ঢাকা ১০:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২

টানা পাঁচ ছক্কার দিনে দ্রুততম শতকের মালিক মিলার

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

ডি ভিলিয়ার্স পারেননি। তাতে কী? হাশিম আমলা আর ডেভিড মিলার কাজ সেরে দিয়েছেন। শেষ টি-টুয়েন্টিতে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে দুজনে দলকে ২২৪ রানের সংগ্রহ এনে দিয়েছেন। টি-টুয়েন্টির ইতিহাসে দ্রুততম শতক হাঁকানোর রেকর্ড গড়েছেন মিলার।

মিলার ২৩ বলে অর্ধশতকে পৌঁছানোর পর ৩৫ বলে শতকে পা রাখেন। আগের দ্রুততম শতক ছিল সাউথ আফ্রিকারই রিচার্ড লেভির। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ২০১২ সালে, ৪৫ বলে।

আমলা এদিন ৮৫ করেন, ৫১টি বল খেলেন। তার ভেতর চার মারেন ১১টি বলে। ছয় একটিতে। তার মানে বাকি ৩৪টি বলে হয় সিঙ্গেল না হয় ডাবল। বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানরা যা পারেনই না!

আমলা ফিরে যাওয়ার পর হামলা শুরু করেন মিলার। ৩৬ বলে ১০১ রানে অপরাজিত থাকার দিনে চূড়ান্ত হামলা চালান সাইফউদ্দিনের চতুর্থ এবং ইনিংসের ১৯তম ওভারে। আগের তিন ওভারে ২২ রান দিয়ে দুই ‘দানব’কে (ভিলিয়ার্স, আমলা) ফেরানো সাইফ প্রথম পাঁচ বলে পাঁচ ছক্কা হজম করে বসেন! লজ্জার রেকর্ডের মুখোমুখি হতে হতে বেঁচে যান। শেষ বলটি অফস্টাম্পের বেশ বাইরে করেন। মিলার এবার এক নিতে পারেন।

অথচ শুরুটা ছিল অন্যরকম। দলীয় সাত ওভারের ভেতর নিজের চার ওভারের কোটা শেষ করেন বাংলাদেশের অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। প্রতিপক্ষকে চাপে রাখতেই একটানা বল করে যান তিনি। এদিনও বোলিংয়ে উদ্বোধন করেন। দুই উইকেট নিয়ে নেন।

এদিন নিজের দ্বিতীয় ওভারে সাফল্য পান সাকিব। মাঙ্গালিসো মোসলকে (৫) বোল্ড করেন। অনেকটা আর্ম ডেলিভারির মতো সোজা পড়ে সোজা যায়। হালকা গতিও কমে গিয়েছিল। মোসলে লাইন মিস করে পায়ে লাগান। সেখান থেকে বল লাগে অফস্টাম্পে।

পঞ্চম ওভারের শেষ বলে জেপি ডুমিনিকে (৪) ফেরান ওই সাকিব। ফুল লেন্থের ডেলিভারি সুইপ করতে যেয়ে ‘ফুল’ বনে যান স্বাগতিক অধিনায়ক।

দুই উইকেট নিতে চার ওভারে ২২ রান খরচ করেন সাকিব।

নিজের চতুর্থ ওভারের আগ পর্যন্ত সাইফ বেশ বৈচিত্র্যময় বোলিং করেন। ইয়র্কার, কাটারে ব্যাটসম্যানদের বিভ্রান্ত করতে থাকেন। অন্যদিকে তাসকিন, রুবেলরা শুরু থেকেই খরুচে। তাসকিন তিন ওভারে ৪১ দেন। রুবেল চার ওভারে খরচ করেন ৫১

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

টানা পাঁচ ছক্কার দিনে দ্রুততম শতকের মালিক মিলার

আপডেট সময় ১২:০৯:৫২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩০ অক্টোবর ২০১৭

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

ডি ভিলিয়ার্স পারেননি। তাতে কী? হাশিম আমলা আর ডেভিড মিলার কাজ সেরে দিয়েছেন। শেষ টি-টুয়েন্টিতে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে দুজনে দলকে ২২৪ রানের সংগ্রহ এনে দিয়েছেন। টি-টুয়েন্টির ইতিহাসে দ্রুততম শতক হাঁকানোর রেকর্ড গড়েছেন মিলার।

মিলার ২৩ বলে অর্ধশতকে পৌঁছানোর পর ৩৫ বলে শতকে পা রাখেন। আগের দ্রুততম শতক ছিল সাউথ আফ্রিকারই রিচার্ড লেভির। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ২০১২ সালে, ৪৫ বলে।

আমলা এদিন ৮৫ করেন, ৫১টি বল খেলেন। তার ভেতর চার মারেন ১১টি বলে। ছয় একটিতে। তার মানে বাকি ৩৪টি বলে হয় সিঙ্গেল না হয় ডাবল। বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানরা যা পারেনই না!

আমলা ফিরে যাওয়ার পর হামলা শুরু করেন মিলার। ৩৬ বলে ১০১ রানে অপরাজিত থাকার দিনে চূড়ান্ত হামলা চালান সাইফউদ্দিনের চতুর্থ এবং ইনিংসের ১৯তম ওভারে। আগের তিন ওভারে ২২ রান দিয়ে দুই ‘দানব’কে (ভিলিয়ার্স, আমলা) ফেরানো সাইফ প্রথম পাঁচ বলে পাঁচ ছক্কা হজম করে বসেন! লজ্জার রেকর্ডের মুখোমুখি হতে হতে বেঁচে যান। শেষ বলটি অফস্টাম্পের বেশ বাইরে করেন। মিলার এবার এক নিতে পারেন।

অথচ শুরুটা ছিল অন্যরকম। দলীয় সাত ওভারের ভেতর নিজের চার ওভারের কোটা শেষ করেন বাংলাদেশের অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। প্রতিপক্ষকে চাপে রাখতেই একটানা বল করে যান তিনি। এদিনও বোলিংয়ে উদ্বোধন করেন। দুই উইকেট নিয়ে নেন।

এদিন নিজের দ্বিতীয় ওভারে সাফল্য পান সাকিব। মাঙ্গালিসো মোসলকে (৫) বোল্ড করেন। অনেকটা আর্ম ডেলিভারির মতো সোজা পড়ে সোজা যায়। হালকা গতিও কমে গিয়েছিল। মোসলে লাইন মিস করে পায়ে লাগান। সেখান থেকে বল লাগে অফস্টাম্পে।

পঞ্চম ওভারের শেষ বলে জেপি ডুমিনিকে (৪) ফেরান ওই সাকিব। ফুল লেন্থের ডেলিভারি সুইপ করতে যেয়ে ‘ফুল’ বনে যান স্বাগতিক অধিনায়ক।

দুই উইকেট নিতে চার ওভারে ২২ রান খরচ করেন সাকিব।

নিজের চতুর্থ ওভারের আগ পর্যন্ত সাইফ বেশ বৈচিত্র্যময় বোলিং করেন। ইয়র্কার, কাটারে ব্যাটসম্যানদের বিভ্রান্ত করতে থাকেন। অন্যদিকে তাসকিন, রুবেলরা শুরু থেকেই খরুচে। তাসকিন তিন ওভারে ৪১ দেন। রুবেল চার ওভারে খরচ করেন ৫১