ঢাকা ০৫:২৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এ বাজেট বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়ন ও জনতুষ্টিমূলক: জিএম কাদের দলীয় প্রভাবমুক্ত ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নের নির্দেশ অর্থমন্ত্রীর মানবিক রাষ্ট্র গঠনে গণমাধ্যমের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী অর্থনীতি স্থিতিশীল হয়ে গেলে আমরা সমৃদ্ধির পথে যাব: অর্থমন্ত্রী ছাত্রীর শ্লীলতাহানির অভিযোগে পিরোজপুরে শিক্ষকের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ রাজধানীর ৪ বাস টার্মিনাল স্থানান্তরের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর দেশের জনগণ আধিপত্যবাদের কাছে মাথানত করেনি, করবে না: গোলাম পরওয়ার ৩০০ বিলিয়ন ডলারের তহবিল পেতে পারে ইরান: জেডি ভ্যান্স গুগলে দেখলাম দুর্নীতিতে এক নম্বরে রাজনীতিবিদরা, দুই নম্বরে আমলারা: রুমিন ফারহানা স্থানীয় সরকার নির্বাচন যথাসময়ে অনুষ্ঠিত হবে: মির্জা ফখরুল

পুতিনের জামাতার সঙ্গে ট্রাম্প মন্ত্রীর ব্যবসা

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের জামাতা ও আরেক ঘনিষ্ঠ সহযোগীর সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বাণিজ্যমন্ত্রী উইলবার রসের ব্যবসা রয়েছে। রোববার ফাঁস হওয়া ‘প্যারাডাইস পেপারস’ থেকে এ তথ্য জানা গেছে। এ নিয়ে চাপে আছেন বাণিজ্যমন্ত্রী উইলবার রস। এই তথ্য ফাঁস হওয়ার পর ওই মন্ত্রীর বিরুদ্ধে তদন্তের জোরালো দাবি জানিয়েছে বিরোধী ডেমোক্র্যাটস দলের সদস্যরা।

বাণিজ্যমন্ত্রী উইলবার রসের ব্যাপারে বলা হয়েছে, পুতিনের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ এক সহযোগীর সংশ্লিষ্ট একটি শিপিং ফার্মের সঙ্গে রসের ব্যবসায়িক যোগাযোগ রয়েছে। নেভিগেটর হোল্ডিংস নামের একটি কোম্পানির ৩১ শতাংশ শেয়ারের মালিক রস। ব্রিটিশ দৈনিক দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে, ওই কোম্পানি রাশিয়ার পেট্রোকেমিকেল ফার্ম সাইবারের জন্য গ্যাস পরিবহন করে বছরে কোটি ডলার আয় করে।

জটিল এক জালের মাধ্যমে সেখানে বিনিয়োগ করেছেন রস। তবে সরকারি নথি অনুযায়ী, বাণিজ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার সময় থেকে তিনি অংশীদারিত্ব কমিয়ে এনেছেন। এখন সেখানে তাঁর বিনিয়োগ রয়েছে ২০ লাখ থেকে ১ কোটি মার্কিন ডলারের মধ্যে। পেট্রোকেমিকেল ফার্ম সাইবারের আংশিক মালিক পুতিনের জামাতা কিরিল শামালভ এবং পুতিনের সহযোগী জেন্নাডি তিমচেঙ্কো। জেন্নাডির ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

এ দিকে উইলবার রস বিবিসিকে এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, রাশিয়ার সঙ্গে তার ব্যবসায় অনিয়ম এবং অনুচিত কিছু হয়নি। গণমাধ্যম বিষয়টি নিয়ে বাড়াবাড়ি করছে। শিপিং ফার্ম নেভিগেটর হোল্ডিংস রুশ কোম্পানির সঙ্গে ব্যবসাসংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় তিনি প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদে ছিলেন না, পরে যোগ দিয়েছেন।

তবে এই ঘটনায় মার্কিন নির্বাচনে ট্রাম্পের জয়ী হওয়ার পিছনে রুশ সহায়তার অভিযোগটি আরো দৃঢ় হলো। ইতিমধ্যে মন্ত্রী রসের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগটি খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করার আহ্বান জানিয়েছেন ডেমোক্র্যাট দলের সিনেট সদস্যরা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এ বাজেট বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়ন ও জনতুষ্টিমূলক: জিএম কাদের

পুতিনের জামাতার সঙ্গে ট্রাম্প মন্ত্রীর ব্যবসা

আপডেট সময় ০২:২৮:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের জামাতা ও আরেক ঘনিষ্ঠ সহযোগীর সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বাণিজ্যমন্ত্রী উইলবার রসের ব্যবসা রয়েছে। রোববার ফাঁস হওয়া ‘প্যারাডাইস পেপারস’ থেকে এ তথ্য জানা গেছে। এ নিয়ে চাপে আছেন বাণিজ্যমন্ত্রী উইলবার রস। এই তথ্য ফাঁস হওয়ার পর ওই মন্ত্রীর বিরুদ্ধে তদন্তের জোরালো দাবি জানিয়েছে বিরোধী ডেমোক্র্যাটস দলের সদস্যরা।

বাণিজ্যমন্ত্রী উইলবার রসের ব্যাপারে বলা হয়েছে, পুতিনের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ এক সহযোগীর সংশ্লিষ্ট একটি শিপিং ফার্মের সঙ্গে রসের ব্যবসায়িক যোগাযোগ রয়েছে। নেভিগেটর হোল্ডিংস নামের একটি কোম্পানির ৩১ শতাংশ শেয়ারের মালিক রস। ব্রিটিশ দৈনিক দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে, ওই কোম্পানি রাশিয়ার পেট্রোকেমিকেল ফার্ম সাইবারের জন্য গ্যাস পরিবহন করে বছরে কোটি ডলার আয় করে।

জটিল এক জালের মাধ্যমে সেখানে বিনিয়োগ করেছেন রস। তবে সরকারি নথি অনুযায়ী, বাণিজ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার সময় থেকে তিনি অংশীদারিত্ব কমিয়ে এনেছেন। এখন সেখানে তাঁর বিনিয়োগ রয়েছে ২০ লাখ থেকে ১ কোটি মার্কিন ডলারের মধ্যে। পেট্রোকেমিকেল ফার্ম সাইবারের আংশিক মালিক পুতিনের জামাতা কিরিল শামালভ এবং পুতিনের সহযোগী জেন্নাডি তিমচেঙ্কো। জেন্নাডির ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

এ দিকে উইলবার রস বিবিসিকে এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, রাশিয়ার সঙ্গে তার ব্যবসায় অনিয়ম এবং অনুচিত কিছু হয়নি। গণমাধ্যম বিষয়টি নিয়ে বাড়াবাড়ি করছে। শিপিং ফার্ম নেভিগেটর হোল্ডিংস রুশ কোম্পানির সঙ্গে ব্যবসাসংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় তিনি প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদে ছিলেন না, পরে যোগ দিয়েছেন।

তবে এই ঘটনায় মার্কিন নির্বাচনে ট্রাম্পের জয়ী হওয়ার পিছনে রুশ সহায়তার অভিযোগটি আরো দৃঢ় হলো। ইতিমধ্যে মন্ত্রী রসের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগটি খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করার আহ্বান জানিয়েছেন ডেমোক্র্যাট দলের সিনেট সদস্যরা।