ঢাকা ০৮:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আ.লীগ দেশ বিক্রি করে অবৈধভাবে ক্ষমতা ভোগ করেছিল: আসিফ নজরুল প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে এনসিপির প্রতিনিধিদলের বৈঠক গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার ৬ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্পে কাঁপল পাকিস্তান, একজনের মৃত্যু ভোটের মাঠে ১ লাখ সেনাসহ থাকবে ৯ লাখ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে: জোনায়েদ সাকি অনিয়মের প্রমাণ থাকলে যেকোনো বিচার মেনে নিতে প্রস্তুত: আসিফ এক্সপ্রেসওয়েতে চলন্ত অ্যাম্বুলেন্সে আগুন, প্রাণে রক্ষা পেলেন রোগীসহ চারজন ক্ষমতা হস্তান্তর ও গণভোট নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর প্রচেষ্টা অভিযোগ প্রেস সচিবের ‘ক্ষমতায় গেলে গণঅভ্যুত্থানে হতাহতদের পরিবারকে পুনর্বাসন করবে বিএনপি’:রিজভী

শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টা মামলার রায় রোববার

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

২৮ বছর আগে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর বাড়িতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টা ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে দায়ের করা মামলার রায় রোববার ঘোষণা করা হবে। এ দিন ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. জাহিদুল কবির এ রায় ঘোষণা করবেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টা মামলার রায় সকাল ১০টার দিকে পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডের অস্থায়ী আদালতে এবং দুপুর ২টার দিকে ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতে বিস্ফোরক আইনের মামলার রায় ঘোষণা করা হবে।

এর আগে গত ১৫ অক্টোবর হত্যাচেষ্টা এবং ১৬ অক্টোবর বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলার যুক্ততর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ের তারিখ ঠিক করা হয়।

প্রসঙ্গত, ১৯৮৯ সালের ১০ আগস্ট মধ্যরাতে ফ্রিডম পার্টির নেতৃত্বে শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের বাসভবনে গুলি ও গ্রেনেড নিক্ষেপ করা হয়। সেই সময় তিনি বাড়িতেই ছিলেন। পরে ওই বাড়ির নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ কনস্টেবল জহিরুল ইসলাম একটি মামলা দায়ের করেন।

ফ্রিডম পার্টির সদস্য কাজল ও কবিরের নেতৃত্বে ১০-১২ জনের একটি দল ৩২ নম্বরের বাড়িতে অতর্কিত গুলিবর্ষণ ও বোমা হামলা করে এবং হামলাকারীরা তখন ‘কর্নেল ফারুক-রশিদ জিন্দাবাদ’ বলে স্লোগান দিতে দিতে পালিয়ে যায় বলে এজাহারে অভিযোগ করা হয়।

তদন্ত শেষে ১৯৯৭ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। ২০০৯ সালের ৫ জুলাই আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচারকাজ শুরু হয়। মামলার আসামিদের মধ্যে গোলাম সারোয়ার ওরফে মামুন, জজ মিয়া, ফ্রিডম সোহেল, সৈয়দ নাজমুল মাকসুদ মুরাদ বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন।

জামিনে রযেছেন গাজী ইমাম হোসেন, খন্দকার আমিরুল ইসলাম কাজল, মিজানুর রহমান, হোমায়েন কবির, মো. শাজাহান বালু। এছাড়া পলাতক রয়েছেন লেফটেনেন্ট কর্নেল আবদুর রশীদ, জাফর আহম্মদ ও এইচ কবির।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টা মামলার রায় রোববার

আপডেট সময় ১১:৪৫:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

২৮ বছর আগে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর বাড়িতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টা ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে দায়ের করা মামলার রায় রোববার ঘোষণা করা হবে। এ দিন ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. জাহিদুল কবির এ রায় ঘোষণা করবেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টা মামলার রায় সকাল ১০টার দিকে পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডের অস্থায়ী আদালতে এবং দুপুর ২টার দিকে ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতে বিস্ফোরক আইনের মামলার রায় ঘোষণা করা হবে।

এর আগে গত ১৫ অক্টোবর হত্যাচেষ্টা এবং ১৬ অক্টোবর বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলার যুক্ততর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ের তারিখ ঠিক করা হয়।

প্রসঙ্গত, ১৯৮৯ সালের ১০ আগস্ট মধ্যরাতে ফ্রিডম পার্টির নেতৃত্বে শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের বাসভবনে গুলি ও গ্রেনেড নিক্ষেপ করা হয়। সেই সময় তিনি বাড়িতেই ছিলেন। পরে ওই বাড়ির নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ কনস্টেবল জহিরুল ইসলাম একটি মামলা দায়ের করেন।

ফ্রিডম পার্টির সদস্য কাজল ও কবিরের নেতৃত্বে ১০-১২ জনের একটি দল ৩২ নম্বরের বাড়িতে অতর্কিত গুলিবর্ষণ ও বোমা হামলা করে এবং হামলাকারীরা তখন ‘কর্নেল ফারুক-রশিদ জিন্দাবাদ’ বলে স্লোগান দিতে দিতে পালিয়ে যায় বলে এজাহারে অভিযোগ করা হয়।

তদন্ত শেষে ১৯৯৭ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। ২০০৯ সালের ৫ জুলাই আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচারকাজ শুরু হয়। মামলার আসামিদের মধ্যে গোলাম সারোয়ার ওরফে মামুন, জজ মিয়া, ফ্রিডম সোহেল, সৈয়দ নাজমুল মাকসুদ মুরাদ বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন।

জামিনে রযেছেন গাজী ইমাম হোসেন, খন্দকার আমিরুল ইসলাম কাজল, মিজানুর রহমান, হোমায়েন কবির, মো. শাজাহান বালু। এছাড়া পলাতক রয়েছেন লেফটেনেন্ট কর্নেল আবদুর রশীদ, জাফর আহম্মদ ও এইচ কবির।