অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
নার্সদের অবহেলায় সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে এক নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। অহেতুক ৮ ঘন্টা অপেক্ষা করার পর সোমবার রাতে নরমাল ডেলিভারির সময় এই নবজাতকের মৃত্যু হয়। এ নিয়ে হাসপাতালে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়।
সদর উপজেলার ধুলিহর গ্রামের জয়নুল আবেদিন জানান, গরীব মানুষ হওয়ায় তিনি তার গর্ভবতী স্ত্রী নুরনাহারকে নিয়ে ক্লিনিকের পরিবর্তে সোমবার দুপুর ২ টায় সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে নিয়ে আসেন। তিনি এ সময় স্ত্রীকে হাসপাতালে নিয়ে আসলেও নার্সদের অবহেলায় ডেলিভারি করাতে পারেননি। এক পর্যায়ে তার স্ত্রীর তীব্র ব্যাথা উঠলেও কোন নার্স তার সাহায্যে এগিয়ে আসেননি। এমনকি তিনি নার্স নাসিমা খাতুন ও মুর্শেদা খাতুনকে বার বার অনুরোধ করলেও তাকে কেউ চিকিৎসা দিতেও এগিয়ে আসেননি।
এক পর্যায়ে রাত ১০ টার দিকে রোগীর অবস্থা সংকটাপন্ন হয়ে উঠলে তড়িঘড়ি করে ডিউটিরত নার্সরা তাকে ওপারেশন থিয়েটারে নিয়ে সিজার না করে নরমাল ডেলিভারি করালে তার স্ত্রী মৃত ছেলে প্রসব করে। এ সময় হাসপাতালে এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের সৃষ্টি হয়। জয়নুল তার শিশু হত্যার জন্য নার্সদের দায়ী করেন।
এ বিষয়ে সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. ফরহাদ জামিল বলেন, জয়নুল আবেদিনের অভিযোগ আমরা পেয়েছি। তদন্ত করে প্রযোজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ডিউটিরত এসআই সায়েম জানান, এ বিষয়ে তার কাছে এখনও পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ করেনি। তবে আমি শুনেছি একটি নারী মৃত সন্তান প্রসব করেছে।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 
























