অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
দিনাজপুরের বিরলে পুলিশকে পেটানোর ঘটনায় মামলা হয়েছে। আসামিরা সকলেই বিরল উপজেলার ধামইর ইউপির নেহালগ্রাম, হরিশচন্দ্রপুর এবং গোবিন্দপুর গ্রামের বাসিন্দা। মামলার পর থেকে পুলিশ আতঙ্কে নেহালগ্রাম, হরিশচন্দ্রপুর এবং গোবিন্দপুর গ্রামের পুরুষরা পালিয়ে যায়। ফলে পুরুষশূন্য হয়ে পড়ে। গ্রামের কৃষি জমিতেও নেই কোনো কৃষক।
চোর সন্দেহে পুলিশকে পেটানোর ঘটনায় গত ২৯ অক্টোবর বিরলের মঙ্গলপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এএসআই তুলশী রায় বাদী হয়ে বিরল থানায় একটি মামলা দায়ের করে। মামলায় ৩৫ জন আসামির নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো ৫০/৫৬ জনকে আসামি করা হয়।
নেহালগ্রামের বৃদ্ধা কানুবালা রায় জানান, তার পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি তার ছেলে কৈলাশ চন্দ্র রায়। আতঙ্কে তার ছেলে বাড়িছাড়া। সুমিত্রা রানী জানান, তার স্বামী গৌরাঙ্গ রায় পুলিশের ভয়ে পালিয়েছে। ধামইর ইউপি সদস্য আনন্দ চন্দ্র রায় জানান, পুলিশের ভয়ে এলাকার পুরুষরা গ্রাম ছেড়ে পালিয়েছে। এই গ্রামে হাজারেরও বেশী পরিবার থাকে।
তিনি আরো বলেন, কয়েকদিন আগে পাশের গ্রাম কাশিডাঙ্গাসহ আশেপাশে বেশ কয়েকটি চুরি সংঘটিত হয়েছে। তাই এলাকার মানুষ চোর-ডাকাত আতঙ্কে ছিল। আর এই চোর সন্দেহে আতঙ্কিত মানুষ চোর মনে করে সাদা পোশাকধারী পুলিশদের উপর আক্রমণ করে।
এ ব্যাপারে বিরল থানার ওসি আব্দুল মজিদ আশ্বস্ত করে বলেন, পুলিশ নিরীহ কোনো মানুষকে হয়রানি করছে না বা করবেও না। এখনও কাউকে আটক করা হয়নি। তিনি বলেন, আমরা ওই গ্রামের মানুষদের বলেছি, আপনারা নির্ভয়ে এলাকায় থাকুন। কাউকে হয়রানি বা আটক করা হবে না।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 
























