ঢাকা ০৫:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

কুষ্টিয়ায় প্রবাসী রাকিব হত্যার আরেক আসামি বন্দুকযুদ্ধে নিহত

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলায় প্রবাসী রাকিবুল ইসলাম হত্যা মামলার আরেক আসামি পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছেন। কুমারখালী থানার ওসি আব্দুল খালেক বলছেন, শুক্রবার ভোরের দিকে উপজেলার জয়নাবাজ এলাকায় গড়াই নদীর তীরে গোলাগুলির এ ঘটনা ঘটে।

নিহত আনোয়ার হোসেন (২৭) উপজেলার নগর শাওতা গ্রামের আসমত আলীর ছেলে। তিনি রাকিবুল হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। ওসি খালেক বলেন, বৃহস্পতিবার দুপুরে বাঁধবাজার এলাকা থেকে আনোয়ারকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তার বাড়ি থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত দড়ি, রক্তমাখা গেঞ্জি ও বস্তা উদ্ধার করা হয়।

“রাতে আনোয়ারকে সঙ্গে নিয়ে রাকিব হত্যামামলার অন্য আসামিদের ধরতে গেলে একদল সন্ত্রাসী পুলিশকে লক্ষ করে গুলি ছোড়ে। পুলিশ পাল্টা গুলি করলে সন্ত্রাসীরা পিছু হটে। এ সময় আনোয়ার গুলিবিদ্ধ হয়। পুলিশ তাকে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।”

এ ঘটনায় চার পুলিশ আহত হয়েছেন জানিয়ে ওসি খালেক বলেন, “আনোয়ারের বিরুদ্ধে হত্যা-ডাকাতিসহ একাধিক মামলা রয়েছে।” পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি পিস্তুল, দুটি গুলি, একটি তলোয়ার ও একটি হাঁসুয়া উদ্ধার করেছে বলে তিনি জানান।

এর আগের একই হত্যা মামলার আরেক আসামি শাহিন আলী (৩০) গ্রেপ্তার হওয়ার পর ১২ অক্টোবর রাতে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হন বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল। কুমারখালীর চাপড়া ইউনিয়নের পাহাড়পুর স্কুলপাড়া গ্রামের মন্টু বিশ্বাসের ছেলে রাকিবুল মালয়েশিয়া থেকে ছুটিতে দেশে আসার পর গত ৫ অক্টোবর নিখোঁজ হন। এর তিন দিন পর কালীগঙ্গা নদীতে তার লাশ পাওয়া যায়।

এ ঘটনায় বাবা মন্টু কুমারখালী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্তে নেমে পুলিশ রাকিবুলের ছোট ভাই রকিবুল ইসলাম ও রাকিবুলের স্ত্রী নাইমা সুলতানা তিশাসহ পাঁচজনকে আটক করে। কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার মেহেদী হাসান বলেছিলেন, রাকিবুল বিদেশে থাকার সুযোগে তার স্ত্রী তিশা ও ছোট ভাই রকিবুলের মধ্যে ‘পরকীয়া সম্পর্ক তৈরি হয়’। এর জেরে তারা সন্ত্রাসী ভাড়া করে রাকিবুলকে খুন করান বলে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন রকিবুল।

ডিবির ওসি ছাব্বিরুল ইসলাম বলেছিলেন, রাকিবুলকে হত্যার জন্য তিশা ও রকিবুলের কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা নেওয়ার কথা পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছিলেন শাহিন। শাহিন গ্রেপ্তার হওয়ার পর ১২ অক্টোবর রাতে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

কুষ্টিয়ায় প্রবাসী রাকিব হত্যার আরেক আসামি বন্দুকযুদ্ধে নিহত

আপডেট সময় ০১:০১:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলায় প্রবাসী রাকিবুল ইসলাম হত্যা মামলার আরেক আসামি পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছেন। কুমারখালী থানার ওসি আব্দুল খালেক বলছেন, শুক্রবার ভোরের দিকে উপজেলার জয়নাবাজ এলাকায় গড়াই নদীর তীরে গোলাগুলির এ ঘটনা ঘটে।

নিহত আনোয়ার হোসেন (২৭) উপজেলার নগর শাওতা গ্রামের আসমত আলীর ছেলে। তিনি রাকিবুল হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। ওসি খালেক বলেন, বৃহস্পতিবার দুপুরে বাঁধবাজার এলাকা থেকে আনোয়ারকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তার বাড়ি থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত দড়ি, রক্তমাখা গেঞ্জি ও বস্তা উদ্ধার করা হয়।

“রাতে আনোয়ারকে সঙ্গে নিয়ে রাকিব হত্যামামলার অন্য আসামিদের ধরতে গেলে একদল সন্ত্রাসী পুলিশকে লক্ষ করে গুলি ছোড়ে। পুলিশ পাল্টা গুলি করলে সন্ত্রাসীরা পিছু হটে। এ সময় আনোয়ার গুলিবিদ্ধ হয়। পুলিশ তাকে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।”

এ ঘটনায় চার পুলিশ আহত হয়েছেন জানিয়ে ওসি খালেক বলেন, “আনোয়ারের বিরুদ্ধে হত্যা-ডাকাতিসহ একাধিক মামলা রয়েছে।” পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি পিস্তুল, দুটি গুলি, একটি তলোয়ার ও একটি হাঁসুয়া উদ্ধার করেছে বলে তিনি জানান।

এর আগের একই হত্যা মামলার আরেক আসামি শাহিন আলী (৩০) গ্রেপ্তার হওয়ার পর ১২ অক্টোবর রাতে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হন বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল। কুমারখালীর চাপড়া ইউনিয়নের পাহাড়পুর স্কুলপাড়া গ্রামের মন্টু বিশ্বাসের ছেলে রাকিবুল মালয়েশিয়া থেকে ছুটিতে দেশে আসার পর গত ৫ অক্টোবর নিখোঁজ হন। এর তিন দিন পর কালীগঙ্গা নদীতে তার লাশ পাওয়া যায়।

এ ঘটনায় বাবা মন্টু কুমারখালী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্তে নেমে পুলিশ রাকিবুলের ছোট ভাই রকিবুল ইসলাম ও রাকিবুলের স্ত্রী নাইমা সুলতানা তিশাসহ পাঁচজনকে আটক করে। কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার মেহেদী হাসান বলেছিলেন, রাকিবুল বিদেশে থাকার সুযোগে তার স্ত্রী তিশা ও ছোট ভাই রকিবুলের মধ্যে ‘পরকীয়া সম্পর্ক তৈরি হয়’। এর জেরে তারা সন্ত্রাসী ভাড়া করে রাকিবুলকে খুন করান বলে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন রকিবুল।

ডিবির ওসি ছাব্বিরুল ইসলাম বলেছিলেন, রাকিবুলকে হত্যার জন্য তিশা ও রকিবুলের কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা নেওয়ার কথা পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছিলেন শাহিন। শাহিন গ্রেপ্তার হওয়ার পর ১২ অক্টোবর রাতে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হন।