অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
নেত্রকোনায় ইউপি সদস্যের মারধরের শিকার হয়ে এক কিশোরী আত্মহত্যা করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সোমবার সদরের মৌগাতি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। হাফসানা আক্তার (১৫) নামে ওই কিশোরী বাবার পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে মারধরের শিকার হয়।
পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, সোমবার সকালে বাবার পাওনা টাকা চাইতে গেলে মৌগাতি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আব্দুল হামিদ ডেন্ডু কিশোরী হাফসানা আক্তার ও তার মাকে মারধর করেন। এ ঘটনার পর হাফসানা বিষপান করে।
তাৎক্ষণিকভাবে তাকে নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হলে রাত ৯টার দিকে সে মারা যায়। হাফসানা একই ইউনিয়নের নাটেরকোনা গ্রামের কৃষক জয়নাল মিয়ার মেয়ে।
জয়নাল মিয়া বলেন, “অনেক দিন ধরেই মৌগাতী ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার আব্দুল হামিদ ডেন্ডুর কাছে এক লাখ টাকা পাই। দেবে দেবে করে টাকা দেয় না সে।”
তিনি জানান, সোমবার টাকা দেয়ার কথা ছিল। সেই অনুযায়ী দুপুরে হাফসানা ও স্ত্রী মঞ্জুরা খাতুন তার বাড়িতে গিয়েছিল টাকা আনতে। এসময় ইউপি সদস্য ডেন্ডু টাকা দিতে দেরি হবে জানিয়ে তার স্ত্রী ও মেয়েকে চলে যেতে বলেন। কিন্তু তারা সেখানে অবস্থান নেয়ার কারণে ডেন্ডু তাদের দুজনকেই মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেন।
ঘটনাটি জানার পর জয়নাল তার বাড়িতে গেলে তাকেও মারধর করে বের করে দেয়া হয়। জয়নাল বলেন, “ইউপি সদস্যের মারধরের পর আমার মেয়ে বাড়িতে এসে খুব কান্নাকাটি করে। পরে লজ্জায় সে আত্মহত্যা করেছে।” ঘটনার পর পলাতক রয়েছেন মৌগাতি ইউনিয়নের ইউপি সদস্য আব্দুল হামিদ ডেন্ডু।
এ ঘটনায় নেত্রকোনা মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তৈমূর আমির ইলি জানান, প্রাথমিক তদন্তে ইউপি সদস্যের মারধরের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 
























