী হিসেবে বিভিন্ন জায়গায় একত্রে বসবাস করে আসছি। তার সাথে আমার দৈহিক সম্পর্ক হয়েছে অনেক বার। তাই, এখন আমার আর ফিরে যাবার পথ নাই। তবে জিলানীর বড় ভাই প্রেমিকা ইয়াছমিনের একাধিক ছেলের সাথে সম্পর্ক থাকার অভিযোগ করে এ বিয়েতে জিলানীর অসম্মতির কথা জানান।

এছাড়াও ভিটিকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান আবু মোল্লার কাছে ঘটনা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, গত ২ দিন আগে মেয়ের পক্ষ থেকে আমাকে বিষয়টি জানায় এবং ছেলের গ্রাম থেকেও আমাকে ফোন করে বিষয়টি অবহিত করে। তাই আমি বিষয়টি সুষ্ঠু সমাধানের লক্ষে দুই পক্ষকে ডাকলে মেয়ের পক্ষ সময় মত হাজির হলেও ছেলের পক্ষ থেকে কেউ আসে নাই। ফলে এর সমাধান করাও সম্ভব হয়নি।

এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিদিন ওই বাড়িতে প্রেমিকাকে দেখতে এলাকাবাসী ভিড় করছে। এ বিষয়ে তিতাস থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নুরুল আলম বলেন, বিষয়টি আমি সাংবাদিকদের মাধ্যমে জানতে পেরেছি। এ ব্যাপারে খোঁজ নিয়ে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।