অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে নির্বাচনের বাইরে রেখে বাংলাদেশে কোনো নির্বাচন হতে দেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বাবু গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। তিনি বলেছেন, ভোটারবিহীন সরকার যদি আবারো একটি অবৈধ নির্বাচন করার ষড়যন্ত্র করে এবং সেই ষড়যন্ত্র সফল করার জন্য জিয়া পরিবারকে নির্বাচনের বাইরে রেখে বিএনপির কোনো কোনো নেতাকে যদি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করিয়ে আরেকটি পাতানো নাটক মঞ্চস্থ করে তবে সেই নির্বাচনে বিএনপির যেসব নেতারা অংশগ্রহণ করবেন তাদের পরিণতি মান্নান ভূঁইয়ার চেয়েও খারাপ হবে।
শুক্রবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বন্ধু দল আয়োজিত ‘চলমান রাজনৈতিক সংকট, আগামী জাতীয় নির্বাচন : কোন পথে বাংলাদেশ’-শীর্ষক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন। তিনি বলেন, দেশে আজ গণতন্ত্র নেই। আছে আওয়ামী লীগ তন্ত্র। তারাই গণতন্ত্র ধ্বংস করে গুম-খুনের পথকে প্রশস্ত করেছে। দেশে একটাই সংকট- সেই সংকটের প্রধান হচ্ছে আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনা। তাদেরকে যদি আন্দোলন করে পরাজিত করা যায় দেশে আর কোনো সংকট থাকবে না। দেশের মানুষ তখন আবারো ভোট ও ভাতের অধিকার ফিরে পাবে।
তিনি সকলকে আগামী দিনে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে দুর্বার গণআন্দোলন গড়ে তুলে দুঃশাসনের পতনের আহ্বান জানান।
বন্ধু দলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি শরীফ মোস্তফাজামান লিটু’র সভাপতিত্বে ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জি. এইচ.এম আমিনুর রহমান এর পরিচালনায় আলোচনা সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিব। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ন্যাপের মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভূইয়া, বিএনপির সহ-দফতর সম্পাদক মো. মুনীর হোসেন, এনডিপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা, জিনাফ’র সভাপতি লায়ন মিয়া মো. আনোয়ার, কল্যাণ পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান সাহিদুর রহমান তামান্না, দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও আন্দোলনের সভাপতি কে এম রকিবুল ইসলাম রিপন।
বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিব বলেন, একর পর এক মিথ্যা মামলায় যারা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে হয়রানি ও নির্যাতন করছেন তাদের প্রতিরোধ করতে আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। খালেদা জিয়ার জনপ্রিয়তায় ভয় পেয়ে সরকার একের পর এক মিথ্যা মামলা দায়ের করছে।
ন্যাপ মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া বলেন, সুশীল আর অরাজনৈতি ব্যক্তিরদের পরামর্শে রাজনৈতিক কর্মসূচি গ্রহন করলে তা সফলার মুখ দেখবে না। রাজনৈতিক কর্মসূচি রাজনীতিবীদ আর রাজনৈতিক কর্মীদেরই নির্ধারণ করতে হবে। আন্দোলন ছাড়া কখনো কোনো দাবি আদায় হয় না।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 





















